ঢাকা ০৯:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
ইরান যুদ্ধের শেষ জানেন না ভ্যান্স রামেক হাসপাতালে রোগীদের ভোগান্তি কমাতে বসছে একক ‘অ্যাম্বুলেন্স সেন্টার’ বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটের প্রতিবাদে ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ আজ নাটোরে ৪৫ টাকা চা বিলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১২ মধুখালীতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে সুপারভাইজার নিহত, আহত ১৫ শাহজালাল বিমানবন্দরে আনসার সদস্যদের যাতায়াত সহজে বিশেষ বাস সেবা চালু ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হবে পরিকল্পনার মাধ্যমে: প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ: বাণিজ্যমন্ত্রী কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য উপহাইকমিশনের সতর্কবার্তা নেপালের ভয়াবহ দুর্যোগে সহায়তার হাত বাড়াল বাংলাদেশ

ব্রিটিশ সরকারের কঠোর পদক্ষেপ: অবৈধ অভিবাসীদের গ্রেফতার, আতঙ্কে বাংলাদেশিরাও

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:০৭:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 647

ছবি: সংগৃহীত

 

ব্রিটিশ সরকার অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করছে, যার ফলে এক মাসে রেকর্ড পরিমাণ অবৈধ অভিবাসী গ্রেফতার করেছে দেশটির পুলিশ। এর প্রভাবে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে গ্রেফতার আতঙ্ক বেড়েছে।

২০২৫ সালের জানুয়ারিতে লন্ডনের ২০৯টি স্থানে অভিযান চালিয়ে ব্রিটিশ ইমিগ্রেশন এনফোর্সমেন্ট টিম ১৪২ জন অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেফতার করে, যা গত বছরের জানুয়ারি মাসের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। ২০২৪ সালে ওই মাসে গ্রেফতার করা হয়েছিল ৮৩ জনকে।

আরও পড়ুন  সিডনিতে স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যা; বাংলাদেশি প্রবাসী গ্রেফতার

ব্রিটিশ হোম অফিসের তথ্য অনুসারে, ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ৬০৯ জন অবৈধ অভিবাসী গ্রেফতার করা হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় অনেক বেশি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অভিবাসী ধরতে ব্রিটিশ সরকার এখন রেস্তোরাঁ ছাড়াও সেলুন, সুপারমার্কেট, এবং কার ওয়াশের মতো স্থানগুলোতেও অভিযান চালাচ্ছে, যা আগে কখনো ছিল না।

এভাবে অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে দেশটির সরকারের কঠোর অবস্থান স্থানীয় কমিউনিটিতে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে বাংলাদেশি অভিবাসীরা এখন বেশ আতঙ্কিত। এই পরিস্থিতিতে আইনজীবীরা অভিবাসীদের নিয়মিতকরণ প্রক্রিয়া এবং বৈধতার প্রতি সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য পরামর্শ দিচ্ছেন।

২০২৪ সালের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ব্রিটিশ পুলিশ ৫ হাজার ৪২৫টি স্থানে অভিযান চালিয়ে ৩ হাজার ৯৩০ জন অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেফতার করেছে। বিশেষ করে অবৈধ কর্মসংস্থানের বিরুদ্ধে পরিচালিত অভিযানে আগের তুলনায় ৩৮ শতাংশ বেশি গ্রেফতার হয়েছে।

এছাড়া, ব্রিটিশ সরকার ২০১৮ সালের পর সর্বোচ্চ পরিমাণ অবৈধ অভিবাসীকে চার্টার ফ্লাইটে তাদের নিজ দেশে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যেখানে ৮৫০ জনকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে ব্রিটিশ সরকার অভিবাসন নিয়ে জনগণের সমর্থন লাভ করতে চাচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ব্রিটিশ সরকারের কঠোর পদক্ষেপ: অবৈধ অভিবাসীদের গ্রেফতার, আতঙ্কে বাংলাদেশিরাও

আপডেট সময় ০৫:০৭:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

ব্রিটিশ সরকার অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করছে, যার ফলে এক মাসে রেকর্ড পরিমাণ অবৈধ অভিবাসী গ্রেফতার করেছে দেশটির পুলিশ। এর প্রভাবে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে গ্রেফতার আতঙ্ক বেড়েছে।

২০২৫ সালের জানুয়ারিতে লন্ডনের ২০৯টি স্থানে অভিযান চালিয়ে ব্রিটিশ ইমিগ্রেশন এনফোর্সমেন্ট টিম ১৪২ জন অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেফতার করে, যা গত বছরের জানুয়ারি মাসের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। ২০২৪ সালে ওই মাসে গ্রেফতার করা হয়েছিল ৮৩ জনকে।

আরও পড়ুন  সৌদি আরবে এক সপ্তাহে গ্রেফতার ১৪ হাজারের বেশি অবৈধ বাসিন্দা!

ব্রিটিশ হোম অফিসের তথ্য অনুসারে, ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ৬০৯ জন অবৈধ অভিবাসী গ্রেফতার করা হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় অনেক বেশি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অভিবাসী ধরতে ব্রিটিশ সরকার এখন রেস্তোরাঁ ছাড়াও সেলুন, সুপারমার্কেট, এবং কার ওয়াশের মতো স্থানগুলোতেও অভিযান চালাচ্ছে, যা আগে কখনো ছিল না।

এভাবে অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে দেশটির সরকারের কঠোর অবস্থান স্থানীয় কমিউনিটিতে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে বাংলাদেশি অভিবাসীরা এখন বেশ আতঙ্কিত। এই পরিস্থিতিতে আইনজীবীরা অভিবাসীদের নিয়মিতকরণ প্রক্রিয়া এবং বৈধতার প্রতি সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য পরামর্শ দিচ্ছেন।

২০২৪ সালের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ব্রিটিশ পুলিশ ৫ হাজার ৪২৫টি স্থানে অভিযান চালিয়ে ৩ হাজার ৯৩০ জন অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেফতার করেছে। বিশেষ করে অবৈধ কর্মসংস্থানের বিরুদ্ধে পরিচালিত অভিযানে আগের তুলনায় ৩৮ শতাংশ বেশি গ্রেফতার হয়েছে।

এছাড়া, ব্রিটিশ সরকার ২০১৮ সালের পর সর্বোচ্চ পরিমাণ অবৈধ অভিবাসীকে চার্টার ফ্লাইটে তাদের নিজ দেশে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যেখানে ৮৫০ জনকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে ব্রিটিশ সরকার অভিবাসন নিয়ে জনগণের সমর্থন লাভ করতে চাচ্ছে।