ঢাকা ০১:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
টকশো ও সোশ্যাল মিডিয়ার বিভ্রান্তি থেকে সতর্ক থাকতে হবে: মির্জা ফখরুল রুশ তেল আমদানিতে ৬০ দিনের ‘বিশেষ ছাড়’ পেল বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৮ আরোহীর সবার মৃত্যু শেখ হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক বার্তা অস্ট্রিয়া—সংগীত, ইতিহাস ও পাহাড়ের দেশ চাঁদ জয়ের রেকর্ড গড়া নভোচারীদের, রাজকীয় সংবর্ধনা সিনেমার বাইরে বাস্তব নাটক—রোহিত শেঠির বাড়িতে গুলির ঘটনায় গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ায় অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ‘ক্লান্ত’ মির্জা ফখরুল কি তবে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি? গুঞ্জন ও আগামীর সমীকরণ খাবার শেষে পানি পান: উপকার নাকি ক্ষতি—চিকিৎসকরা কী বলছেন

ঐকমত্যের ভিত্তিতে সনদ তৈরিতে সবাইকে ছাড় দিতে হবে: ড. আলী রীয়াজ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৪১:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ মে ২০২৫
  • / 223

ছবি সংগৃহীত

 

জাতীয় ঐকমত্য গঠনে সবাইকে কিছুটা ছাড় দিয়ে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি ড. আলী রীয়াজ। রবিবার (৪ মে) সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি কনফারেন্স হলে ১২ দলীয় জোটের সঙ্গে সংলাপ শুরুর আগে তিনি এই মন্তব্য করেন।

ড. আলী রীয়াজ বলেন, “জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের লক্ষ্য অত্যন্ত পরিষ্কার একটি সর্বজনগ্রাহ্য সনদ তৈরির জন্য সবার সঙ্গে আলোচনা করা। আমরা চাই এমন একটি সনদ গঠিত হোক, যার পেছনে থাকবে সকলের সম্মিলিত মতামত ও সহযোগিতা।”

আরও পড়ুন  রাষ্ট্রে স্বচ্ছতা আনতে সব প্রতিষ্ঠানের জবাবদিহির তাগিদ আলী রীয়াজের

তিনি আরও বলেন, “যেসব বিষয়ে ঐকমত্য তৈরি হবে, সেগুলোর ভিত্তিতেই সনদের খসড়া তৈরি করা হবে। তবে ঐকমত্য গঠনে প্রতিটি পক্ষকেই সামান্য হলেও ছাড় দিতে হবে। কারণ কোনো পক্ষই যদি একচেটিয়া অবস্থানে থাকে, তাহলে জাতীয় ঐক্যের কাঙ্ক্ষিত ফল আসবে না।”

সাংবাদিকদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ড. রীয়াজ বলেন, “ঐকমত্য প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব শুধু কমিশনের নয়। আপনারা যারা সংবাদমাধ্যমে কাজ করেন, তারাও মত প্রকাশের সময় এমন ভাষা ও ভঙ্গি ব্যবহার করুন, যাতে রাজনৈতিক শক্তিগুলোর মধ্যে সমঝোতা বাড়ে।”

তিনি কমিশনের ভূমিকা ব্যাখ্যা করে বলেন, “আমরা কেবল অনুঘটকের ভূমিকা পালন করছি। মূল দায়িত্ব রাজনৈতিক দলগুলোর। আমরা চাই তারা একত্রে বসে দেশের স্বার্থে যৌথ সিদ্ধান্তে পৌঁছাক।”

ড. রীয়াজ জানান, ১২ দলীয় জোটের সঙ্গে আজকের সংলাপ ছিল প্রাথমিক আলোচনা। এ ধরনের আরও সংলাপ হবে, যেখানে পর্যায়ক্রমে অন্যান্য রাজনৈতিক দল ও সংগঠনকেও আমন্ত্রণ জানানো হবে।

জাতীয় ঐকমত্য সৃষ্টির এই উদ্যোগে সংলাপে অংশ নেওয়া নেতারাও আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তারা জানান, রাজনৈতিক মতভেদ থাকা সত্ত্বেও জাতীয় স্বার্থে সবাইকে এক টেবিলে বসতে হবে।

সংলাপ শেষে ড. রীয়াজ বলেন, “আমাদের লক্ষ্য কেবল একটি সনদ নয়, বরং একটি ঐকমত্যভিত্তিক গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। এ যাত্রা সফল করতে হলে সকলের সদিচ্ছা ও গঠনমূলক অংশগ্রহণ প্রয়োজন।”

নিউজটি শেয়ার করুন

ঐকমত্যের ভিত্তিতে সনদ তৈরিতে সবাইকে ছাড় দিতে হবে: ড. আলী রীয়াজ

আপডেট সময় ১২:৪১:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ মে ২০২৫

 

জাতীয় ঐকমত্য গঠনে সবাইকে কিছুটা ছাড় দিয়ে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি ড. আলী রীয়াজ। রবিবার (৪ মে) সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি কনফারেন্স হলে ১২ দলীয় জোটের সঙ্গে সংলাপ শুরুর আগে তিনি এই মন্তব্য করেন।

ড. আলী রীয়াজ বলেন, “জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের লক্ষ্য অত্যন্ত পরিষ্কার একটি সর্বজনগ্রাহ্য সনদ তৈরির জন্য সবার সঙ্গে আলোচনা করা। আমরা চাই এমন একটি সনদ গঠিত হোক, যার পেছনে থাকবে সকলের সম্মিলিত মতামত ও সহযোগিতা।”

আরও পড়ুন  জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের দ্বিতীয় দফা আলোচনা শুরু: রাষ্ট্রপতি নির্বাচনসহ গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে বিতর্ক

তিনি আরও বলেন, “যেসব বিষয়ে ঐকমত্য তৈরি হবে, সেগুলোর ভিত্তিতেই সনদের খসড়া তৈরি করা হবে। তবে ঐকমত্য গঠনে প্রতিটি পক্ষকেই সামান্য হলেও ছাড় দিতে হবে। কারণ কোনো পক্ষই যদি একচেটিয়া অবস্থানে থাকে, তাহলে জাতীয় ঐক্যের কাঙ্ক্ষিত ফল আসবে না।”

সাংবাদিকদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ড. রীয়াজ বলেন, “ঐকমত্য প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব শুধু কমিশনের নয়। আপনারা যারা সংবাদমাধ্যমে কাজ করেন, তারাও মত প্রকাশের সময় এমন ভাষা ও ভঙ্গি ব্যবহার করুন, যাতে রাজনৈতিক শক্তিগুলোর মধ্যে সমঝোতা বাড়ে।”

তিনি কমিশনের ভূমিকা ব্যাখ্যা করে বলেন, “আমরা কেবল অনুঘটকের ভূমিকা পালন করছি। মূল দায়িত্ব রাজনৈতিক দলগুলোর। আমরা চাই তারা একত্রে বসে দেশের স্বার্থে যৌথ সিদ্ধান্তে পৌঁছাক।”

ড. রীয়াজ জানান, ১২ দলীয় জোটের সঙ্গে আজকের সংলাপ ছিল প্রাথমিক আলোচনা। এ ধরনের আরও সংলাপ হবে, যেখানে পর্যায়ক্রমে অন্যান্য রাজনৈতিক দল ও সংগঠনকেও আমন্ত্রণ জানানো হবে।

জাতীয় ঐকমত্য সৃষ্টির এই উদ্যোগে সংলাপে অংশ নেওয়া নেতারাও আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তারা জানান, রাজনৈতিক মতভেদ থাকা সত্ত্বেও জাতীয় স্বার্থে সবাইকে এক টেবিলে বসতে হবে।

সংলাপ শেষে ড. রীয়াজ বলেন, “আমাদের লক্ষ্য কেবল একটি সনদ নয়, বরং একটি ঐকমত্যভিত্তিক গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। এ যাত্রা সফল করতে হলে সকলের সদিচ্ছা ও গঠনমূলক অংশগ্রহণ প্রয়োজন।”