০৭:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
‘২ হাজার টাকার কার্ড পেতে ১ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হবে না তো?’—নাহিদ ইসলাম ইতোকোতর্মিতো – বরফের রাজ্যে মানুষের বসতি উপদেষ্টা পরিষদে অনুমোদন পেল ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ নিরাপত্তার কারণেই ভারতে খেলবে না বাংলাদেশ, ক্রিকেটারদের সঙ্গে সরকারও সিদ্ধান্তে অটল কেউ চিরদিন বাঁচে না’—হাসিনা যুগ নিয়ে জয়ের বক্তব্য আপনারা ভালা আছেন নি?’ সিলেটে তারেক রহমান সিলেট থেকে বিএনপির সিলেট থেকে বিএনপির নির্বাচনী প্রচারণা শুরু, আলিয়া মাদরাসা মাঠে জনসমুদ্র প্রচারণা শুরু, আলিয়া মাদরাসা মাঠে জনসমুদ্র ফাইনালের টিকিট রাজশাহীর, হতাশ সিলেট গাজায় একদিনে ইসরায়েলি হামলায় ৩ সাংবাদিকসহ নিহত ১১ ডা. জুবাইদার মতো আমিও আপনাদের সন্তান: তারেক রহমান

চট্টগ্রাম বন্দর ছাড়া অর্থনীতির নতুন দিগন্ত সম্ভব নয়: ড. ইউনূস

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:০০:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ মে ২০২৫
  • / 133

ছবি সংগৃহীত

 

চট্টগ্রাম বন্দর ছাড়া দেশের অর্থনীতির নতুন পথচলা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

বুধবার (১৪ মে) সকালে চট্টগ্রাম বন্দর পরিদর্শনে এসে তিনি বলেন, “চট্টগ্রাম বন্দরই দেশের অর্থনীতির হৃৎপিণ্ড। এটিকে বাদ দিয়ে অর্থনীতির কোনো বিকাশ কল্পনা করা যায় না।”

[bsa_pro_ad_space id=2]

চট্টগ্রাম বন্দর এলাকায় আয়োজিত সংক্ষিপ্ত এক বক্তব্যে তিনি বলেন, “বন্দর নিয়ে এর আগেও বহু আলোচনা-লেখালেখি হয়েছে। তবে এবার দায়িত্ব পাওয়ার পর সরাসরি কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। প্রথম দিন থেকেই বন্দরের কাঠামোগত পরিবর্তন এবং আধুনিকীকরণে হাত দিয়েছি। এ বন্দরকে একটি কার্যকর ও আন্তর্জাতিক মানের বন্দর হিসেবে গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য।”

ড. ইউনূস বলেন, “চট্টগ্রাম বন্দরের কর্মক্ষমতা ও সেবার মান আরও বাড়াতে বিদেশি বিনিয়োগ ও প্রযুক্তির সহায়তা নেওয়ার কথা বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন। এর মাধ্যমে বন্দর হবে আরও দক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক।”

এ সময় বন্দর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি এবং বন্দরের বিভিন্ন অবকাঠামো ঘুরে দেখেন।

প্রধান উপদেষ্টা সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে চট্টগ্রাম পৌঁছান। দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই ছিল তার প্রথম চট্টগ্রাম সফর।

এক দিনের সফরসূচিতে তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে যোগ দেবেন বলে জানা গেছে। এছাড়া ঐতিহাসিক কালুরঘাট সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানেও অংশ নেবেন তিনি।

সফর ঘিরে প্রশাসন, বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে ছিল ব্যাপক প্রস্তুতি ও তৎপরতা।

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের এ সফরকে চট্টগ্রামের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে দেখছেন স্থানীয় প্রশাসন ও ব্যবসায়ী মহল। তার নেতৃত্বে চট্টগ্রাম বন্দরসহ সার্বিক অর্থনৈতিক কাঠামোয় নতুন কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে তারা আশাবাদী।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

[bsa_pro_ad_space id=4]

চট্টগ্রাম বন্দর ছাড়া অর্থনীতির নতুন দিগন্ত সম্ভব নয়: ড. ইউনূস

আপডেট সময় ১২:০০:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ মে ২০২৫

 

চট্টগ্রাম বন্দর ছাড়া দেশের অর্থনীতির নতুন পথচলা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

বুধবার (১৪ মে) সকালে চট্টগ্রাম বন্দর পরিদর্শনে এসে তিনি বলেন, “চট্টগ্রাম বন্দরই দেশের অর্থনীতির হৃৎপিণ্ড। এটিকে বাদ দিয়ে অর্থনীতির কোনো বিকাশ কল্পনা করা যায় না।”

[bsa_pro_ad_space id=2]

চট্টগ্রাম বন্দর এলাকায় আয়োজিত সংক্ষিপ্ত এক বক্তব্যে তিনি বলেন, “বন্দর নিয়ে এর আগেও বহু আলোচনা-লেখালেখি হয়েছে। তবে এবার দায়িত্ব পাওয়ার পর সরাসরি কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। প্রথম দিন থেকেই বন্দরের কাঠামোগত পরিবর্তন এবং আধুনিকীকরণে হাত দিয়েছি। এ বন্দরকে একটি কার্যকর ও আন্তর্জাতিক মানের বন্দর হিসেবে গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য।”

ড. ইউনূস বলেন, “চট্টগ্রাম বন্দরের কর্মক্ষমতা ও সেবার মান আরও বাড়াতে বিদেশি বিনিয়োগ ও প্রযুক্তির সহায়তা নেওয়ার কথা বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন। এর মাধ্যমে বন্দর হবে আরও দক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক।”

এ সময় বন্দর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি এবং বন্দরের বিভিন্ন অবকাঠামো ঘুরে দেখেন।

প্রধান উপদেষ্টা সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে চট্টগ্রাম পৌঁছান। দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই ছিল তার প্রথম চট্টগ্রাম সফর।

এক দিনের সফরসূচিতে তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে যোগ দেবেন বলে জানা গেছে। এছাড়া ঐতিহাসিক কালুরঘাট সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানেও অংশ নেবেন তিনি।

সফর ঘিরে প্রশাসন, বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে ছিল ব্যাপক প্রস্তুতি ও তৎপরতা।

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের এ সফরকে চট্টগ্রামের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে দেখছেন স্থানীয় প্রশাসন ও ব্যবসায়ী মহল। তার নেতৃত্বে চট্টগ্রাম বন্দরসহ সার্বিক অর্থনৈতিক কাঠামোয় নতুন কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে তারা আশাবাদী।