ঢাকা ০৫:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বিগত দুই সরকার হামের টিকা না দিয়ে ক্ষমাহীন অপরাধ করেছে: প্রধানমন্ত্রী পল্লবীতে নিরাপত্তা প্রহরী সালাহউদ্দিন হত্যা: ঘাতক অটোরিকশা চালক গ্রেপ্তার রোহিঙ্গা সংকটের কার্যকর সমাধান রাখাইনেই নিহিত: পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান থালাপতি বিজয়ের বিরুদ্ধে চেন্নাই পুলিশের মামলা বিসিএস ক্যাডার, প্রতিমন্ত্রী ও বর্তমান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী; এক নজরে সালাহউদ্দিন আহমদ ইরান পারমাণবিক কর্মসূচি স্থগিত করতে সম্মত হয়েছে: দাবি ট্রাম্পের সংসার সুখের করতে স্বামীকে কৃতজ্ঞতা জানানোর দিন আজ খুলনা পুলিশ লাইনে কনস্টেবলের রহস্যজনক আত্মহত্যা জিলকদ মাসের চাঁদ দেখতে সন্ধ্যায় বসছে জাতীয় কমিটি শ্রমিকদের দক্ষতা অনুযায়ী পেশা বদলের অনুমতি দিল কুয়েত সরকার

জুলাই থেকে বাধ্যতামূলক অনলাইন রিটার্ন, কর নীতিতে আসছে শৃঙ্খলা: এনবিআর চেয়ারম্যান

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:০৩:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ মার্চ ২০২৫
  • / 194

ছবি: সংগৃহীত

 

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান জানিয়েছেন, আগামী জুলাই মাস থেকে অনলাইন আয়কর রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার সকালে এনবিআর ভবনে রিটায়ার্ড ট্যাক্স অফিসার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে আয়োজিত প্রাক বাজেট আলোচনায় তিনি এ তথ্য জানান।

আরও পড়ুন  ২০২৬ সালের মধ্যে সব গার্মেন্টসে সৌরপ্যানেল স্থাপন করা হবে: বিইআরসি চেয়ারম্যান

সভায় অংশ নেওয়া সাবেক কর্মকর্তারা আয়কর আইনের বিভিন্ন অসংগতি তুলে ধরেন। তারা কৃষিখাতসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ খাতে কর অব্যাহতির প্রস্তাব দেন। এ প্রসঙ্গে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, “রাষ্ট্রীয় স্বার্থ ছাড়া কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কর ছাড় পাবে না।” তিনি জানান, নতুন আয়কর আইনে কর অব্যাহতির ক্ষমতা রাজস্ব বোর্ডের হাতে থাকবে না, বরং তা নির্ধারণ করবে জাতীয় সংসদ। তিনি আরও বলেন, “বিগত সময়ে রাজস্ব নীতির অপব্যবহার হয়েছে। টিআইএন নম্বরের সংখ্যা দিয়ে সাফল্য পরিমাপ না করে প্রকৃত করদাতাকে শনাক্ত করাই হবে এনবিআরের মূল লক্ষ্য।”

এনবিআর চেয়ারম্যানের মতে, দেশের কর কাঠামোতে পরিবর্তন আনার সময় এসেছে। তিনি বলেন, “বাংলাদেশ শুধু বড়লোকদের দেশ নয় যে কেবল তারাই কর দেবে। যার যেটুকু সামর্থ্য আছে, তাকে ততটুকুই কর দিতে হবে। এতে কর ব্যবস্থায় ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠিত হবে।”

তিনি জানান, অনলাইনে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো করপ্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ, সহজ ও ডিজিটাল করা। এর ফলে করদাতাদের হয়রানি কমবে এবং রাজস্ব আদায় বাড়বে। আসন্ন বাজেট নিয়ে আলোচনায় আরও উঠে আসে প্রশাসনিক জবাবদিহিতা, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং করজাল বিস্তারের প্রয়োজনীয়তার বিষয়গুলো।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস দেয়, যাতে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কর ব্যবস্থা আরও গতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

জুলাই থেকে বাধ্যতামূলক অনলাইন রিটার্ন, কর নীতিতে আসছে শৃঙ্খলা: এনবিআর চেয়ারম্যান

আপডেট সময় ০৪:০৩:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ মার্চ ২০২৫

 

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান জানিয়েছেন, আগামী জুলাই মাস থেকে অনলাইন আয়কর রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার সকালে এনবিআর ভবনে রিটায়ার্ড ট্যাক্স অফিসার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে আয়োজিত প্রাক বাজেট আলোচনায় তিনি এ তথ্য জানান।

আরও পড়ুন  ২০২৬ সালের মধ্যে সব গার্মেন্টসে সৌরপ্যানেল স্থাপন করা হবে: বিইআরসি চেয়ারম্যান

সভায় অংশ নেওয়া সাবেক কর্মকর্তারা আয়কর আইনের বিভিন্ন অসংগতি তুলে ধরেন। তারা কৃষিখাতসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ খাতে কর অব্যাহতির প্রস্তাব দেন। এ প্রসঙ্গে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, “রাষ্ট্রীয় স্বার্থ ছাড়া কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কর ছাড় পাবে না।” তিনি জানান, নতুন আয়কর আইনে কর অব্যাহতির ক্ষমতা রাজস্ব বোর্ডের হাতে থাকবে না, বরং তা নির্ধারণ করবে জাতীয় সংসদ। তিনি আরও বলেন, “বিগত সময়ে রাজস্ব নীতির অপব্যবহার হয়েছে। টিআইএন নম্বরের সংখ্যা দিয়ে সাফল্য পরিমাপ না করে প্রকৃত করদাতাকে শনাক্ত করাই হবে এনবিআরের মূল লক্ষ্য।”

এনবিআর চেয়ারম্যানের মতে, দেশের কর কাঠামোতে পরিবর্তন আনার সময় এসেছে। তিনি বলেন, “বাংলাদেশ শুধু বড়লোকদের দেশ নয় যে কেবল তারাই কর দেবে। যার যেটুকু সামর্থ্য আছে, তাকে ততটুকুই কর দিতে হবে। এতে কর ব্যবস্থায় ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠিত হবে।”

তিনি জানান, অনলাইনে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো করপ্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ, সহজ ও ডিজিটাল করা। এর ফলে করদাতাদের হয়রানি কমবে এবং রাজস্ব আদায় বাড়বে। আসন্ন বাজেট নিয়ে আলোচনায় আরও উঠে আসে প্রশাসনিক জবাবদিহিতা, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং করজাল বিস্তারের প্রয়োজনীয়তার বিষয়গুলো।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস দেয়, যাতে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কর ব্যবস্থা আরও গতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক হয়।