ঢাকা ০৮:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:৪৬:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬
  • / 62

ছবি: সংগৃহীত

জোরপূর্বক শ্রমের মাধ্যমে উৎপাদিত পণ্যের বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগে বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৬০টি দেশের ওপর অতিরিক্ত আমদানি শুল্ক আরোপের প্রস্তাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এ বিষয়ে একটি প্রস্তাবনা প্রকাশ করেছে দেশটির বাণিজ্য প্রতিনিধি দপ্তর (ইউএসটিআর)।

মঙ্গলবার (২ জুন) ঘোষিত এ প্রস্তাবের তথ্য প্রকাশ করেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

ইউএসটিআর জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ১৯৭৪ সালের বাণিজ্য আইনের ৩০১(বি) ধারা অনুযায়ী এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংস্থাটির মতে, গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক অংশীদার দেশগুলোর পক্ষ থেকে জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত পণ্যের আমদানি ও বাণিজ্য কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা মার্কিন শ্রমিকদের জন্য অসম প্রতিযোগিতামূলক পরিস্থিতি তৈরি করছে।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশি পণ্যের ওপর শুল্ক বসানো উচিত হয়নি – মন্তব্য নোবেলজয়ী মার্কিন অর্থনীতিবিদের

প্রস্তাবে বাংলাদেশ, ভারত, চীন, জাপান, যুক্তরাজ্য, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডসহ ৫৪টি দেশকে এমন অর্থনীতি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যেগুলো জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত পণ্যের আমদানির ওপর কার্যকর নিষেধাজ্ঞা আরোপ বা বাস্তবায়নে যথেষ্ট পদক্ষেপ নেয়নি বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষের দাবি।

এ ছাড়া কানাডা, মেক্সিকো ও পাকিস্তানসহ আরও ছয়টি দেশকে বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞা কার্যকরভাবে বাস্তবায়নে ব্যর্থ হওয়ার কারণে পৃথকভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত কাঠামো অনুযায়ী, যেসব দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সীমিত বা আংশিক বাণিজ্যিক ব্যবস্থা রয়েছে, সেসব দেশের পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হতে পারে। অন্যদিকে যেসব দেশের সঙ্গে এ ধরনের কোনো বাণিজ্যিক ব্যবস্থা নেই, তাদের পণ্যের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সাড়ে ১২ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক প্রযোজ্য হতে পারে।

তবে এই প্রস্তাব এখনই কার্যকর হচ্ছে না। ইউএসটিআর জানিয়েছে, বিষয়টি বর্তমানে পর্যালোচনাধীন রয়েছে এবং এ বিষয়ে আগামী ৬ জুলাই পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো লিখিত মতামত জমা দিতে পারবে।

একই সঙ্গে পোশাক ও টেক্সটাইল পণ্যের জন্য পৃথক একটি বাণিজ্যিক ব্যবস্থারও প্রস্তাব করা হয়েছে। ওই ব্যবস্থার আওতায় নির্দিষ্ট পরিমাণ পণ্য তুলনামূলক কম শুল্কে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রবেশের সুযোগ পেতে পারে। তবে এ সংক্রান্ত কোটা ও অন্যান্য শর্তাবলি এখনো চূড়ান্ত করা হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক

আপডেট সময় ০৩:৪৬:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬

জোরপূর্বক শ্রমের মাধ্যমে উৎপাদিত পণ্যের বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগে বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৬০টি দেশের ওপর অতিরিক্ত আমদানি শুল্ক আরোপের প্রস্তাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এ বিষয়ে একটি প্রস্তাবনা প্রকাশ করেছে দেশটির বাণিজ্য প্রতিনিধি দপ্তর (ইউএসটিআর)।

মঙ্গলবার (২ জুন) ঘোষিত এ প্রস্তাবের তথ্য প্রকাশ করেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

ইউএসটিআর জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ১৯৭৪ সালের বাণিজ্য আইনের ৩০১(বি) ধারা অনুযায়ী এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংস্থাটির মতে, গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক অংশীদার দেশগুলোর পক্ষ থেকে জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত পণ্যের আমদানি ও বাণিজ্য কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা মার্কিন শ্রমিকদের জন্য অসম প্রতিযোগিতামূলক পরিস্থিতি তৈরি করছে।

আরও পড়ুন  চীনের পাল্টাঘাতে কাঁপল ওয়ালস্ট্রিট, বিশ্ববাজারে বাড়ছে বাণিজ্যযুদ্ধের শঙ্কা

প্রস্তাবে বাংলাদেশ, ভারত, চীন, জাপান, যুক্তরাজ্য, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডসহ ৫৪টি দেশকে এমন অর্থনীতি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যেগুলো জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত পণ্যের আমদানির ওপর কার্যকর নিষেধাজ্ঞা আরোপ বা বাস্তবায়নে যথেষ্ট পদক্ষেপ নেয়নি বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষের দাবি।

এ ছাড়া কানাডা, মেক্সিকো ও পাকিস্তানসহ আরও ছয়টি দেশকে বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞা কার্যকরভাবে বাস্তবায়নে ব্যর্থ হওয়ার কারণে পৃথকভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত কাঠামো অনুযায়ী, যেসব দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সীমিত বা আংশিক বাণিজ্যিক ব্যবস্থা রয়েছে, সেসব দেশের পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হতে পারে। অন্যদিকে যেসব দেশের সঙ্গে এ ধরনের কোনো বাণিজ্যিক ব্যবস্থা নেই, তাদের পণ্যের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সাড়ে ১২ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক প্রযোজ্য হতে পারে।

তবে এই প্রস্তাব এখনই কার্যকর হচ্ছে না। ইউএসটিআর জানিয়েছে, বিষয়টি বর্তমানে পর্যালোচনাধীন রয়েছে এবং এ বিষয়ে আগামী ৬ জুলাই পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো লিখিত মতামত জমা দিতে পারবে।

একই সঙ্গে পোশাক ও টেক্সটাইল পণ্যের জন্য পৃথক একটি বাণিজ্যিক ব্যবস্থারও প্রস্তাব করা হয়েছে। ওই ব্যবস্থার আওতায় নির্দিষ্ট পরিমাণ পণ্য তুলনামূলক কম শুল্কে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রবেশের সুযোগ পেতে পারে। তবে এ সংক্রান্ত কোটা ও অন্যান্য শর্তাবলি এখনো চূড়ান্ত করা হয়নি।