ঢাকা ০৯:৩৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :

চার বছর পর মোবাইল অপারেটরদের হাতে আবারো নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণ, কমবে ব্যয়, বাড়বে সেবার মান

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৪৬:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৫
  • / 406

ছবি সংগৃহীত

 

 

চার বছর পর দেশে মোবাইল অপারেটররা আবারো পাচ্ছে নিজস্ব নেটওয়ার্ক মনিটরিংয়ের নিয়ন্ত্রণ। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ডেনস ওয়েভ লেংথ ডিভিশন মাল্টিপ্লেক্সিং (ডিডব্লিউডিএম) মেশিন আমদানি ও ফাইবার নেটওয়ার্কে স্থাপনের অনুমতি দিচ্ছে অপারেটরদের। খুব শিগগিরই এ বিষয়ে নির্দেশনা জারি হতে যাচ্ছে

আরও পড়ুন  বাংলাদেশে আজ থেকে অবৈধ হ্যান্ডসেট নেটওয়ার্কেই বন্ধ হবে

এই সিদ্ধান্ত মোবাইল সেবাদাতাদের জন্য যেমন স্বস্তির, তেমনি বাড়াবে সরকারি আয়ও। কারণ, আগে যে সরকারি ফাইবার নেটওয়ার্ক অকার্যকর অবস্থায় পড়ে ছিল, তা এখন কম খরচে ব্যবহার করতে পারবে অপারেটররা। ফলে পুরোনো প্রায় ৮৬ হাজার কিলোমিটার ফাইবার নেটওয়ার্ক নতুনভাবে কার্যকর হবে।

ডিডব্লিউডিএম প্রযুক্তির সাহায্যে ফোরজি সেবার গতি ও স্থায়িত্ব যেমন নিশ্চিত করা সম্ভব, তেমনি মুহূর্তেই ফাইবার বিচ্ছিন্নতার স্থানও শনাক্ত করা যায়। ২০১২ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত এই প্রযুক্তি ব্যবহারে মোবাইল অপারেটরদের অনুমতি থাকলেও, ২০২১ সালে তা কেড়ে নেয়া হয় এবং দায়িত্ব দেয়া হয় ফাইবার সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর হাতে।

ফলে বেড়ে যায় ব্যয় যেখানে আগে প্রতিমিটার ফাইবার ভাড়া ছিল ৫ থেকে ৭ টাকা, সেখানে এখন বেসরকারি সেবাদাতাদের কাছ থেকে তা নিতে হচ্ছে প্রায় ১৭ টাকায়। এতে ৪৫ হাজার মোবাইল টাওয়ারের মধ্যে মাত্র ৩৫ শতাংশ ফাইবার সংযুক্ত করা সম্ভব হয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে মোবাইল অপারেটররা আবারো নিয়ন্ত্রণ ফেরত চেয়ে আবেদন করে এবং সরকারের পক্ষ থেকে নীতিগত সম্মতি আসে। যদিও ফাইবার সেবাদাতারা এতে আপত্তি জানায়, তবে তা আমলে নেয়নি বিটিআরসি। কমিশনের ২৯৩তম সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমতি প্রদান করা হয় অপারেটরদের।

এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে রবি ও গ্রামীণফোনের শীর্ষ কর্মকর্তারা। তাঁদের মতে, এতে ব্যয় কমবে, দ্রুত ফাইবারাইজেশনচার বছর পর সম্ভব হবে এবং গ্রাহকরা পাবেন উন্নত গতি ও নিরবিচ্ছিন্ন সেবা।

পাশাপাশি, বিটিসিএল, রেলওয়ের মতো সরকারি সংস্থাগুলোকেও নতুনভাবে ফাইবার নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের সুযোগ দেয়া হচ্ছে যা দেশের ডিজিটাল সংযুক্তি আরও শক্তিশালী করবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

চার বছর পর মোবাইল অপারেটরদের হাতে আবারো নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণ, কমবে ব্যয়, বাড়বে সেবার মান

আপডেট সময় ১২:৪৬:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৫

 

 

চার বছর পর দেশে মোবাইল অপারেটররা আবারো পাচ্ছে নিজস্ব নেটওয়ার্ক মনিটরিংয়ের নিয়ন্ত্রণ। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ডেনস ওয়েভ লেংথ ডিভিশন মাল্টিপ্লেক্সিং (ডিডব্লিউডিএম) মেশিন আমদানি ও ফাইবার নেটওয়ার্কে স্থাপনের অনুমতি দিচ্ছে অপারেটরদের। খুব শিগগিরই এ বিষয়ে নির্দেশনা জারি হতে যাচ্ছে

আরও পড়ুন  ভারত ও পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রণরেখার দুই পাশে আতঙ্কে জনজীবন, বাড়ছে বাস্তুচ্যুতি

এই সিদ্ধান্ত মোবাইল সেবাদাতাদের জন্য যেমন স্বস্তির, তেমনি বাড়াবে সরকারি আয়ও। কারণ, আগে যে সরকারি ফাইবার নেটওয়ার্ক অকার্যকর অবস্থায় পড়ে ছিল, তা এখন কম খরচে ব্যবহার করতে পারবে অপারেটররা। ফলে পুরোনো প্রায় ৮৬ হাজার কিলোমিটার ফাইবার নেটওয়ার্ক নতুনভাবে কার্যকর হবে।

ডিডব্লিউডিএম প্রযুক্তির সাহায্যে ফোরজি সেবার গতি ও স্থায়িত্ব যেমন নিশ্চিত করা সম্ভব, তেমনি মুহূর্তেই ফাইবার বিচ্ছিন্নতার স্থানও শনাক্ত করা যায়। ২০১২ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত এই প্রযুক্তি ব্যবহারে মোবাইল অপারেটরদের অনুমতি থাকলেও, ২০২১ সালে তা কেড়ে নেয়া হয় এবং দায়িত্ব দেয়া হয় ফাইবার সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর হাতে।

ফলে বেড়ে যায় ব্যয় যেখানে আগে প্রতিমিটার ফাইবার ভাড়া ছিল ৫ থেকে ৭ টাকা, সেখানে এখন বেসরকারি সেবাদাতাদের কাছ থেকে তা নিতে হচ্ছে প্রায় ১৭ টাকায়। এতে ৪৫ হাজার মোবাইল টাওয়ারের মধ্যে মাত্র ৩৫ শতাংশ ফাইবার সংযুক্ত করা সম্ভব হয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে মোবাইল অপারেটররা আবারো নিয়ন্ত্রণ ফেরত চেয়ে আবেদন করে এবং সরকারের পক্ষ থেকে নীতিগত সম্মতি আসে। যদিও ফাইবার সেবাদাতারা এতে আপত্তি জানায়, তবে তা আমলে নেয়নি বিটিআরসি। কমিশনের ২৯৩তম সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমতি প্রদান করা হয় অপারেটরদের।

এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে রবি ও গ্রামীণফোনের শীর্ষ কর্মকর্তারা। তাঁদের মতে, এতে ব্যয় কমবে, দ্রুত ফাইবারাইজেশনচার বছর পর সম্ভব হবে এবং গ্রাহকরা পাবেন উন্নত গতি ও নিরবিচ্ছিন্ন সেবা।

পাশাপাশি, বিটিসিএল, রেলওয়ের মতো সরকারি সংস্থাগুলোকেও নতুনভাবে ফাইবার নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের সুযোগ দেয়া হচ্ছে যা দেশের ডিজিটাল সংযুক্তি আরও শক্তিশালী করবে।