ঢাকা ০২:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
টকশো ও সোশ্যাল মিডিয়ার বিভ্রান্তি থেকে সতর্ক থাকতে হবে: মির্জা ফখরুল রুশ তেল আমদানিতে ৬০ দিনের ‘বিশেষ ছাড়’ পেল বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৮ আরোহীর সবার মৃত্যু শেখ হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক বার্তা অস্ট্রিয়া—সংগীত, ইতিহাস ও পাহাড়ের দেশ চাঁদ জয়ের রেকর্ড গড়া নভোচারীদের, রাজকীয় সংবর্ধনা সিনেমার বাইরে বাস্তব নাটক—রোহিত শেঠির বাড়িতে গুলির ঘটনায় গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ায় অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ‘ক্লান্ত’ মির্জা ফখরুল কি তবে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি? গুঞ্জন ও আগামীর সমীকরণ খাবার শেষে পানি পান: উপকার নাকি ক্ষতি—চিকিৎসকরা কী বলছেন

ছয় মাসে জাতীয় সনদ চূড়ান্তে ঐকমত্য কমিশনের অঙ্গীকার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:২৫:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ মে ২০২৫
  • / 207

ছবি সংগৃহীত

 

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি ড. আলী রীয়াজ বলেছেন, “ঐকমত্য কমিশন কারও প্রতিপক্ষ নয়, বরং একটি সুনির্দিষ্ট জাতীয় সনদ প্রণয়নই আমাদের মূল লক্ষ্য।” তিনি জানান, আগামী ছয় মাসের মধ্যে এই সনদ প্রস্তুত করতে চায় কমিশন।

শনিবার (৩ মে) সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হলে ১২ দলীয় ঐক্যজোটের সঙ্গে সংলাপে বসার আগে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

আরও পড়ুন  ডব্লিউটিও ও প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক: বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণে সহযোগিতার অঙ্গীকার

ড. আলী রীয়াজ আরও বলেন, “দলগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য থাকা স্বাভাবিক। কিন্তু জাতীয় স্বার্থে নেতাকর্মীদের নিজেদের অবস্থান থেকে দায়িত্বশীলভাবে মত প্রকাশ করতে হবে। একই সঙ্গে ছাড় দেওয়ার মানসিকতাও থাকতে হবে। সব বিষয়ে একমত হওয়া সম্ভব না হলেও, রাষ্ট্রগঠনের মৌলিক বিষয়ে ঐকমত্য গড়া সম্ভব বলে আমরা আশাবাদী।”

এর আগে, শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শনিবার সকাল ১০টায় জাতীয় সংসদের এলডি হলে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন ও ১২ দলীয় ঐক্যজোটের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। একই দিন বিকেল ৩টায় সেখানে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) সঙ্গেও বৈঠক করবে কমিশন।

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সূত্র মতে, এ পর্যন্ত প্রথম পর্যায়ে ২০টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে। এই সংলাপের মূল লক্ষ্য হচ্ছে রাষ্ট্রীয় সংস্কার প্রশ্নে একটি সর্বসম্মত রূপরেখা তৈরি করা। এজন্য বিভিন্ন কমিশনের প্রস্তাবিত সংস্কারের ওপর ভিত্তি করে আলোচনা চলছে।

উল্লেখ্য, গত বছরের অক্টোবর মাসে অন্তর্বর্তী সরকার ছয়টি সংস্কার কমিশন গঠন করে। এর মধ্যে রয়েছে সংবিধান, নির্বাচন ব্যবস্থা, দুর্নীতি দমন, বিচার বিভাগ ও জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন। এ পাঁচটি কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ ১৬৬টি সুপারিশ নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন।

জাতীয় ঐকমত্য কমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে চলতি বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি। এই কমিশনের নেতৃত্বে রয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

ড. আলী রীয়াজ জানান, ভবিষ্যৎ বাংলাদেশকে নতুন কাঠামোয় দাঁড় করাতে হলে সর্বস্তরের রাজনৈতিক দলগুলোর সহানুভূতিশীল অংশগ্রহণ অপরিহার্য। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, জাতীয় স্বার্থে সবাই এক কাতারে এসে একটি সময়োপযোগী ও গ্রহণযোগ্য সনদ তৈরিতে ঐক্যবদ্ধ হবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ছয় মাসে জাতীয় সনদ চূড়ান্তে ঐকমত্য কমিশনের অঙ্গীকার

আপডেট সময় ০৪:২৫:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ মে ২০২৫

 

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি ড. আলী রীয়াজ বলেছেন, “ঐকমত্য কমিশন কারও প্রতিপক্ষ নয়, বরং একটি সুনির্দিষ্ট জাতীয় সনদ প্রণয়নই আমাদের মূল লক্ষ্য।” তিনি জানান, আগামী ছয় মাসের মধ্যে এই সনদ প্রস্তুত করতে চায় কমিশন।

শনিবার (৩ মে) সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হলে ১২ দলীয় ঐক্যজোটের সঙ্গে সংলাপে বসার আগে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

আরও পড়ুন  ঐকমত্য না হওয়া বিষয়গুলো জনসম্মুখে প্রকাশ করা হবে: ড. আলী রীয়াজ

ড. আলী রীয়াজ আরও বলেন, “দলগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য থাকা স্বাভাবিক। কিন্তু জাতীয় স্বার্থে নেতাকর্মীদের নিজেদের অবস্থান থেকে দায়িত্বশীলভাবে মত প্রকাশ করতে হবে। একই সঙ্গে ছাড় দেওয়ার মানসিকতাও থাকতে হবে। সব বিষয়ে একমত হওয়া সম্ভব না হলেও, রাষ্ট্রগঠনের মৌলিক বিষয়ে ঐকমত্য গড়া সম্ভব বলে আমরা আশাবাদী।”

এর আগে, শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শনিবার সকাল ১০টায় জাতীয় সংসদের এলডি হলে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন ও ১২ দলীয় ঐক্যজোটের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। একই দিন বিকেল ৩টায় সেখানে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) সঙ্গেও বৈঠক করবে কমিশন।

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সূত্র মতে, এ পর্যন্ত প্রথম পর্যায়ে ২০টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে। এই সংলাপের মূল লক্ষ্য হচ্ছে রাষ্ট্রীয় সংস্কার প্রশ্নে একটি সর্বসম্মত রূপরেখা তৈরি করা। এজন্য বিভিন্ন কমিশনের প্রস্তাবিত সংস্কারের ওপর ভিত্তি করে আলোচনা চলছে।

উল্লেখ্য, গত বছরের অক্টোবর মাসে অন্তর্বর্তী সরকার ছয়টি সংস্কার কমিশন গঠন করে। এর মধ্যে রয়েছে সংবিধান, নির্বাচন ব্যবস্থা, দুর্নীতি দমন, বিচার বিভাগ ও জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন। এ পাঁচটি কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ ১৬৬টি সুপারিশ নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন।

জাতীয় ঐকমত্য কমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে চলতি বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি। এই কমিশনের নেতৃত্বে রয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

ড. আলী রীয়াজ জানান, ভবিষ্যৎ বাংলাদেশকে নতুন কাঠামোয় দাঁড় করাতে হলে সর্বস্তরের রাজনৈতিক দলগুলোর সহানুভূতিশীল অংশগ্রহণ অপরিহার্য। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, জাতীয় স্বার্থে সবাই এক কাতারে এসে একটি সময়োপযোগী ও গ্রহণযোগ্য সনদ তৈরিতে ঐক্যবদ্ধ হবেন।