ঢাকা ০২:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

চট্টগ্রাম বন্দর ছাড়া অর্থনীতির নতুন দিগন্ত সম্ভব নয়: ড. ইউনূস

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:০০:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ মে ২০২৫
  • / 351

ছবি সংগৃহীত

 

চট্টগ্রাম বন্দর ছাড়া দেশের অর্থনীতির নতুন পথচলা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

বুধবার (১৪ মে) সকালে চট্টগ্রাম বন্দর পরিদর্শনে এসে তিনি বলেন, “চট্টগ্রাম বন্দরই দেশের অর্থনীতির হৃৎপিণ্ড। এটিকে বাদ দিয়ে অর্থনীতির কোনো বিকাশ কল্পনা করা যায় না।”

আরও পড়ুন  চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে ইজারা দেয়ার প্রতিবাদে হেফাজতের বিবৃতি

চট্টগ্রাম বন্দর এলাকায় আয়োজিত সংক্ষিপ্ত এক বক্তব্যে তিনি বলেন, “বন্দর নিয়ে এর আগেও বহু আলোচনা-লেখালেখি হয়েছে। তবে এবার দায়িত্ব পাওয়ার পর সরাসরি কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। প্রথম দিন থেকেই বন্দরের কাঠামোগত পরিবর্তন এবং আধুনিকীকরণে হাত দিয়েছি। এ বন্দরকে একটি কার্যকর ও আন্তর্জাতিক মানের বন্দর হিসেবে গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য।”

ড. ইউনূস বলেন, “চট্টগ্রাম বন্দরের কর্মক্ষমতা ও সেবার মান আরও বাড়াতে বিদেশি বিনিয়োগ ও প্রযুক্তির সহায়তা নেওয়ার কথা বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন। এর মাধ্যমে বন্দর হবে আরও দক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক।”

এ সময় বন্দর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি এবং বন্দরের বিভিন্ন অবকাঠামো ঘুরে দেখেন।

প্রধান উপদেষ্টা সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে চট্টগ্রাম পৌঁছান। দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই ছিল তার প্রথম চট্টগ্রাম সফর।

এক দিনের সফরসূচিতে তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে যোগ দেবেন বলে জানা গেছে। এছাড়া ঐতিহাসিক কালুরঘাট সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানেও অংশ নেবেন তিনি।

সফর ঘিরে প্রশাসন, বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে ছিল ব্যাপক প্রস্তুতি ও তৎপরতা।

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের এ সফরকে চট্টগ্রামের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে দেখছেন স্থানীয় প্রশাসন ও ব্যবসায়ী মহল। তার নেতৃত্বে চট্টগ্রাম বন্দরসহ সার্বিক অর্থনৈতিক কাঠামোয় নতুন কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে তারা আশাবাদী।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দর ছাড়া অর্থনীতির নতুন দিগন্ত সম্ভব নয়: ড. ইউনূস

আপডেট সময় ১২:০০:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ মে ২০২৫

 

চট্টগ্রাম বন্দর ছাড়া দেশের অর্থনীতির নতুন পথচলা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

বুধবার (১৪ মে) সকালে চট্টগ্রাম বন্দর পরিদর্শনে এসে তিনি বলেন, “চট্টগ্রাম বন্দরই দেশের অর্থনীতির হৃৎপিণ্ড। এটিকে বাদ দিয়ে অর্থনীতির কোনো বিকাশ কল্পনা করা যায় না।”

আরও পড়ুন  ২০২৬-এর মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির পথে বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুর

চট্টগ্রাম বন্দর এলাকায় আয়োজিত সংক্ষিপ্ত এক বক্তব্যে তিনি বলেন, “বন্দর নিয়ে এর আগেও বহু আলোচনা-লেখালেখি হয়েছে। তবে এবার দায়িত্ব পাওয়ার পর সরাসরি কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। প্রথম দিন থেকেই বন্দরের কাঠামোগত পরিবর্তন এবং আধুনিকীকরণে হাত দিয়েছি। এ বন্দরকে একটি কার্যকর ও আন্তর্জাতিক মানের বন্দর হিসেবে গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য।”

ড. ইউনূস বলেন, “চট্টগ্রাম বন্দরের কর্মক্ষমতা ও সেবার মান আরও বাড়াতে বিদেশি বিনিয়োগ ও প্রযুক্তির সহায়তা নেওয়ার কথা বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন। এর মাধ্যমে বন্দর হবে আরও দক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক।”

এ সময় বন্দর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি এবং বন্দরের বিভিন্ন অবকাঠামো ঘুরে দেখেন।

প্রধান উপদেষ্টা সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে চট্টগ্রাম পৌঁছান। দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই ছিল তার প্রথম চট্টগ্রাম সফর।

এক দিনের সফরসূচিতে তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে যোগ দেবেন বলে জানা গেছে। এছাড়া ঐতিহাসিক কালুরঘাট সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানেও অংশ নেবেন তিনি।

সফর ঘিরে প্রশাসন, বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে ছিল ব্যাপক প্রস্তুতি ও তৎপরতা।

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের এ সফরকে চট্টগ্রামের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে দেখছেন স্থানীয় প্রশাসন ও ব্যবসায়ী মহল। তার নেতৃত্বে চট্টগ্রাম বন্দরসহ সার্বিক অর্থনৈতিক কাঠামোয় নতুন কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে তারা আশাবাদী।