ঢাকা ০৬:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সংসদ ওয়াকআউট করে জনগণের অধিকার ক্ষুণ্ন করবেন না: স্পিকার সুনামগঞ্জের পৃথক হাওরে বজ্রপাত, ধান কাটার সময় ৫ কৃষকের মৃত্যু আগামী ২ জুলাই শুরু হচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী বিগত দুই সরকার হামের টিকা না দিয়ে ক্ষমাহীন অপরাধ করেছে: প্রধানমন্ত্রী পল্লবীতে নিরাপত্তা প্রহরী সালাহউদ্দিন হত্যা: ঘাতক অটোরিকশা চালক গ্রেপ্তার রোহিঙ্গা সংকটের কার্যকর সমাধান রাখাইনেই নিহিত: পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান থালাপতি বিজয়ের বিরুদ্ধে চেন্নাই পুলিশের মামলা বিসিএস ক্যাডার, প্রতিমন্ত্রী ও বর্তমান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী; এক নজরে সালাহউদ্দিন আহমদ ইরান পারমাণবিক কর্মসূচি স্থগিত করতে সম্মত হয়েছে: দাবি ট্রাম্পের সংসার সুখের করতে স্বামীকে কৃতজ্ঞতা জানানোর দিন আজ

বৈষম্যহীন সমাজ গড়ার অঙ্গীকারে নতুন বছর শুরু হোক: প্রধান উপদেষ্টা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৫৫:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৫
  • / 314

ছবি সংগৃহীত

 

বাংলা নববর্ষ ১৪৩২ উদযাপন উপলক্ষে দেশবাসীর উদ্দেশে শুভেচ্ছা বার্তা দিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি নববর্ষকে সামনে রেখে বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার নতুন অঙ্গীকার করার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, “চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান আমাদের সামনে একটি নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে একটি বৈষম্যহীন, মানবিক ও সংহত বাংলাদেশ গঠনের সুযোগ। আসুন, আমরা এই সুযোগকে কাজে লাগাই। পহেলা বৈশাখ হোক আমাদের নতুন অঙ্গীকারের দিন।”

আরও পড়ুন  যুক্তরাজ্য সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস

ড. ইউনূস বলেন, “নববর্ষ শুধু ক্যালেন্ডারের পাতা বদলানো নয়, এটি একটি চেতনার নবজাগরণ। এটি সম্প্রীতির দিন, ঐক্যের দিন। নতুন বছরে আমরা অতীতের গ্লানি, দুঃখ ও অশুভ স্মৃতিকে পেছনে ফেলে এগিয়ে যাই একটি উদ্যমী বাংলাদেশ গঠনের পথে।”

তিনি বাংলাদেশের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির ধারাবাহিকতা রক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, “আমাদের সংস্কৃতি কেবল অতীতের স্মৃতি নয়, এটি ভবিষ্যতের শক্তি। হালখাতা, বৈশাখী মেলা, শীতল পাটি, মাটির পাত্র সবই আমাদের সৃজনশীলতার প্রতীক। এসব ঐতিহ্য নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে উৎসবের মাধ্যমে।”

তিনি আরও বলেন, “বাংলা সনের শুরু কৃষিকাজের প্রয়োজনে হয়েছিল, ‘ফসলি সন’ হিসেবে। আজও বাংলার কৃষক বাংলা তারিখ ধরেই বীজ বোনে ও ফসল তোলে। এ থেকেই বোঝা যায়, আমাদের সংস্কৃতি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আধুনিকতা ও ঐতিহ্যের মেলবন্ধনে টিকে আছে।”

ড. ইউনূস উল্লেখ করেন, পাহাড় ও সমতলের বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীও নববর্ষের উৎসবে অংশগ্রহণ করে এই দিনটিকে সার্বজনীন উৎসবে পরিণত করেছে। “বাংলা নববর্ষ এখন আর শুধু শহরের নয়, এটি পুরো জাতির, সবার উৎসব,” বলেন তিনি।

শেষে দেশবাসীর প্রতি শুভকামনা জানিয়ে তিনি বলেন, “নববর্ষ ১৪৩২ হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সূচনা। এই দিনটি আমাদের সকলের জীবনে নিয়ে আসুক নতুন আশার আলো, নতুন পথচলার সাহস।

নিউজটি শেয়ার করুন

বৈষম্যহীন সমাজ গড়ার অঙ্গীকারে নতুন বছর শুরু হোক: প্রধান উপদেষ্টা

আপডেট সময় ১১:৫৫:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৫

 

বাংলা নববর্ষ ১৪৩২ উদযাপন উপলক্ষে দেশবাসীর উদ্দেশে শুভেচ্ছা বার্তা দিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি নববর্ষকে সামনে রেখে বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার নতুন অঙ্গীকার করার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, “চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান আমাদের সামনে একটি নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে একটি বৈষম্যহীন, মানবিক ও সংহত বাংলাদেশ গঠনের সুযোগ। আসুন, আমরা এই সুযোগকে কাজে লাগাই। পহেলা বৈশাখ হোক আমাদের নতুন অঙ্গীকারের দিন।”

আরও পড়ুন  পেশাদারিত্ব ও প্রযুক্তির সমন্বয়ে আধুনিক এসএসএফ গড়ে তোলার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

ড. ইউনূস বলেন, “নববর্ষ শুধু ক্যালেন্ডারের পাতা বদলানো নয়, এটি একটি চেতনার নবজাগরণ। এটি সম্প্রীতির দিন, ঐক্যের দিন। নতুন বছরে আমরা অতীতের গ্লানি, দুঃখ ও অশুভ স্মৃতিকে পেছনে ফেলে এগিয়ে যাই একটি উদ্যমী বাংলাদেশ গঠনের পথে।”

তিনি বাংলাদেশের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির ধারাবাহিকতা রক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, “আমাদের সংস্কৃতি কেবল অতীতের স্মৃতি নয়, এটি ভবিষ্যতের শক্তি। হালখাতা, বৈশাখী মেলা, শীতল পাটি, মাটির পাত্র সবই আমাদের সৃজনশীলতার প্রতীক। এসব ঐতিহ্য নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে উৎসবের মাধ্যমে।”

তিনি আরও বলেন, “বাংলা সনের শুরু কৃষিকাজের প্রয়োজনে হয়েছিল, ‘ফসলি সন’ হিসেবে। আজও বাংলার কৃষক বাংলা তারিখ ধরেই বীজ বোনে ও ফসল তোলে। এ থেকেই বোঝা যায়, আমাদের সংস্কৃতি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আধুনিকতা ও ঐতিহ্যের মেলবন্ধনে টিকে আছে।”

ড. ইউনূস উল্লেখ করেন, পাহাড় ও সমতলের বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীও নববর্ষের উৎসবে অংশগ্রহণ করে এই দিনটিকে সার্বজনীন উৎসবে পরিণত করেছে। “বাংলা নববর্ষ এখন আর শুধু শহরের নয়, এটি পুরো জাতির, সবার উৎসব,” বলেন তিনি।

শেষে দেশবাসীর প্রতি শুভকামনা জানিয়ে তিনি বলেন, “নববর্ষ ১৪৩২ হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সূচনা। এই দিনটি আমাদের সকলের জীবনে নিয়ে আসুক নতুন আশার আলো, নতুন পথচলার সাহস।