ঢাকা ০৪:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

ভ্যাট অব্যাহতির নতুন ঘোষণা: তেল ও এলপি গ্যাসসহ যেসব পণ্যের ভ্যাট বাতিল করল এনবিআর

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:১৩:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ মার্চ ২০২৫
  • / 426

ছবি সংগৃহীত

 

নিত্যপ্রয়োজনীয় বেশ কিছু পণ্য এবং এলপি গ্যাসের ওপর ভ্যাট অব্যাহতির ঘোষণা দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। হঠাৎ করেই সোমবার (৩ মার্চ) এনবিআর এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করে। এতে বিস্কুট, লবণ, আটা, ময়দা, সুজি, গুঁড়া মরিচ, ধনে, হলুদ, আদা, চালের কুঁড়ার তেল, সূর্যমুখী তেলসহ বেশ কিছু নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ভ্যাট অব্যাহতির আওতায় এসেছে।

প্রজ্ঞাপন অনুসারে, রেপসিড অয়েল, কোলজা সিড অয়েল এবং কেনোলা অয়েল উৎপাদন পর্যায়ে ২০২৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত ভ্যাট অব্যাহতি পাবে। তবে শর্ষে তেলের ক্ষেত্রে এই ছাড়ের কোনো নির্দিষ্ট মেয়াদ নেই, যা ভোক্তাদের জন্য স্বস্তির খবর হতে পারে।

আরও পড়ুন  নুসরাতের বলিউডে যাত্রা: নতুন সিনেমার ঘোষণা

ব্যবসায় পর্যায়েও কিছু পণ্য ভ্যাট অব্যাহতির আওতায় এসেছে। দেশে উৎপাদিত বিস্কুট, লবণ, আটা, ময়দা, সুজি, বিভিন্ন ধরনের গুঁড়া মসলা, ডাল এবং ডালজাতীয় খাদ্যশস্যের ব্যবসায় পর্যায়ে ভ্যাট মওকুফ করা হয়েছে। এর ফলে বাজারে এসব পণ্যের দাম কমতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

এলপি গ্যাস ও প্রাকৃতিক গ্যাসের ক্ষেত্রেও ব্যবসায় পর্যায়ে শর্তসাপেক্ষে ভ্যাট অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তবে যেসব প্রতিষ্ঠান নিজেরাই আমদানি করে সরাসরি ভোক্তাদের কাছে বিক্রি করে, তারা এই সুবিধা পাবে না। এতে স্থানীয় উৎপাদক ও ব্যবসায়ীরা কিছুটা সুবিধা পাবেন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

ভ্যাট অব্যাহতি পেতে ব্যবসায়ীদের কিছু শর্ত মানতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে ভ্যাট নিবন্ধন, চালান ইস্যু, সব ধরনের রেজিস্ট্রার সংরক্ষণ ও মাসিক ভ্যাট রিটার্ন দাখিল। এসব শর্ত পূরণ না করলে ভ্যাট অব্যাহতি সুবিধা বাতিল হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভ্যাট অব্যাহতির ফলে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কিছুটা কমতে পারে। তবে বাস্তবে এর প্রভাব নির্ভর করবে ব্যবসায়ীদের উপর। যদি তারা এই সুবিধা ভোক্তাদের কাছে পৌঁছে দেয়, তাহলে সাধারণ মানুষ এর সুফল পাবে। অন্যথায়, ব্যবসায়ীদের কারসাজির কারণে মূল্যহ্রাসের প্রতিফলন বাজারে নাও দেখা যেতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ভ্যাট অব্যাহতির নতুন ঘোষণা: তেল ও এলপি গ্যাসসহ যেসব পণ্যের ভ্যাট বাতিল করল এনবিআর

আপডেট সময় ০৪:১৩:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ মার্চ ২০২৫

 

নিত্যপ্রয়োজনীয় বেশ কিছু পণ্য এবং এলপি গ্যাসের ওপর ভ্যাট অব্যাহতির ঘোষণা দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। হঠাৎ করেই সোমবার (৩ মার্চ) এনবিআর এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করে। এতে বিস্কুট, লবণ, আটা, ময়দা, সুজি, গুঁড়া মরিচ, ধনে, হলুদ, আদা, চালের কুঁড়ার তেল, সূর্যমুখী তেলসহ বেশ কিছু নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ভ্যাট অব্যাহতির আওতায় এসেছে।

প্রজ্ঞাপন অনুসারে, রেপসিড অয়েল, কোলজা সিড অয়েল এবং কেনোলা অয়েল উৎপাদন পর্যায়ে ২০২৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত ভ্যাট অব্যাহতি পাবে। তবে শর্ষে তেলের ক্ষেত্রে এই ছাড়ের কোনো নির্দিষ্ট মেয়াদ নেই, যা ভোক্তাদের জন্য স্বস্তির খবর হতে পারে।

আরও পড়ুন  এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুবিধা বাতিল

ব্যবসায় পর্যায়েও কিছু পণ্য ভ্যাট অব্যাহতির আওতায় এসেছে। দেশে উৎপাদিত বিস্কুট, লবণ, আটা, ময়দা, সুজি, বিভিন্ন ধরনের গুঁড়া মসলা, ডাল এবং ডালজাতীয় খাদ্যশস্যের ব্যবসায় পর্যায়ে ভ্যাট মওকুফ করা হয়েছে। এর ফলে বাজারে এসব পণ্যের দাম কমতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

এলপি গ্যাস ও প্রাকৃতিক গ্যাসের ক্ষেত্রেও ব্যবসায় পর্যায়ে শর্তসাপেক্ষে ভ্যাট অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তবে যেসব প্রতিষ্ঠান নিজেরাই আমদানি করে সরাসরি ভোক্তাদের কাছে বিক্রি করে, তারা এই সুবিধা পাবে না। এতে স্থানীয় উৎপাদক ও ব্যবসায়ীরা কিছুটা সুবিধা পাবেন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

ভ্যাট অব্যাহতি পেতে ব্যবসায়ীদের কিছু শর্ত মানতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে ভ্যাট নিবন্ধন, চালান ইস্যু, সব ধরনের রেজিস্ট্রার সংরক্ষণ ও মাসিক ভ্যাট রিটার্ন দাখিল। এসব শর্ত পূরণ না করলে ভ্যাট অব্যাহতি সুবিধা বাতিল হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভ্যাট অব্যাহতির ফলে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কিছুটা কমতে পারে। তবে বাস্তবে এর প্রভাব নির্ভর করবে ব্যবসায়ীদের উপর। যদি তারা এই সুবিধা ভোক্তাদের কাছে পৌঁছে দেয়, তাহলে সাধারণ মানুষ এর সুফল পাবে। অন্যথায়, ব্যবসায়ীদের কারসাজির কারণে মূল্যহ্রাসের প্রতিফলন বাজারে নাও দেখা যেতে পারে।