ঢাকা ০৮:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার
এআই প্রযুক্তির নতুন দিগন্ত

এআই প্রযুক্তিতে ‘টাইপ ২’ ডায়াবেটিস ঝুঁকি শনাক্তের নতুন সম্ভাবনা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:০২:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৫
  • / 173

এআই প্রযুক্তিতে ‘টাইপ ২’ ডায়াবেটিস ঝুঁকি শনাক্তের নতুন সম্ভাবনা

 

ডায়াবেটিসের সম্ভাব্য ঝুঁকি আগেভাগে শনাক্ত করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি ব্যবহার শুরু করেছে লন্ডনের দুটি এনএইচএস হাসপাতাল। ‘ইম্পেরিয়াল কলেজ’ এবং ‘চেলসি অ্যান্ড ওয়েস্টমিনস্টার হসপিটাল’ এনএইচএস ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট মিলে একটি উন্নত এআই মডেল তৈরি করছে, যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘এয়ার ডিএম’।

এই এআই মডেলটি রোগীর হার্টের ইসিজি ডেটা বিশ্লেষণ করে সূক্ষ্ম পরিবর্তনগুলো চিহ্নিত করতে সক্ষম। এমন সব সূক্ষ্ম লক্ষণ, যা চোখে ধরা কঠিন এবং ডাক্তারদের পক্ষে শনাক্ত করা প্রায় অসম্ভব, সেগুলোর তথ্য বিশ্লেষণ করে এআই মডেলটি ঝুঁকিপূর্ণ রোগীদের সম্পর্কে পূর্বাভাস দিতে পারবে। গবেষকরা আশা করছেন, ২০২৫ সালের মধ্যেই এ মডেলের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু করা সম্ভব হবে।

আরও পড়ুন  শিশুদের রোগ শনাক্তে এআই প্রযুক্তি, স্বাস্থ্য অধিদফতরের নতুন উদ্যোগ

প্রাথমিক পরীক্ষার ফলাফল বেশ আশাব্যঞ্জক। গবেষণায় দেখা গেছে, ‘এয়ার ডিএম’ প্রায় ৭০ শতাংশ সঠিকভাবে ডায়াবেটিস ঝুঁকি শনাক্ত করতে পারে। তবে এর কার্যকারিতা আরও উন্নত করার জন্য রোগীর বয়স, উচ্চ রক্তচাপ, ওজন ইত্যাদির মতো অতিরিক্ত তথ্য যোগ করার প্রয়োজন হতে পারে।

প্রকল্পের প্রধান গবেষক ড. ফু সিওং এনজি জানিয়েছেন, “শুধুমাত্র ইসিজি ডেটার মাধ্যমে এটি এখনই ভালো কাজ করছে। কিন্তু বয়স, রক্তচাপ বা ওজনের মতো তথ্য যুক্ত করলে এর পূর্বাভাসের ক্ষমতা আরও উন্নত হবে।” তিনি মনে করেন, এআই মডেলটি ভবিষ্যতে রোগীদের চিকিৎসার ক্ষেত্রে এক বিপ্লব ঘটাতে সক্ষম হবে।

এ প্রকল্পে আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে ব্রিটিশ হার্ট ফাউন্ডেশন। তাদের মতে, ডায়াবেটিসের ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের আগেভাগে শনাক্ত করা গেলে অনেক জীবন বাঁচানো সম্ভব। এটি শুধু ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন নয়, বরং স্বাস্থ্যখাতের সামগ্রিক ব্যবস্থাপনাতেও বড় পরিবর্তন আনবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এআই প্রযুক্তির নতুন দিগন্ত

এআই প্রযুক্তিতে ‘টাইপ ২’ ডায়াবেটিস ঝুঁকি শনাক্তের নতুন সম্ভাবনা

আপডেট সময় ০৭:০২:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৫

 

ডায়াবেটিসের সম্ভাব্য ঝুঁকি আগেভাগে শনাক্ত করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি ব্যবহার শুরু করেছে লন্ডনের দুটি এনএইচএস হাসপাতাল। ‘ইম্পেরিয়াল কলেজ’ এবং ‘চেলসি অ্যান্ড ওয়েস্টমিনস্টার হসপিটাল’ এনএইচএস ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট মিলে একটি উন্নত এআই মডেল তৈরি করছে, যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘এয়ার ডিএম’।

এই এআই মডেলটি রোগীর হার্টের ইসিজি ডেটা বিশ্লেষণ করে সূক্ষ্ম পরিবর্তনগুলো চিহ্নিত করতে সক্ষম। এমন সব সূক্ষ্ম লক্ষণ, যা চোখে ধরা কঠিন এবং ডাক্তারদের পক্ষে শনাক্ত করা প্রায় অসম্ভব, সেগুলোর তথ্য বিশ্লেষণ করে এআই মডেলটি ঝুঁকিপূর্ণ রোগীদের সম্পর্কে পূর্বাভাস দিতে পারবে। গবেষকরা আশা করছেন, ২০২৫ সালের মধ্যেই এ মডেলের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু করা সম্ভব হবে।

আরও পড়ুন  অস্কারে নতুন নিয়ম চালু, চলচ্চিত্রে বৈধতা পেল এআই প্রযুক্তি

প্রাথমিক পরীক্ষার ফলাফল বেশ আশাব্যঞ্জক। গবেষণায় দেখা গেছে, ‘এয়ার ডিএম’ প্রায় ৭০ শতাংশ সঠিকভাবে ডায়াবেটিস ঝুঁকি শনাক্ত করতে পারে। তবে এর কার্যকারিতা আরও উন্নত করার জন্য রোগীর বয়স, উচ্চ রক্তচাপ, ওজন ইত্যাদির মতো অতিরিক্ত তথ্য যোগ করার প্রয়োজন হতে পারে।

প্রকল্পের প্রধান গবেষক ড. ফু সিওং এনজি জানিয়েছেন, “শুধুমাত্র ইসিজি ডেটার মাধ্যমে এটি এখনই ভালো কাজ করছে। কিন্তু বয়স, রক্তচাপ বা ওজনের মতো তথ্য যুক্ত করলে এর পূর্বাভাসের ক্ষমতা আরও উন্নত হবে।” তিনি মনে করেন, এআই মডেলটি ভবিষ্যতে রোগীদের চিকিৎসার ক্ষেত্রে এক বিপ্লব ঘটাতে সক্ষম হবে।

এ প্রকল্পে আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে ব্রিটিশ হার্ট ফাউন্ডেশন। তাদের মতে, ডায়াবেটিসের ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের আগেভাগে শনাক্ত করা গেলে অনেক জীবন বাঁচানো সম্ভব। এটি শুধু ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন নয়, বরং স্বাস্থ্যখাতের সামগ্রিক ব্যবস্থাপনাতেও বড় পরিবর্তন আনবে।