ঢাকা ০৮:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার পর নতুন দাবি তেহরানের

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৪৩:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
  • / 15

ছবি সংগৃহীত

 

জর্ডানের আল-আজরাক এলাকায় অবস্থিত একটি মার্কিন সামরিক বিমান ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। হামলায় মার্কিন বিমান বাহিনীর অবকাঠামো ও যুদ্ধবিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও দাবি করেছে সংস্থাটি। তবে এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র বা জর্ডান সরকার এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

শনিবার (১৮ জুলাই) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, আল-আজরাকে অবস্থিত মার্কিন সামরিক বিমান ঘাঁটিতে একযোগে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়। এতে বিমান বাহিনীর যুদ্ধবিমানের হ্যাঙ্গার (শেল্টার) এবং একটি বড় বিমান পার্কিং র‍্যাম্প ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে আইআরজিসি দাবি করেছে।

আইআরজিসির বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত দুটি অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে। এছাড়া ঘাঁটিতে থাকা আরও কয়েকটি মার্কিন ফাইটার জেটও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। তবে এসব দাবির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং ওয়াশিংটন কিংবা জর্ডান প্রশাসনের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেওয়া হয়নি।

হামলার পর জর্ডানের জাতীয় সেনাবাহিনীর প্রতিও একটি আহ্বান জানিয়েছে আইআরজিসি। সংস্থাটির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আগ্রাসী ও কাফের সামরিক বাহিনীগুলো বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচিত’।

এছাড়া জর্ডানের ভূখণ্ড থেকে মার্কিন সেনাদের সরিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আইআরজিসির বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘যেকোনো উপায়ে এদের নির্মূল করা এবং নিষ্পাপ মুসলমানদের হত্যাকারীদের হাত থেকে জর্ডানের পবিত্র ভূমিকে মুক্ত করা আপনাদের ধর্মীয় ও মানবিক দায়িত্ব।’

এর আগে সৌদি আরবের ভূখণ্ডে অবস্থিত একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করেও দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছিল ইরান।

নিউজটি শেয়ার করুন

জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার পর নতুন দাবি তেহরানের

আপডেট সময় ০৪:৪৩:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

 

জর্ডানের আল-আজরাক এলাকায় অবস্থিত একটি মার্কিন সামরিক বিমান ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। হামলায় মার্কিন বিমান বাহিনীর অবকাঠামো ও যুদ্ধবিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও দাবি করেছে সংস্থাটি। তবে এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র বা জর্ডান সরকার এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

শনিবার (১৮ জুলাই) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, আল-আজরাকে অবস্থিত মার্কিন সামরিক বিমান ঘাঁটিতে একযোগে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়। এতে বিমান বাহিনীর যুদ্ধবিমানের হ্যাঙ্গার (শেল্টার) এবং একটি বড় বিমান পার্কিং র‍্যাম্প ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে আইআরজিসি দাবি করেছে।

আইআরজিসির বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত দুটি অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে। এছাড়া ঘাঁটিতে থাকা আরও কয়েকটি মার্কিন ফাইটার জেটও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। তবে এসব দাবির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং ওয়াশিংটন কিংবা জর্ডান প্রশাসনের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেওয়া হয়নি।

হামলার পর জর্ডানের জাতীয় সেনাবাহিনীর প্রতিও একটি আহ্বান জানিয়েছে আইআরজিসি। সংস্থাটির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আগ্রাসী ও কাফের সামরিক বাহিনীগুলো বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচিত’।

এছাড়া জর্ডানের ভূখণ্ড থেকে মার্কিন সেনাদের সরিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আইআরজিসির বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘যেকোনো উপায়ে এদের নির্মূল করা এবং নিষ্পাপ মুসলমানদের হত্যাকারীদের হাত থেকে জর্ডানের পবিত্র ভূমিকে মুক্ত করা আপনাদের ধর্মীয় ও মানবিক দায়িত্ব।’

এর আগে সৌদি আরবের ভূখণ্ডে অবস্থিত একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করেও দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছিল ইরান।