ঢাকা ০৭:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

ইরানে আবারও হামলার হুমকি ট্রাম্পের

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৩৩:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 59

ছবি সংগৃহীত

 

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র আবারও হামলা চালাতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ইরানে ‘যখন চাই, তখনই’ আরেক দফা হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র।

ট্রাম্প দাবি করেন, মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) রাতে ইরানের সামরিক সরঞ্জামের ওপর বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী। তার ভাষ্য অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালির কাছে ইরান নতুন করে রাডার, ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা এবং মাইন স্থাপনে ব্যবহৃত সরঞ্জাম তৈরি করছিল।

আরও পড়ুন  নিরাপত্তা ঝুঁকি কাটেনি: আইএইএ’র সঙ্গে সব সহযোগিতা স্থগিত করল ইরান

মার্কিন বাহিনী এসব সামরিক সরঞ্জাম শনাক্ত করে ধ্বংস করেছে বলে দাবি করেন ট্রাম্প। তার দাবি, ধ্বংস করা সরঞ্জামের মধ্যে প্রতিরক্ষামূলক ও আক্রমণাত্মক—দুই ধরনের ব্যবস্থাই ছিল।

ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা গত রাতে তাদের ওপর খুব কঠোর আঘাত করেছি।’ ইরান নতুন করে যেসব সামরিক সরঞ্জাম তৈরি করেছিল, সেগুলোর সবই ধ্বংস করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তার দাবি, গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ‘খুব শক্ত নিয়ন্ত্রণ’ রয়েছে এবং সেখানে দিয়ে তেলবাহী জাহাজ চলাচল করছে।

ইরান মাঝে মধ্যে হরমুজ প্রণালির কাছে ড্রোন হামলা চালালেও সেগুলো প্রতিহত করা হচ্ছে বলে জানান ট্রাম্প।

ইরানকে আবারও সতর্ক করে ট্রাম্প বলেন, দেশটি কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে পারবে না। একই সঙ্গে চলমান সংঘাত খুব বেশি সময় নাও চলতে পারে বলে ইঙ্গিত দেন তিনি।

হরমুজ প্রণালির নাম পরিবর্তন করে ‘ট্রাম্প প্রণালি’ করার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, তিনি কথাটি শুধু ‘মজা করে’ বা একটি ‘ভাবনা হিসেবে’ বলেছিলেন।

এর আগে মঙ্গলবার রাতে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, ইরানে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে তারা।

এর পর ইরানের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কেশম দ্বীপ, বন্দর আব্বাস, সিরিক, চাবাহার ও কোনারাকে বিস্ফোরণের খবর প্রকাশিত হয়।

অন্যদিকে, ইরানের আইআরজিসি দাবি করেছে, তারা কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, জর্ডান, বাহরাইন ও ইরাকে থাকা কয়েকটি মার্কিন সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইরানে আবারও হামলার হুমকি ট্রাম্পের

আপডেট সময় ১১:৩৩:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র আবারও হামলা চালাতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ইরানে ‘যখন চাই, তখনই’ আরেক দফা হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র।

ট্রাম্প দাবি করেন, মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) রাতে ইরানের সামরিক সরঞ্জামের ওপর বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী। তার ভাষ্য অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালির কাছে ইরান নতুন করে রাডার, ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা এবং মাইন স্থাপনে ব্যবহৃত সরঞ্জাম তৈরি করছিল।

আরও পড়ুন  ড্রেসিংরুমে চিঠি রেখে গেল ইরান, কী ছিল সেই চিঠিতে?

মার্কিন বাহিনী এসব সামরিক সরঞ্জাম শনাক্ত করে ধ্বংস করেছে বলে দাবি করেন ট্রাম্প। তার দাবি, ধ্বংস করা সরঞ্জামের মধ্যে প্রতিরক্ষামূলক ও আক্রমণাত্মক—দুই ধরনের ব্যবস্থাই ছিল।

ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা গত রাতে তাদের ওপর খুব কঠোর আঘাত করেছি।’ ইরান নতুন করে যেসব সামরিক সরঞ্জাম তৈরি করেছিল, সেগুলোর সবই ধ্বংস করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তার দাবি, গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ‘খুব শক্ত নিয়ন্ত্রণ’ রয়েছে এবং সেখানে দিয়ে তেলবাহী জাহাজ চলাচল করছে।

ইরান মাঝে মধ্যে হরমুজ প্রণালির কাছে ড্রোন হামলা চালালেও সেগুলো প্রতিহত করা হচ্ছে বলে জানান ট্রাম্প।

ইরানকে আবারও সতর্ক করে ট্রাম্প বলেন, দেশটি কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে পারবে না। একই সঙ্গে চলমান সংঘাত খুব বেশি সময় নাও চলতে পারে বলে ইঙ্গিত দেন তিনি।

হরমুজ প্রণালির নাম পরিবর্তন করে ‘ট্রাম্প প্রণালি’ করার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, তিনি কথাটি শুধু ‘মজা করে’ বা একটি ‘ভাবনা হিসেবে’ বলেছিলেন।

এর আগে মঙ্গলবার রাতে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, ইরানে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে তারা।

এর পর ইরানের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কেশম দ্বীপ, বন্দর আব্বাস, সিরিক, চাবাহার ও কোনারাকে বিস্ফোরণের খবর প্রকাশিত হয়।

অন্যদিকে, ইরানের আইআরজিসি দাবি করেছে, তারা কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, জর্ডান, বাহরাইন ও ইরাকে থাকা কয়েকটি মার্কিন সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে।