ঢাকা ১০:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সম্পদের হিসাব না দেওয়া কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়া চলছে: জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:২০:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ মার্চ ২০২৫
  • / 433

ছবি সংগৃহীত

 

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অধীনে মোট কর্মচারীর সংখ্যা প্রায় ৬৮ হাজার, যার মধ্যে ক্যাডার কর্মকর্তা আছেন ৬ হাজার ৫৩৯ জন। এর মধ্যে ৫ হাজারেরও বেশি কর্মকর্তা সরকারী নির্দেশনা অনুযায়ী তাদের সম্পদের হিসাব মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েছেন। তবে, যারা সম্পদ বিবরণী জমা দেননি, তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার পর সরকারি কর্মচারীদের সম্পদের হিসাব জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়, এবং নির্ধারিত সময়সীমার কয়েকটি বাড়ানোর পর, শেষ সময় ছিল ১৫ ফেব্রুয়ারি। এখন পর্যন্ত ১৬ দিন পেরিয়ে গেলেও, কতজন কর্মচারী তাদের হিসাব জমা দিয়েছেন, তা নিয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কাছে।

আরও পড়ুন  মামলা দায়ের, ১৬ জনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা

মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মোট কর্মকর্তা-কর্মচারী সংখ্যা ৬৭ হাজার ৯৩১, এর মধ্যে ক্যাডার কর্মকর্তা ৬ হাজার ৫৩৯ জন। মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কর্মচারী সংখ্যা ৫ হাজার ৯৫১, এবং জেলা প্রশাসনসহ ৫৩ হাজার ২৫১ কর্মচারী আছেন। উল্লেখযোগ্য যে, ক্যাডার কর্মকর্তারা তাদের সম্পদ বিবরণী জমা দেওয়ার জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে দায়বদ্ধ, তবে অন্যদের নিজ নিজ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে জমা দেওয়ার কথা।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মোখলেস উর রহমান জানিয়েছেন, এ পর্যন্ত ৫ হাজারের বেশি কর্মকর্তা-কর্মচারী সম্পদের হিসাব জমা দিয়েছেন। তবে, যাঁরা জমা দেননি, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিভাগীয় কমিশনার অফিস এবং জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বেশিরভাগ কর্মচারী তাদের সম্পদ বিবরণী জমা দিয়েছেন। তবে, সেগুলোর পরিমাণ এখনও সঠিকভাবে নির্ধারণ করা হয়নি।

পঞ্চগড়ের ডিসি সাবেত আলী এবং শেরপুরের ডিসি তরফদার মাহমুদুর রহমানও একই মত প্রকাশ করেছেন, এবং তাদের অফিসে জমা দেওয়া বিবরণী সংরক্ষণ করা হচ্ছে। তারা বলেন, যারা জমা দেননি, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

সম্পদের হিসাব না দেওয়া কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়া চলছে: জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়

আপডেট সময় ০৩:২০:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ মার্চ ২০২৫

 

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অধীনে মোট কর্মচারীর সংখ্যা প্রায় ৬৮ হাজার, যার মধ্যে ক্যাডার কর্মকর্তা আছেন ৬ হাজার ৫৩৯ জন। এর মধ্যে ৫ হাজারেরও বেশি কর্মকর্তা সরকারী নির্দেশনা অনুযায়ী তাদের সম্পদের হিসাব মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েছেন। তবে, যারা সম্পদ বিবরণী জমা দেননি, তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার পর সরকারি কর্মচারীদের সম্পদের হিসাব জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়, এবং নির্ধারিত সময়সীমার কয়েকটি বাড়ানোর পর, শেষ সময় ছিল ১৫ ফেব্রুয়ারি। এখন পর্যন্ত ১৬ দিন পেরিয়ে গেলেও, কতজন কর্মচারী তাদের হিসাব জমা দিয়েছেন, তা নিয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কাছে।

আরও পড়ুন  জঙ্গিসংশ্লিষ্টতার অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি জামায়াত আমিরের বিরুদ্ধে, ছেলেসহ অব্যাহতির সুপারিশ

মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মোট কর্মকর্তা-কর্মচারী সংখ্যা ৬৭ হাজার ৯৩১, এর মধ্যে ক্যাডার কর্মকর্তা ৬ হাজার ৫৩৯ জন। মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কর্মচারী সংখ্যা ৫ হাজার ৯৫১, এবং জেলা প্রশাসনসহ ৫৩ হাজার ২৫১ কর্মচারী আছেন। উল্লেখযোগ্য যে, ক্যাডার কর্মকর্তারা তাদের সম্পদ বিবরণী জমা দেওয়ার জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে দায়বদ্ধ, তবে অন্যদের নিজ নিজ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে জমা দেওয়ার কথা।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মোখলেস উর রহমান জানিয়েছেন, এ পর্যন্ত ৫ হাজারের বেশি কর্মকর্তা-কর্মচারী সম্পদের হিসাব জমা দিয়েছেন। তবে, যাঁরা জমা দেননি, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিভাগীয় কমিশনার অফিস এবং জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বেশিরভাগ কর্মচারী তাদের সম্পদ বিবরণী জমা দিয়েছেন। তবে, সেগুলোর পরিমাণ এখনও সঠিকভাবে নির্ধারণ করা হয়নি।

পঞ্চগড়ের ডিসি সাবেত আলী এবং শেরপুরের ডিসি তরফদার মাহমুদুর রহমানও একই মত প্রকাশ করেছেন, এবং তাদের অফিসে জমা দেওয়া বিবরণী সংরক্ষণ করা হচ্ছে। তারা বলেন, যারা জমা দেননি, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।