ঢাকা ০৯:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

১৫ সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালের কড়া পদক্ষেপ, পাঠানো হলো কারাগারে

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:০৬:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫
  • / 468

ছবি সংগৃহীত

 

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় সংঘটিত গুম, অপহরণ, নির্যাতন, হত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের তিনটি পৃথক মামলায় ১৫ জন সেনা কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

বুধবার সকালে বিচারপতি মো. গোলাম মোর্তজা মজুমদার এর নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল-১ এ আদেশ দেন। ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

আরও পড়ুন  মোটরসাইকেলে এসে ছাত্রদল নেতাকে নৃশংসভাবে হত্যা

একই সঙ্গে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ পলাতক আসামিদের হাজির করার জন্য সাত দিনের মধ্যে দুটি জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গুমের দুই মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ নভেম্বর।

এর আগে বুধবার সকাল ৮টার দিকে ১৫ সেনা কর্মকর্তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। পরবর্তীতে তিন মামলায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।

নিউজটি শেয়ার করুন

১৫ সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালের কড়া পদক্ষেপ, পাঠানো হলো কারাগারে

আপডেট সময় ০১:০৬:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫

 

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় সংঘটিত গুম, অপহরণ, নির্যাতন, হত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের তিনটি পৃথক মামলায় ১৫ জন সেনা কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

বুধবার সকালে বিচারপতি মো. গোলাম মোর্তজা মজুমদার এর নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল-১ এ আদেশ দেন। ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

আরও পড়ুন  সংসদ অধিবেশন সরাসরি দেখার সুযোগ পাচ্ছে ১৫০ শিক্ষার্থী; মানতে হবে ৬ শর্ত

একই সঙ্গে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ পলাতক আসামিদের হাজির করার জন্য সাত দিনের মধ্যে দুটি জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গুমের দুই মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ নভেম্বর।

এর আগে বুধবার সকাল ৮টার দিকে ১৫ সেনা কর্মকর্তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। পরবর্তীতে তিন মামলায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।