ঢাকা ০৭:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :

ডেঙ্গু পরীক্ষায় ৮০ শতাংশ ছাড়, চিকিৎসকদের ফি না নেওয়ার নির্দেশ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:০৯:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬
  • / 105

ছবি সংগৃহীত

 

বেসরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে টেস্টের ফি-তে ৮০ শতাংশ ছাড় এবং চিকিৎসকদের পরামর্শ ফি সম্পূর্ণ মওকুফ করার নির্দেশনা দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
এর পাশাপাশি দেশের প্রতিটি বেসরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসার জন্য ১০ শতাংশ বেড ফাঁকা রাখার নির্দেশও দিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াতে পারে এমন যেকোনো ওষুধের অননুমোদিত প্রয়োগ বন্ধে সরকার কার্যকর উদ্যোগ নিচ্ছে বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার (২ জুন) সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত ডেঙ্গু প্রতিরোধ, চিকিৎসা ও গাইডলাইন বিষয়ক এক উচ্চপর্যায়ের সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসব নির্দেশনার কথা জানান। দেশের সব মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, প্যাথলজি, বেসরকারি হাসপাতাল এবং সিটি করপোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের সঙ্গে ডেঙ্গু মোকাবিলার কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে এই সভায় বিস্তারিত আলোচনা হয়।

আরও পড়ুন  সিনোভ্যাকের পোলিও ভ্যাকসিন গ্রহণ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

সভায় ডেঙ্গু রোগীদের বিদ্যমান চিকিৎসা সংকটের বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এ সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, দেশের সব বেসরকারি হাসপাতালে মোট বেডের ১০ শতাংশ ডেঙ্গু রোগীদের জন্য ফাঁকা রাখতে হবে এবং ডেঙ্গু শনাক্তকরণ টেস্টে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দিতে হবে। এই নির্দেশনার ফলে রোগীরা চিকিৎসকদের পরামর্শ ফি ছাড়া শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় ওষুধ ও খাবারের খরচ বহন করবেন। চিকিৎসকদের ফি সম্পূর্ণ মওকুফ করার বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা দেন তিনি।

উক্ত সভায় চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনাকালে ওষুধ প্রয়োগের ক্ষেত্রে যথাযথ চিকিৎসাবিজ্ঞানসম্মত নিয়ম অনুসরণের নির্দেশনাও দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি দেশের বর্তমান পরিস্থিতি উল্লেখ করে জানান, বর্তমানে ডেঙ্গুর কোনো ভ্যাকসিন আন্তর্জাতিকভাবে সার্বজনীন স্বীকৃতি পায়নি। এই যৌক্তিক কারণে বাংলাদেশে এখনই ডেঙ্গুর কোনো ভ্যাকসিন কার্যক্রম চালুর পরিকল্পনা সরকারের নেই।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রম প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সারা দেশে কঠোরভাবে মোবাইল কোর্ট বা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে। এডিস মশার বিস্তার রোধে কারও বাসার ছাদ বা চারপাশ অপরিচ্ছন্ন থাকলে এবং সেখানে মশার লার্ভা পাওয়া গেলে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা ও জরিমানা নিশ্চিত করা হবে বলে তিনি সতর্ক করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ডেঙ্গু পরীক্ষায় ৮০ শতাংশ ছাড়, চিকিৎসকদের ফি না নেওয়ার নির্দেশ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

আপডেট সময় ০৩:০৯:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬

 

বেসরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে টেস্টের ফি-তে ৮০ শতাংশ ছাড় এবং চিকিৎসকদের পরামর্শ ফি সম্পূর্ণ মওকুফ করার নির্দেশনা দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
এর পাশাপাশি দেশের প্রতিটি বেসরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসার জন্য ১০ শতাংশ বেড ফাঁকা রাখার নির্দেশও দিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াতে পারে এমন যেকোনো ওষুধের অননুমোদিত প্রয়োগ বন্ধে সরকার কার্যকর উদ্যোগ নিচ্ছে বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার (২ জুন) সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত ডেঙ্গু প্রতিরোধ, চিকিৎসা ও গাইডলাইন বিষয়ক এক উচ্চপর্যায়ের সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসব নির্দেশনার কথা জানান। দেশের সব মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, প্যাথলজি, বেসরকারি হাসপাতাল এবং সিটি করপোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের সঙ্গে ডেঙ্গু মোকাবিলার কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে এই সভায় বিস্তারিত আলোচনা হয়।

আরও পড়ুন  অসংক্রামক রোগ ঠেকাতে তামাক নিয়ন্ত্রণে জোর স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

সভায় ডেঙ্গু রোগীদের বিদ্যমান চিকিৎসা সংকটের বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এ সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, দেশের সব বেসরকারি হাসপাতালে মোট বেডের ১০ শতাংশ ডেঙ্গু রোগীদের জন্য ফাঁকা রাখতে হবে এবং ডেঙ্গু শনাক্তকরণ টেস্টে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দিতে হবে। এই নির্দেশনার ফলে রোগীরা চিকিৎসকদের পরামর্শ ফি ছাড়া শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় ওষুধ ও খাবারের খরচ বহন করবেন। চিকিৎসকদের ফি সম্পূর্ণ মওকুফ করার বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা দেন তিনি।

উক্ত সভায় চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনাকালে ওষুধ প্রয়োগের ক্ষেত্রে যথাযথ চিকিৎসাবিজ্ঞানসম্মত নিয়ম অনুসরণের নির্দেশনাও দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি দেশের বর্তমান পরিস্থিতি উল্লেখ করে জানান, বর্তমানে ডেঙ্গুর কোনো ভ্যাকসিন আন্তর্জাতিকভাবে সার্বজনীন স্বীকৃতি পায়নি। এই যৌক্তিক কারণে বাংলাদেশে এখনই ডেঙ্গুর কোনো ভ্যাকসিন কার্যক্রম চালুর পরিকল্পনা সরকারের নেই।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রম প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সারা দেশে কঠোরভাবে মোবাইল কোর্ট বা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে। এডিস মশার বিস্তার রোধে কারও বাসার ছাদ বা চারপাশ অপরিচ্ছন্ন থাকলে এবং সেখানে মশার লার্ভা পাওয়া গেলে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা ও জরিমানা নিশ্চিত করা হবে বলে তিনি সতর্ক করেন।