ঢাকা ১০:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:৩০:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬
  • / 73

ছবি: সংগৃহীত

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় পাওনা মাত্র দুই হাজার টাকার বিরোধকে কেন্দ্র করে মিলন মিয়া (৩৫) নামে এক ভাঙারি ব্যবসায়ীকে দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। বুধবার (৩ জুন) দুপুরে উপজেলার দলপা ইউনিয়নের দলপা (কান্দাপাড়া) গ্রামে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরপরই জড়িত থাকার অভিযোগে মা ও ছেলেকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় এলাকাবাসী।

কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী মাকসুদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। নিহত মিলন মিয়া দলপা গ্রামের আমজুদ আলীর ছেলে। তিনি স্থানীয় বাজারে ভাঙারি মালের ব্যবসা করতেন। অন্যদিকে আটক ব্যক্তিরা হলেন— একই গ্রামের মমিন মিয়ার স্ত্রী হাবিয়া বেগম (৫৫) এবং তার ছেলে ইমন মিয়া (২২)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ব্যবসায়ী মিলনের কাছে হাবিয়া বেগমের দুই হাজার টাকা পাওনা ছিল। বুধবার দুপুরে হাবিয়া বেগম সেই পাওনা টাকার তাগাদা দিতে মিলনের কাছে যান। টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে একপর্যায়ে মিলনের সঙ্গে হাবিয়া বেগমের তীব্র তর্কাতর্কি শুরু হয়।

আরও পড়ুন  সরকারি দামে অনীহা ট্যানারির, চামড়া নিয়ে বিপাকে ব্যবসায়ীরা

এ সময় হাবিয়ার ছেলে ইমন মিয়া উত্তেজিত হয়ে ঘর থেকে দা এনে মিলনের গলার বাম পাশে সজোরে আঘাত করেন। এতে গুরুতর জখম হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন মিলন। পরে স্বজন ও প্রতিবেশীরা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পর পর পুরো এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। উত্তেজিত এলাকাবাসী অভিযুক্ত ইমন ও তার মা হাবিয়া বেগমকে তাৎক্ষণিকভাবে আটকে ফেলে। এ সময় খুনের দায়ে অভিযুক্ত ইমনকে একটি গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়। পরে খবর পেয়ে কেন্দুয়া থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত মা ও ছেলেকে উত্তেজিত জনতার হাত থেকে উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নেয়।

এ বিষয়ে কেন্দুয়া থানার ওসি মেহেদী মাকসুদ জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মা ও ছেলে দুজনকে আটক করে থানায় নিয়ে এসেছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরসহ পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা

আপডেট সময় ০৬:৩০:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় পাওনা মাত্র দুই হাজার টাকার বিরোধকে কেন্দ্র করে মিলন মিয়া (৩৫) নামে এক ভাঙারি ব্যবসায়ীকে দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। বুধবার (৩ জুন) দুপুরে উপজেলার দলপা ইউনিয়নের দলপা (কান্দাপাড়া) গ্রামে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরপরই জড়িত থাকার অভিযোগে মা ও ছেলেকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় এলাকাবাসী।

কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী মাকসুদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। নিহত মিলন মিয়া দলপা গ্রামের আমজুদ আলীর ছেলে। তিনি স্থানীয় বাজারে ভাঙারি মালের ব্যবসা করতেন। অন্যদিকে আটক ব্যক্তিরা হলেন— একই গ্রামের মমিন মিয়ার স্ত্রী হাবিয়া বেগম (৫৫) এবং তার ছেলে ইমন মিয়া (২২)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ব্যবসায়ী মিলনের কাছে হাবিয়া বেগমের দুই হাজার টাকা পাওনা ছিল। বুধবার দুপুরে হাবিয়া বেগম সেই পাওনা টাকার তাগাদা দিতে মিলনের কাছে যান। টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে একপর্যায়ে মিলনের সঙ্গে হাবিয়া বেগমের তীব্র তর্কাতর্কি শুরু হয়।

আরও পড়ুন  ব্যবসায়ী সোহাগ হত্যা: টিটন গাজীর ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

এ সময় হাবিয়ার ছেলে ইমন মিয়া উত্তেজিত হয়ে ঘর থেকে দা এনে মিলনের গলার বাম পাশে সজোরে আঘাত করেন। এতে গুরুতর জখম হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন মিলন। পরে স্বজন ও প্রতিবেশীরা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পর পর পুরো এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। উত্তেজিত এলাকাবাসী অভিযুক্ত ইমন ও তার মা হাবিয়া বেগমকে তাৎক্ষণিকভাবে আটকে ফেলে। এ সময় খুনের দায়ে অভিযুক্ত ইমনকে একটি গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়। পরে খবর পেয়ে কেন্দুয়া থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত মা ও ছেলেকে উত্তেজিত জনতার হাত থেকে উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নেয়।

এ বিষয়ে কেন্দুয়া থানার ওসি মেহেদী মাকসুদ জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মা ও ছেলে দুজনকে আটক করে থানায় নিয়ে এসেছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরসহ পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।