ঢাকা ০৬:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
রামেক হাসপাতালে রোগীদের ভোগান্তি কমাতে বসছে একক ‘অ্যাম্বুলেন্স সেন্টার’ বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটের প্রতিবাদে ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ আজ নাটোরে ৪৫ টাকা চা বিলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১২ মধুখালীতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে সুপারভাইজার নিহত, আহত ১৫ শাহজালাল বিমানবন্দরে আনসার সদস্যদের যাতায়াত সহজে বিশেষ বাস সেবা চালু ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হবে পরিকল্পনার মাধ্যমে: প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ: বাণিজ্যমন্ত্রী কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য উপহাইকমিশনের সতর্কবার্তা নেপালের ভয়াবহ দুর্যোগে সহায়তার হাত বাড়াল বাংলাদেশ ছিনতাইয়ের ঘটনায় শিক্ষিকার মৃত্যু: উদ্ধার বাইক নিয়ে প্রশ্ন, ডিবির ছায়া তদন্ত

স্বাধীনতা দিবসে বাংলাদেশের প্রতি ট্রাম্পের শুভেচ্ছা, সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৫৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ মার্চ ২০২৫
  • / 477

ছবি: সংগৃহীত

 

স্বাধীনতা দিবসের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের জনগণ ও প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি এই ঐতিহাসিক দিবসে গণতন্ত্র, অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও নিরাপত্তা জোরদারের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।

বৃহস্পতিবার সকালে ড. ইউনূসের ফেসবুক পেজে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের শুভেচ্ছা বার্তাটি প্রকাশ করা হয়। এতে তিনি বলেন, “আমেরিকান জনগণের পক্ষ থেকে আমি আপনাকে এবং বাংলাদেশের জনগণকে স্বাধীনতা দিবসের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই। এই পরিবর্তনের সময় বাংলাদেশকে একটি নতুন সুযোগ এনে দিয়েছে—গণতন্ত্রের বিকাশ, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং নিরাপত্তা জোরদারের মাধ্যমে ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে যাওয়ার।”

আরও পড়ুন  মধ্যপ্রাচ্যে সফরে যাচ্ছেন ট্রাম্প, তালিকায় আরো ৩ দেশ

ট্রাম্প তার বার্তায় বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, “আসন্ন বছরটি আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এক সময়। আমরা আমাদের পারস্পরিক অংশীদারিত্ব অব্যাহত রাখতে আগ্রহী। আমি আত্মবিশ্বাসী, আমাদের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে, এবং এর মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যিক উন্নয়নসহ ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা একসঙ্গে কাজ করতে পারব।”

তিনি আরও যোগ করেন, “স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে আপনার ও বাংলাদেশের জনগণের প্রতি আমার পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা রইল।”

বিশ্বরাজনীতির প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশকে ঘিরে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক বার্তাগুলোর মধ্যে এই শুভেচ্ছা বার্তাটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। এটি দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার সম্ভাবনাকে আরও জোরালোভাবে তুলে ধরছে।

স্বাধীনতার সুবর্ণ সময়ে এ ধরনের আন্তর্জাতিক বার্তা দেশের কূটনৈতিক অবস্থানকে যেমন শক্তিশালী করে, তেমনি বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তিও প্রতিষ্ঠিত করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

স্বাধীনতা দিবসে বাংলাদেশের প্রতি ট্রাম্পের শুভেচ্ছা, সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহ

আপডেট সময় ১১:৫৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ মার্চ ২০২৫

 

স্বাধীনতা দিবসের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের জনগণ ও প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি এই ঐতিহাসিক দিবসে গণতন্ত্র, অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও নিরাপত্তা জোরদারের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।

বৃহস্পতিবার সকালে ড. ইউনূসের ফেসবুক পেজে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের শুভেচ্ছা বার্তাটি প্রকাশ করা হয়। এতে তিনি বলেন, “আমেরিকান জনগণের পক্ষ থেকে আমি আপনাকে এবং বাংলাদেশের জনগণকে স্বাধীনতা দিবসের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই। এই পরিবর্তনের সময় বাংলাদেশকে একটি নতুন সুযোগ এনে দিয়েছে—গণতন্ত্রের বিকাশ, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং নিরাপত্তা জোরদারের মাধ্যমে ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে যাওয়ার।”

আরও পড়ুন  ট্রাম্পের নামে ক্রিপ্টোকারেন্সি, দাম আকাশছোঁয়া

ট্রাম্প তার বার্তায় বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, “আসন্ন বছরটি আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এক সময়। আমরা আমাদের পারস্পরিক অংশীদারিত্ব অব্যাহত রাখতে আগ্রহী। আমি আত্মবিশ্বাসী, আমাদের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে, এবং এর মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যিক উন্নয়নসহ ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা একসঙ্গে কাজ করতে পারব।”

তিনি আরও যোগ করেন, “স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে আপনার ও বাংলাদেশের জনগণের প্রতি আমার পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা রইল।”

বিশ্বরাজনীতির প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশকে ঘিরে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক বার্তাগুলোর মধ্যে এই শুভেচ্ছা বার্তাটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। এটি দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার সম্ভাবনাকে আরও জোরালোভাবে তুলে ধরছে।

স্বাধীনতার সুবর্ণ সময়ে এ ধরনের আন্তর্জাতিক বার্তা দেশের কূটনৈতিক অবস্থানকে যেমন শক্তিশালী করে, তেমনি বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তিও প্রতিষ্ঠিত করে।