সরকার ৬৮৮ কোটি টাকার সার কিনছে মরক্কো থেকে
- আপডেট সময় ০৭:০৫:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 22
কৃষি উৎপাদন অব্যাহত রাখা ও কৃষকদের চাহিদা মেটাতে মরক্কো থেকে ৭০ হাজার টন ডিএপি ও টিএসপি সার আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে ৪০ হাজার টন ডিএপি এবং ৩০ হাজার টন টিএসপি সার রয়েছে। দুই ধরনের সার আমদানিতে মোট ব্যয় হবে প্রায় ৬৮৮ কোটি ৭১ লাখ টাকা।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ-সংক্রান্ত প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।
বৈঠকে কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে সরকারি পর্যায়ে চুক্তির আওতায় মরক্কো থেকে ৪০ হাজার টন ডিএপি সার আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়। বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) মাধ্যমে এ সার আমদানি করা হবে।
প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রতি টন ডিএপি সারের দাম পড়বে ৮৯৪ মার্কিন ডলার। ৪০ হাজার টন সার আমদানিতে মোট ব্যয় হবে ৩ কোটি ৫৭ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪৪০ কোটি ৯২ লাখ ৮ হাজার টাকা। এ অর্থ কৃষি ভর্তুকির বাজেট থেকে পরিশোধ করা হবে।
মরক্কো থেকে সরকারি পর্যায়ে ডিএপি সার আমদানির আগের চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ায় গত ২৫ জুন নতুন করে চুক্তি নবায়ন করা হয়েছে। ওই চুক্তিতে নির্ধারিত মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি অনুযায়ী বর্তমান আন্তর্জাতিক বাজারদর বিবেচনায় এবারের ডিএপি সারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মরক্কো থেকে ৫ লাখ ৬০ হাজার টন ডিএপি সার আমদানির লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। এরই মধ্যে দেশটি থেকে ২ লাখ টন ডিএপি সার আমদানি করা হয়েছে। নতুন করে আরও ৪০ হাজার টন আমদানির অনুমোদন দেওয়ায় লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে সরবরাহ বাড়বে।
একই বৈঠকে সরকারি পর্যায়ে চুক্তির আওতায় মরক্কো থেকে আরও ৩০ হাজার টন টিএসপি সার আমদানির প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। এটি হবে চুক্তির সপ্তম লটের সার আমদানি।
৩০ হাজার টন টিএসপি সার আমদানিতে মোট ক্রয়মূল্য ধরা হয়েছে ২৪৭ কোটি ৭৮ লাখ ৫৯ হাজার ৬৬০ টাকা। প্রতি টন টিএসপি সারের দাম পড়বে ৬৬৯ দশমিক ৩৩ মার্কিন ডলার। এ ক্ষেত্রেও মরক্কোর সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে সরবরাহকারী হিসেবে সুপারিশ করা হয়েছে।
সব মিলিয়ে মরক্কো থেকে ৭০ হাজার টন ডিএপি ও টিএসপি সার আমদানিতে সরকারের ব্যয় হবে প্রায় ৬৮৮ কোটি ৭১ লাখ টাকা। কৃষি উৎপাদনের মৌসুমে সারের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং কৃষকদের কাছে নির্ধারিত মূল্যে সার পৌঁছে দিতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।






















