রামেক হাসপাতালে রোগীদের ভোগান্তি কমাতে বসছে একক ‘অ্যাম্বুলেন্স সেন্টার’
- আপডেট সময় ০৪:৩৫:৫৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 19
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের পরিবহনজনিত হয়রানি বন্ধে একটি সমন্বিত ‘অ্যাম্বুলেন্স সেন্টার’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সেবাপ্রার্থীদের যাতায়াত সুশৃঙ্খল করা, জরুরি বিভাগের সামনে যানজট নিরসন এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধের লক্ষ্যে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এক বিশেষ যৌথ বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত আসে। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) এক বিশেষ মতবিনিময় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
হাসপাতাল মিলনায়তনে পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পিকেএম মাসুদ উল ইসলামের সভাপতিত্বে ও উপপরিচালক ডা. হাসানুল হাছিবের সঞ্চালনায় এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে রামেক প্রশাসন, রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি), সিটি করপোরেশন এবং বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স মালিক ও চালকদের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, হাসপাতাল প্রশাসন ও আরএমপির যৌথ নজরদারিতে নিবন্ধিত অ্যাম্বুলেন্স ও চালকদের একটি চূড়ান্ত তালিকা তৈরি হবে। সেন্টারের মাধ্যমে নির্ধারিত সিরিয়াল মেনে এবং গন্তব্যের দূরত্ব অনুযায়ী নির্ধারিত যুক্তিসঙ্গত ভাড়ায় রোগী ও মরদেহ পরিবহন করা হবে। এর ফলে দালালচক্রের দৌরাত্ম্য কমবে এবং অপ্রয়োজনীয় গাড়ি পার্কিং বন্ধ হয়ে জরুরি বিভাগের সামনের সড়ক যানজটমুক্ত থাকবে।
এছাড়া বৈঠকে হাসপাতালের ট্রলি সেবা সহজীকরণ এবং ভারী বৃষ্টির সময় জরুরি ও বহির্বিভাগ চত্বরে জলাবদ্ধতা নিরসনে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়েও সিদ্ধান্ত হয়।
অনুষ্ঠানে রামেক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সহযোগী অধ্যাপক ডা. মনোয়ার তারিক সাবু, মিডিয়া মুখপাত্র সহযোগী অধ্যাপক ডা. শেখ শামীম আহমেদসহ প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও পুলিশ প্রতিনিধি হিসেবে আরএমপির ট্রাফিক বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার মো. নূর আলম সিদ্দিকী ও বোয়ালিয়া বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার মো. গোলাম রাব্বানী শেখ উপস্থিত ছিলেন। সিটি করপোরেশনের পক্ষে ডা. আয়েশা এবং অ্যাম্বুলেন্স মালিক-চালকদের পক্ষে মো. নিশান ও মো. ডালিম এই সেবা বাস্তবায়নে পূর্ণ সহায়তার আশ্বাস দেন।
রোগীদের কল্যাণকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়ে গৃহীত এসব পদক্ষেপ দ্রুত বাস্তবায়নে সব পক্ষের আন্তরিক সহযোগিতা চেয়েছেন রামেক পরিচালক।






















