ঢাকা ০১:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে জাপানের প্রধানমন্ত্রী আমন্ত্রণ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:৩৬:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬
  • / 30

ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে জাপান সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি। বুধবার (১২ আগস্ট) ঢাকায় অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও জাপানের সপ্তম পররাষ্ট্র দপ্তর পর্যায়ের পরামর্শ সভায় (এফওসি) জাপানের পক্ষ থেকে এ আমন্ত্রণ জানানো হয়। একই সঙ্গে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকেও জাপান সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

এফওসি বৈঠকে বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেন পররাষ্ট্রসচিব রাষ্ট্রদূত আসাদ আলম সিয়াম। জাপানের পক্ষে নেতৃত্ব দেন দেশটির সিনিয়র ডেপুটি পররাষ্ট্রমন্ত্রী নামাজু হিরোয়ুকি। বৈঠকে জাপানের মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তাকাইচির পক্ষ থেকে সুবিধাজনক সময়ে তারেক রহমানকে জাপান সফরের আমন্ত্রণ পৌঁছে দেন।

বৈঠকে বাংলাদেশ ও জাপানের বিদ্যমান কৌশলগত অংশীদারত্ব আরও সুদৃঢ় ও গভীর করার বিষয়ে উভয় পক্ষ নিজেদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে। একই সঙ্গে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে বিস্তারিত ও ভবিষ্যতমুখী আলোচনা হয়।

আরও পড়ুন  আনসার-ভিডিপি সদস্যদের দেশপ্রেম ও পেশাদারত্বের প্রশংসা প্রধানমন্ত্রীর

আলোচনায় দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিস্তৃত বিষয় উঠে আসে। এর মধ্যে উচ্চপর্যায়ের সফর ও যোগাযোগ, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জ্বালানি নিরাপত্তা ও সবুজ জ্বালানি, অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ), বিগ-বি উদ্যোগ এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়।

এ ছাড়া জনগণের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগ বৃদ্ধি, বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন ইস্যু এবং জাতিসংঘসহ বহুপক্ষীয় ফোরামে সহযোগিতা নিয়েও মতবিনিময় করেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা।

জাপানের সিনিয়র ডেপুটি পররাষ্ট্রমন্ত্রী নামাজু হিরোয়ুকি বলেন, বাংলাদেশ ও জাপানের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের ভিত্তি গড়ে দিয়েছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তিনি জাপানের মুক্ত ও অবাধ ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল (এফওআইপি) গড়ার পরিকল্পনা সম্পর্কেও বাংলাদেশকে অবহিত করেন।

নামাজু হিরোয়ুকি অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি, বিগ-বি উদ্যোগ এবং সরকারি নিরাপত্তা সহায়তা (ওএসএ) কাঠামোর আওতায় বাংলাদেশের সঙ্গে জাপানের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করেন। বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কাছে সম্প্রতি পাঁচটি টহল নৌযান হস্তান্তরের বিষয়টিও তিনি স্বাগত জানান।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম দুই দেশের সম্পর্কের অগ্রগতির কথা তুলে ধরে বাংলাদেশ-জাপান কৌশলগত অংশীদারত্ব আরও বিস্তৃত ও গভীর করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। পাশাপাশি বিগ-বি উদ্যোগের আওতায় বাংলাদেশের উন্নয়নে জাপানের সহযোগিতার প্রশংসা করেন তিনি।

এই উদ্যোগের আওতায় মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর ও বিদ্যুৎ প্রকল্প, ঢাকা মেট্রোরেল এবং হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণে জাপানের সহযোগিতার কথাও উল্লেখ করেন পররাষ্ট্রসচিব।

বাংলাদেশের পক্ষ থেকে দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও টেকসই উন্নয়নে জাপানের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানানো হয়।

বৈঠকে জনগণের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগ আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। বিশেষ করে জাপানে বাংলাদেশি নির্দিষ্ট দক্ষতাসম্পন্ন কর্মীদের কাজের সুযোগ বৃদ্ধি, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও নাগরিক সমাজের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়।

দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে বিনিময় কর্মসূচি বাড়ানোর জন্য জাপানের প্রতি আহ্বান জানান বাংলাদেশের পররাষ্ট্রসচিব।

বৈঠকে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ১১ লাখের বেশি জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকের কারণে বাংলাদেশের ওপর তৈরি হওয়া মানবিক ও আর্থসামাজিক চাপের বিষয়টিও তুলে ধরা হয়।

পররাষ্ট্রসচিব বলেন, রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছায়, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনই এই সংকটের কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধান। এ সংকটে জাপানের অব্যাহত মানবিক সহায়তার জন্য দেশটির প্রতি কৃতজ্ঞতাও জানান তিনি।

বৈঠকে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন বিষয় নিয়েও মতবিনিময় করেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা। জাতিসংঘ সনদের নীতিগুলো সমুন্নত রাখা এবং বহুপক্ষীয় বিভিন্ন ফোরামে সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়ে উভয় পক্ষ নিজেদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।

অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বৈশ্বিক বিভিন্ন বিষয়ে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় ও পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রস্তুতির কথাও জানায় দুই পক্ষ।

এদিকে, ৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকেও জাপান সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

এর পাশাপাশি বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সুবিধাজনক সময়ে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচিকে ঢাকায় সরকারি সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশ ও জাপানের পরবর্তী পররাষ্ট্র দপ্তর পর্যায়ের পরামর্শ সভা ২০২৭ সালে টোকিওতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে জাপানের প্রধানমন্ত্রী আমন্ত্রণ

আপডেট সময় ০৮:৩৬:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে জাপান সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি। বুধবার (১২ আগস্ট) ঢাকায় অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও জাপানের সপ্তম পররাষ্ট্র দপ্তর পর্যায়ের পরামর্শ সভায় (এফওসি) জাপানের পক্ষ থেকে এ আমন্ত্রণ জানানো হয়। একই সঙ্গে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকেও জাপান সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

এফওসি বৈঠকে বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেন পররাষ্ট্রসচিব রাষ্ট্রদূত আসাদ আলম সিয়াম। জাপানের পক্ষে নেতৃত্ব দেন দেশটির সিনিয়র ডেপুটি পররাষ্ট্রমন্ত্রী নামাজু হিরোয়ুকি। বৈঠকে জাপানের মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তাকাইচির পক্ষ থেকে সুবিধাজনক সময়ে তারেক রহমানকে জাপান সফরের আমন্ত্রণ পৌঁছে দেন।

বৈঠকে বাংলাদেশ ও জাপানের বিদ্যমান কৌশলগত অংশীদারত্ব আরও সুদৃঢ় ও গভীর করার বিষয়ে উভয় পক্ষ নিজেদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে। একই সঙ্গে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে বিস্তারিত ও ভবিষ্যতমুখী আলোচনা হয়।

আরও পড়ুন  ১৫ সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালের কড়া পদক্ষেপ, পাঠানো হলো কারাগারে

আলোচনায় দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিস্তৃত বিষয় উঠে আসে। এর মধ্যে উচ্চপর্যায়ের সফর ও যোগাযোগ, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জ্বালানি নিরাপত্তা ও সবুজ জ্বালানি, অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ), বিগ-বি উদ্যোগ এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়।

এ ছাড়া জনগণের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগ বৃদ্ধি, বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন ইস্যু এবং জাতিসংঘসহ বহুপক্ষীয় ফোরামে সহযোগিতা নিয়েও মতবিনিময় করেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা।

জাপানের সিনিয়র ডেপুটি পররাষ্ট্রমন্ত্রী নামাজু হিরোয়ুকি বলেন, বাংলাদেশ ও জাপানের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের ভিত্তি গড়ে দিয়েছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তিনি জাপানের মুক্ত ও অবাধ ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল (এফওআইপি) গড়ার পরিকল্পনা সম্পর্কেও বাংলাদেশকে অবহিত করেন।

নামাজু হিরোয়ুকি অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি, বিগ-বি উদ্যোগ এবং সরকারি নিরাপত্তা সহায়তা (ওএসএ) কাঠামোর আওতায় বাংলাদেশের সঙ্গে জাপানের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করেন। বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কাছে সম্প্রতি পাঁচটি টহল নৌযান হস্তান্তরের বিষয়টিও তিনি স্বাগত জানান।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম দুই দেশের সম্পর্কের অগ্রগতির কথা তুলে ধরে বাংলাদেশ-জাপান কৌশলগত অংশীদারত্ব আরও বিস্তৃত ও গভীর করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। পাশাপাশি বিগ-বি উদ্যোগের আওতায় বাংলাদেশের উন্নয়নে জাপানের সহযোগিতার প্রশংসা করেন তিনি।

এই উদ্যোগের আওতায় মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর ও বিদ্যুৎ প্রকল্প, ঢাকা মেট্রোরেল এবং হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণে জাপানের সহযোগিতার কথাও উল্লেখ করেন পররাষ্ট্রসচিব।

বাংলাদেশের পক্ষ থেকে দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও টেকসই উন্নয়নে জাপানের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানানো হয়।

বৈঠকে জনগণের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগ আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। বিশেষ করে জাপানে বাংলাদেশি নির্দিষ্ট দক্ষতাসম্পন্ন কর্মীদের কাজের সুযোগ বৃদ্ধি, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও নাগরিক সমাজের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়।

দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে বিনিময় কর্মসূচি বাড়ানোর জন্য জাপানের প্রতি আহ্বান জানান বাংলাদেশের পররাষ্ট্রসচিব।

বৈঠকে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ১১ লাখের বেশি জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকের কারণে বাংলাদেশের ওপর তৈরি হওয়া মানবিক ও আর্থসামাজিক চাপের বিষয়টিও তুলে ধরা হয়।

পররাষ্ট্রসচিব বলেন, রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছায়, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনই এই সংকটের কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধান। এ সংকটে জাপানের অব্যাহত মানবিক সহায়তার জন্য দেশটির প্রতি কৃতজ্ঞতাও জানান তিনি।

বৈঠকে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন বিষয় নিয়েও মতবিনিময় করেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা। জাতিসংঘ সনদের নীতিগুলো সমুন্নত রাখা এবং বহুপক্ষীয় বিভিন্ন ফোরামে সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়ে উভয় পক্ষ নিজেদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।

অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বৈশ্বিক বিভিন্ন বিষয়ে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় ও পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রস্তুতির কথাও জানায় দুই পক্ষ।

এদিকে, ৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকেও জাপান সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

এর পাশাপাশি বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সুবিধাজনক সময়ে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচিকে ঢাকায় সরকারি সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশ ও জাপানের পরবর্তী পররাষ্ট্র দপ্তর পর্যায়ের পরামর্শ সভা ২০২৭ সালে টোকিওতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।