ঢাকা ০১:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

নামাজের প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়ালে অপরাধ কমবে: ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:১৭:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 387

ছবি সংগৃহীত

 

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলায় নবনির্মিত উপজেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা দিয়েছেন ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন। তিনি বলেছেন, ‘‘যতবেশি মসজিদ নির্মাণ হবে, ততবেশি মুসল্লী তৈরি হবে এবং সমাজে অপরাধ প্রবণতা কমে যাবে। নামাজ মানুষকে সব ধরনের অপরাধ থেকে দূরে রাখে, তাই মুসল্লিবিহীন মসজিদ কেয়ামতের লক্ষণ হতে পারে।’’

তিনি আরও বলেন, ‘‘মসজিদ হচ্ছে পবিত্র স্থান, এবং যত বেশি মসজিদ নির্মিত হবে, তত বেশি মানুষ নামাজের প্রতি আকৃষ্ট হবে, যা আমাদের সমাজকে অপরাধমুক্ত করবে।’’ ধর্ম উপদেষ্টা মডেল মসজিদকে কেন্দ্র করে দেশের মধ্যে ইসলামি সংস্কৃতির বিকাশ ও নৈতিকতার উন্নতি হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন।

আরও পড়ুন  পবিত্র শবে-বরাত: আল্লাহর রহমতের নিশানা

পেকুয়া উপজেলার মডেল মসজিদটি ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত হয়েছে। প্রকল্পটির আওতায় দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপন করা হবে।

নির্মিত তিনতলা মসজিদে একসাথে ৯৫০ জন মুসল্লী নামাজ আদায় করতে পারবেন, যার মধ্যে মহিলাদের জন্য আলাদা প্রবেশপথসহ ১২০ জনের ব্যবস্থা রয়েছে। এতে ওজু ও নামাজের সুবিধা, ইসলামিক লাইব্রেরি, হজযাত্রী নিবন্ধন, অটিজম কর্নার, এতিমখানা এবং মুসলিমদের জন্য আরো নানা সুবিধা রয়েছে।

তিনি দেশের সকল নাগরিককে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি সুরক্ষায় সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান। উল্লেখ্য, মসজিদ নির্মাণে মোট ব্যয় হয়েছে ১৪ কোটি ৬৩ লাখ ৬৩ হাজার টাকা, এবং এটি নির্মাণ করেছে গণপূর্ত অধিদপ্তর।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

নামাজের প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়ালে অপরাধ কমবে: ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন

আপডেট সময় ০৫:১৭:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলায় নবনির্মিত উপজেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা দিয়েছেন ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন। তিনি বলেছেন, ‘‘যতবেশি মসজিদ নির্মাণ হবে, ততবেশি মুসল্লী তৈরি হবে এবং সমাজে অপরাধ প্রবণতা কমে যাবে। নামাজ মানুষকে সব ধরনের অপরাধ থেকে দূরে রাখে, তাই মুসল্লিবিহীন মসজিদ কেয়ামতের লক্ষণ হতে পারে।’’

তিনি আরও বলেন, ‘‘মসজিদ হচ্ছে পবিত্র স্থান, এবং যত বেশি মসজিদ নির্মিত হবে, তত বেশি মানুষ নামাজের প্রতি আকৃষ্ট হবে, যা আমাদের সমাজকে অপরাধমুক্ত করবে।’’ ধর্ম উপদেষ্টা মডেল মসজিদকে কেন্দ্র করে দেশের মধ্যে ইসলামি সংস্কৃতির বিকাশ ও নৈতিকতার উন্নতি হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন।

আরও পড়ুন  শাওয়ালের ছয় রোজার ফজিলত, এক বছরে রোজার সওয়াব লাভের সুযোগ

পেকুয়া উপজেলার মডেল মসজিদটি ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত হয়েছে। প্রকল্পটির আওতায় দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপন করা হবে।

নির্মিত তিনতলা মসজিদে একসাথে ৯৫০ জন মুসল্লী নামাজ আদায় করতে পারবেন, যার মধ্যে মহিলাদের জন্য আলাদা প্রবেশপথসহ ১২০ জনের ব্যবস্থা রয়েছে। এতে ওজু ও নামাজের সুবিধা, ইসলামিক লাইব্রেরি, হজযাত্রী নিবন্ধন, অটিজম কর্নার, এতিমখানা এবং মুসলিমদের জন্য আরো নানা সুবিধা রয়েছে।

তিনি দেশের সকল নাগরিককে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি সুরক্ষায় সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান। উল্লেখ্য, মসজিদ নির্মাণে মোট ব্যয় হয়েছে ১৪ কোটি ৬৩ লাখ ৬৩ হাজার টাকা, এবং এটি নির্মাণ করেছে গণপূর্ত অধিদপ্তর।