সারা দেশের ৪০০টিরও বেশি স্থানে চালু হলো ফাইভ-জি
- আপডেট সময় ১১:৫৩:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
- / 15
সারাদেশে টেলিযোগাযোগ প্রযুক্তির আধুনিকায়নে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। ইতোমধ্যে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন বিভাগীয় শহর ও গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন এলাকা মিলিয়ে ৪০০টিরও বেশি স্থানে স্বল্প পরিসরে পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল সুপার-ফাস্ট ইন্টারনেট বা ফাইভ-জি (5G) সেবা চালু করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনামের পক্ষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সংসদে রাজবাড়ী-২ আসনের সরকারি দলের সদস্য মো. হারুন-অর-রশিদের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, রাজধানী ঢাকার আবাসিক এলাকা, এয়ারপোর্ট, রেল স্টেশন এবং বিভিন্ন রেস্টুরেন্টসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রায় ৪০টি এলাকায় ফাইভ-জি সেবা সচল করা হয়েছে। এছাড়া, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, রংপুর, বরিশাল, খুলনা, সিলেটসহ সারা দেশের প্রায় ৪০০টিরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পরীক্ষামূলকভাবে ফাইভ-জি সেবা চালু করা হয়েছে।
মন্ত্রী আরও জানান, ফাইভ-জির পূর্ণাঙ্গ সুবিধা পেতে ভার্টিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিগুলো (যেমন কৃষি, চিকিৎসা, শিক্ষা, ম্যানুফেকচারিং) প্রস্তুত হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে ৫জি প্রযুক্তির ইকোসিস্টেম ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত খাত নির্বাচনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। দেশের বিভাগীয় শহরগুলোর আবাসিক ও শিল্প এলাকাগুলো এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে স্বল্প পরিসরে ৫জি চালুর কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
ফাইভ-জি প্রযুক্তি উপযোগীকরণে বিটিসিএল-এর ‘অপটিক্যাল ফাইবার ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক উন্নয়ন’ প্রকল্পের আওতায় সমগ্র বাংলাদেশের ৬৪টি জেলা এবং সংশ্লিষ্ট উপজেলাসমূহকে ব্যাকআপ অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল লিংক সুবিধার আওতায় আনা হচ্ছে। ঢাকা মেট্রো এলাকায় ব্যাকআপ লিংক তৈরিকরণসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে উচ্চগতির ব্যান্ডউইথ বিতরণের জন্য প্রয়োজনীয় এএসওএন ইনাবেল ডিডব্লিউডিএম যন্ত্রপাতি স্থাপন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এ পর্যন্ত প্রকল্পের প্রায় ৭৯ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং এটি আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

























