ঢাকা ১২:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

সপ্তাহে ২ দিন হোম অফিসের খবরটি ‘ভুয়া’ বলছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:১২:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
  • / 139

ছবি: সংগৃহীত

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সরকারি অফিসের সময়সূচি পরিবর্তন এবং সপ্তাহে দুই দিন ‘হোম অফিস’ চালুর বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি পরিপত্রকে সম্পূর্ণ ‘ভুয়া’ বলে নিশ্চিত করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) মন্ত্রণালয়ের এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ১ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে একটি নির্দিষ্ট স্মারক নম্বর (০৫.০০.০০০০.১১০.২২.০৪৫.২৬.১২০) ব্যবহার করে সরকারি অফিসের সময়সূচি পরিবর্তনের একটি ভুয়া পত্র ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। মন্ত্রণালয় থেকে এ ধরনের কোনো পত্র বা নির্দেশনা জারি করা হয়নি। এ বিষয়ে সাধারণ মানুষ ও সরকারি কর্মকর্তাদের বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

ইরান-ইসরাইল যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে সৃষ্ট বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে বাংলাদেশ সরকার বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছে, এটি সত্য। গত মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন যে, জ্বালানি সাশ্রয়ে অন্তত আটটি ভিন্ন পদক্ষেপ সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:
সাপ্তাহিক ছুটিতে বাড়তি একদিন যোগ করা।
কর্মকর্তাদের সপ্তাহে দুই দিন ঘরে বসে কাজ করার (Work from Home) সুযোগ দেওয়া।
অফিসের কর্মঘণ্টা কমিয়ে আনা বা দ্রুত কাজ শুরু করা।

আরও পড়ুন  জ্বালানি তেলের পাম্পে ইউএনও’র ওপর হামলা; বডিগার্ড আহত

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আলোচিত পদক্ষেপগুলো নিয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। আজ বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিতব্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনার পর চূড়ান্ত রূপরেখা ঘোষণা করা হবে। মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত হওয়ার পরেই কেবল আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করবে সরকার।

গুরুত্বপূর্ণ সরকারি সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া তথ্য ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সংশ্লিষ্ট বিভাগ। সরকারি যেকোনো পরিবর্তনের বিষয়ে কেবল নির্ভরযোগ্য সংবাদ মাধ্যম এবং মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে তথ্য যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

সপ্তাহে ২ দিন হোম অফিসের খবরটি ‘ভুয়া’ বলছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের

আপডেট সময় ০১:১২:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সরকারি অফিসের সময়সূচি পরিবর্তন এবং সপ্তাহে দুই দিন ‘হোম অফিস’ চালুর বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি পরিপত্রকে সম্পূর্ণ ‘ভুয়া’ বলে নিশ্চিত করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) মন্ত্রণালয়ের এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ১ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে একটি নির্দিষ্ট স্মারক নম্বর (০৫.০০.০০০০.১১০.২২.০৪৫.২৬.১২০) ব্যবহার করে সরকারি অফিসের সময়সূচি পরিবর্তনের একটি ভুয়া পত্র ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। মন্ত্রণালয় থেকে এ ধরনের কোনো পত্র বা নির্দেশনা জারি করা হয়নি। এ বিষয়ে সাধারণ মানুষ ও সরকারি কর্মকর্তাদের বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

ইরান-ইসরাইল যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে সৃষ্ট বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে বাংলাদেশ সরকার বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছে, এটি সত্য। গত মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন যে, জ্বালানি সাশ্রয়ে অন্তত আটটি ভিন্ন পদক্ষেপ সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:
সাপ্তাহিক ছুটিতে বাড়তি একদিন যোগ করা।
কর্মকর্তাদের সপ্তাহে দুই দিন ঘরে বসে কাজ করার (Work from Home) সুযোগ দেওয়া।
অফিসের কর্মঘণ্টা কমিয়ে আনা বা দ্রুত কাজ শুরু করা।

আরও পড়ুন  জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিতে জরুরি সিদ্ধান্ত: ৩ লাখ টন ডিজেল কিনছে সরকার

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আলোচিত পদক্ষেপগুলো নিয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। আজ বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিতব্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনার পর চূড়ান্ত রূপরেখা ঘোষণা করা হবে। মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত হওয়ার পরেই কেবল আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করবে সরকার।

গুরুত্বপূর্ণ সরকারি সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া তথ্য ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সংশ্লিষ্ট বিভাগ। সরকারি যেকোনো পরিবর্তনের বিষয়ে কেবল নির্ভরযোগ্য সংবাদ মাধ্যম এবং মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে তথ্য যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।