ঢাকা ০৫:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
টকশো ও সোশ্যাল মিডিয়ার বিভ্রান্তি থেকে সতর্ক থাকতে হবে: মির্জা ফখরুল রুশ তেল আমদানিতে ৬০ দিনের ‘বিশেষ ছাড়’ পেল বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৮ আরোহীর সবার মৃত্যু শেখ হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক বার্তা অস্ট্রিয়া—সংগীত, ইতিহাস ও পাহাড়ের দেশ চাঁদ জয়ের রেকর্ড গড়া নভোচারীদের, রাজকীয় সংবর্ধনা সিনেমার বাইরে বাস্তব নাটক—রোহিত শেঠির বাড়িতে গুলির ঘটনায় গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ায় অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ‘ক্লান্ত’ মির্জা ফখরুল কি তবে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি? গুঞ্জন ও আগামীর সমীকরণ খাবার শেষে পানি পান: উপকার নাকি ক্ষতি—চিকিৎসকরা কী বলছেন

বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস আজ: নিরাপদ জন্মের অঙ্গীকারে আলোকিত ভবিষ্যতের পথে

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:২৮:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ এপ্রিল ২০২৫
  • / 266

ছবি সংগৃহীত

 

আজ ৭ এপ্রিল, বিশ্বব্যাপী পালিত হচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস। এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘জন্ম হোক সুরক্ষিত, ভবিষ্যৎ হোক আলোকিত’ নতুন প্রজন্মের সুস্থ জীবন নিশ্চিত করতে বিশ্বজুড়ে একটি জোরালো বার্তা বহন করছে। বাংলাদেশেও দিবসটি যথাযথ গুরুত্বসহকারে উদযাপিত হচ্ছে।

এই উপলক্ষে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা গ্রহণ করেছে নানামুখী কর্মসূচি। গর্ভবতী মা ও নবজাতকের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা, স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করা এবং সচেতনতা বাড়ানোই এবারের মূল লক্ষ্য।

আরও পড়ুন  রোহিঙ্গা সহায়তায় যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত অঙ্গীকার

বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস এক গুরুত্বপূর্ণ বাণীতে বলেন, “নারী ও শিশুর স্বাস্থ্য উন্নয়নে দেশের প্রতিটি স্তরে সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরি। ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার নারী ও শিশুর স্বাস্থ্যকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “মাতৃমৃত্যু ও শিশুমৃত্যুর হার এখনো দেশের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ। এই হার কমাতে আরও কার্যকর কর্মসূচি, সচেতনতা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অপরিহার্য।”

বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসের ইতিহাস ঘেঁটে দেখা যায়, ১৯৪৬ সালে জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের সিদ্ধান্তে একটি আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সম্মেলনের আয়োজন হয়। এর ধারাবাহিকতায় ১৯৪৮ সালের ৭ এপ্রিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) প্রতিষ্ঠিত হয় এবং দিনটি ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

প্রতি বছর একটি বিশেষ স্বাস্থ্য ইস্যু কেন্দ্র করে দিবসটি পালন করা হয়, যা বৈশ্বিকভাবে গুরুত্ব পায়। এ বছর মাতৃত্বকালীন নিরাপত্তা ও শিশুর সুরক্ষা বিষয়ে ফোকাস করে বিশ্বজুড়ে নীতিনির্ধারক ও জনগণের মধ্যে সচেতনতা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসে এ বছরের বার্তা তাই খুবই স্পষ্ট প্রত্যেকটি শিশুর জন্ম হোক নিরাপদ, আর প্রতিটি ভবিষ্যৎ হোক স্বাস্থ্যোজ্জ্বল ও আলোকিত।

নিউজটি শেয়ার করুন

বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস আজ: নিরাপদ জন্মের অঙ্গীকারে আলোকিত ভবিষ্যতের পথে

আপডেট সময় ১১:২৮:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ এপ্রিল ২০২৫

 

আজ ৭ এপ্রিল, বিশ্বব্যাপী পালিত হচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস। এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘জন্ম হোক সুরক্ষিত, ভবিষ্যৎ হোক আলোকিত’ নতুন প্রজন্মের সুস্থ জীবন নিশ্চিত করতে বিশ্বজুড়ে একটি জোরালো বার্তা বহন করছে। বাংলাদেশেও দিবসটি যথাযথ গুরুত্বসহকারে উদযাপিত হচ্ছে।

এই উপলক্ষে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা গ্রহণ করেছে নানামুখী কর্মসূচি। গর্ভবতী মা ও নবজাতকের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা, স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করা এবং সচেতনতা বাড়ানোই এবারের মূল লক্ষ্য।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশ-ইতালি সম্পর্ক নতুন উচ্চতায়, সফর শেষে যৌথ সহযোগিতার অঙ্গীকার

বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস এক গুরুত্বপূর্ণ বাণীতে বলেন, “নারী ও শিশুর স্বাস্থ্য উন্নয়নে দেশের প্রতিটি স্তরে সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরি। ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার নারী ও শিশুর স্বাস্থ্যকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “মাতৃমৃত্যু ও শিশুমৃত্যুর হার এখনো দেশের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ। এই হার কমাতে আরও কার্যকর কর্মসূচি, সচেতনতা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অপরিহার্য।”

বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসের ইতিহাস ঘেঁটে দেখা যায়, ১৯৪৬ সালে জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের সিদ্ধান্তে একটি আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সম্মেলনের আয়োজন হয়। এর ধারাবাহিকতায় ১৯৪৮ সালের ৭ এপ্রিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) প্রতিষ্ঠিত হয় এবং দিনটি ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

প্রতি বছর একটি বিশেষ স্বাস্থ্য ইস্যু কেন্দ্র করে দিবসটি পালন করা হয়, যা বৈশ্বিকভাবে গুরুত্ব পায়। এ বছর মাতৃত্বকালীন নিরাপত্তা ও শিশুর সুরক্ষা বিষয়ে ফোকাস করে বিশ্বজুড়ে নীতিনির্ধারক ও জনগণের মধ্যে সচেতনতা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসে এ বছরের বার্তা তাই খুবই স্পষ্ট প্রত্যেকটি শিশুর জন্ম হোক নিরাপদ, আর প্রতিটি ভবিষ্যৎ হোক স্বাস্থ্যোজ্জ্বল ও আলোকিত।