ঢাকা ১২:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঘরের বাতাসেই ঘুরছে অদৃশ্য কণা, মারাত্মক ঝুঁকিতে শরীর

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:১৫:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬
  • / 182

ছবি সংগৃহীত

 

ঘরের ভেতরের বাতাসকে আমরা সবচেয়ে নিরাপদ মনে করলেও নতুন গবেষণা বলছে ভিন্ন কথা। আমাদের ঘরের বাতাসে ভেসে বেড়াচ্ছে অতি ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা, যা প্রতিদিন নিঃশ্বাসের সঙ্গে আমাদের শরীরে ঢুকে পড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, একজন মানুষ বছরে লক্ষ থেকে কোটি পর্যন্ত এমন ক্ষুদ্র কণা শ্বাসের সঙ্গে গ্রহণ করতে পারে।

আমাদের দৈনন্দিন ব্যবহারের বিভিন্ন জিনিস থেকেই মূলত এই কণাগুলো বাতাসে ছড়ায়। এর মধ্যে রয়েছে:
কৃত্রিম তন্তুর কাপড় (পলিয়েস্টার, নাইলন ও অ্যাক্রিলিকের কাপড়)
ঘরের আসবাবপত্র
পর্দা ও কার্পেট

আরও পড়ুন  ফুলবাড়িয়ার আনারসের বাম্পার ফলনে রাসায়নিকের ছোঁয়া, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ভোক্তারা

যখন আমরা কৃত্রিম তন্তুর কাপড় পরি, ধুই বা শুকাই, তখন অসংখ্য সূক্ষ্ম তন্তু বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। গবেষণায় দেখা গেছে, ঘরের ভেতরের বাতাসে এই কণার পরিমাণ বাইরের তুলনায় অনেক বেশি, কারণ আমরা দিনের বেশিরভাগ সময় ঘরের ভেতরেই কাটাই। এমনকি ঘরের ধুলার মধ্যেও এই কণাগুলো জমে থাকে এবং একটু নড়াচড়া বা পরিষ্কারের সময় সহজেই বাতাসে ভেসে ওঠে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানান, এই ক্ষুদ্র কণাগুলো ফুসফুসে জমে গিয়ে দীর্ঘমেয়াদে শরীরে নানা জটিলতার সৃষ্টি করতে পারে। তবে কিছু সহজ অভ্যাস মেনে চললে এই ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব:

অপ্রয়োজনে বারবার কাপড় ধোয়া থেকে বিরত থাকা।
কৃত্রিম তন্তুর পরিবর্তে প্রাকৃতিক তন্তুর কাপড় ব্যবহার করা।
কাপড় সম্ভব হলে ঘরের বাইরে শুকানো।
শুকনো ঝাড়ু দেওয়ার পরিবর্তে ভেজা কাপড় দিয়ে ঘর মোছা।
ঘর পরিষ্কারের সময় জানালা খুলে রাখা, যাতে বাতাস চলাচল করতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ঘরের বাতাসেই ঘুরছে অদৃশ্য কণা, মারাত্মক ঝুঁকিতে শরীর

আপডেট সময় ১১:১৫:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

 

ঘরের ভেতরের বাতাসকে আমরা সবচেয়ে নিরাপদ মনে করলেও নতুন গবেষণা বলছে ভিন্ন কথা। আমাদের ঘরের বাতাসে ভেসে বেড়াচ্ছে অতি ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা, যা প্রতিদিন নিঃশ্বাসের সঙ্গে আমাদের শরীরে ঢুকে পড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, একজন মানুষ বছরে লক্ষ থেকে কোটি পর্যন্ত এমন ক্ষুদ্র কণা শ্বাসের সঙ্গে গ্রহণ করতে পারে।

আমাদের দৈনন্দিন ব্যবহারের বিভিন্ন জিনিস থেকেই মূলত এই কণাগুলো বাতাসে ছড়ায়। এর মধ্যে রয়েছে:
কৃত্রিম তন্তুর কাপড় (পলিয়েস্টার, নাইলন ও অ্যাক্রিলিকের কাপড়)
ঘরের আসবাবপত্র
পর্দা ও কার্পেট

আরও পড়ুন  তীব্র গরমে যে সমস্ত রোগের ঝুঁকি বাড়ে

যখন আমরা কৃত্রিম তন্তুর কাপড় পরি, ধুই বা শুকাই, তখন অসংখ্য সূক্ষ্ম তন্তু বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। গবেষণায় দেখা গেছে, ঘরের ভেতরের বাতাসে এই কণার পরিমাণ বাইরের তুলনায় অনেক বেশি, কারণ আমরা দিনের বেশিরভাগ সময় ঘরের ভেতরেই কাটাই। এমনকি ঘরের ধুলার মধ্যেও এই কণাগুলো জমে থাকে এবং একটু নড়াচড়া বা পরিষ্কারের সময় সহজেই বাতাসে ভেসে ওঠে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানান, এই ক্ষুদ্র কণাগুলো ফুসফুসে জমে গিয়ে দীর্ঘমেয়াদে শরীরে নানা জটিলতার সৃষ্টি করতে পারে। তবে কিছু সহজ অভ্যাস মেনে চললে এই ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব:

অপ্রয়োজনে বারবার কাপড় ধোয়া থেকে বিরত থাকা।
কৃত্রিম তন্তুর পরিবর্তে প্রাকৃতিক তন্তুর কাপড় ব্যবহার করা।
কাপড় সম্ভব হলে ঘরের বাইরে শুকানো।
শুকনো ঝাড়ু দেওয়ার পরিবর্তে ভেজা কাপড় দিয়ে ঘর মোছা।
ঘর পরিষ্কারের সময় জানালা খুলে রাখা, যাতে বাতাস চলাচল করতে পারে।