ঢাকা ০৩:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মার্কিন ও ইসরায়েলি প্রযুক্তি জায়ান্টদের ওপর হামলার হুমকি আইআরজিসির

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:২০:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
  • / 160

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাথে সম্পৃক্ত শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এবং তাদের বৈশ্বিক অবকাঠামোকে নতুন সামরিক লক্ষ্যবস্তু হিসেবে ঘোষণা করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)।

আইআরজিসি ঘনিষ্ঠ সংবাদ সংস্থা তাসনিম জানিয়েছে, গুগল, মাইক্রোসফট, এনভিডিয়া এবং ওরাকলের মতো জায়ান্ট কোম্পানিগুলোর ক্লাউড পরিষেবা ও ডেটা সেন্টারগুলো এখন ইরানের নিশানায় রয়েছে।

তেহরানের দাবি অনুযায়ী, এসব প্রতিষ্ঠানের প্রযুক্তি সরাসরি সামরিক উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হচ্ছে, যা তাদের লক্ষ্যবস্তুর পরিধিকে আরও বিস্তৃত করেছে। বিশেষ করে ইসরায়েলসহ উপসাগরীয় দেশগুলোতে অবস্থিত এসব প্রতিষ্ঠানের আঞ্চলিক অফিস ও অবকাঠামো এখন সরাসরি ঝুঁকির মুখে পড়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  গাজায় অবরোধের মাঝে ইসরায়েলি হামলায় শিশুসহ নিহত ২৩

এই সংঘাতের প্রেক্ষাপট কেবল ডিজিটাল বা প্রযুক্তিগত খাতে সীমাবদ্ধ থাকছে না, বরং তা সরাসরি অর্থনৈতিক যুদ্ধের দিকে মোড় নিচ্ছে। ইরানের একটি ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানের ওপর সাম্প্রতিক হামলার পাল্টা জবাব দিতে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ও বাণিজ্যিক কেন্দ্রগুলোতেও হামলার কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান।

খাতাম আল-আনবিয়া সদরদপ্তরের পক্ষ থেকে জনসাধারণকে বিশেষ সতর্কতা দিয়ে জানানো হয়েছে যে, সম্ভাব্য হামলার ঝুঁকি এড়াতে এসব সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের অন্তত এক কিলোমিটার এলাকা থেকে দূরে থাকাই শ্রেয়। মূলত অবকাঠামোগত যুদ্ধের এই নতুন বিস্তার পুরো অঞ্চলের ভূ-রাজনীতি ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতাকে এক চরম অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

মার্কিন ও ইসরায়েলি প্রযুক্তি জায়ান্টদের ওপর হামলার হুমকি আইআরজিসির

আপডেট সময় ০৪:২০:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাথে সম্পৃক্ত শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এবং তাদের বৈশ্বিক অবকাঠামোকে নতুন সামরিক লক্ষ্যবস্তু হিসেবে ঘোষণা করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)।

আইআরজিসি ঘনিষ্ঠ সংবাদ সংস্থা তাসনিম জানিয়েছে, গুগল, মাইক্রোসফট, এনভিডিয়া এবং ওরাকলের মতো জায়ান্ট কোম্পানিগুলোর ক্লাউড পরিষেবা ও ডেটা সেন্টারগুলো এখন ইরানের নিশানায় রয়েছে।

তেহরানের দাবি অনুযায়ী, এসব প্রতিষ্ঠানের প্রযুক্তি সরাসরি সামরিক উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হচ্ছে, যা তাদের লক্ষ্যবস্তুর পরিধিকে আরও বিস্তৃত করেছে। বিশেষ করে ইসরায়েলসহ উপসাগরীয় দেশগুলোতে অবস্থিত এসব প্রতিষ্ঠানের আঞ্চলিক অফিস ও অবকাঠামো এখন সরাসরি ঝুঁকির মুখে পড়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  গাজায় যুদ্ধবিরতির আলোচনায় অচলাবস্থা, ১০ ইসরায়েলি বন্দি মুক্তির ঘোষণা হামাসের

এই সংঘাতের প্রেক্ষাপট কেবল ডিজিটাল বা প্রযুক্তিগত খাতে সীমাবদ্ধ থাকছে না, বরং তা সরাসরি অর্থনৈতিক যুদ্ধের দিকে মোড় নিচ্ছে। ইরানের একটি ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানের ওপর সাম্প্রতিক হামলার পাল্টা জবাব দিতে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ও বাণিজ্যিক কেন্দ্রগুলোতেও হামলার কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান।

খাতাম আল-আনবিয়া সদরদপ্তরের পক্ষ থেকে জনসাধারণকে বিশেষ সতর্কতা দিয়ে জানানো হয়েছে যে, সম্ভাব্য হামলার ঝুঁকি এড়াতে এসব সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের অন্তত এক কিলোমিটার এলাকা থেকে দূরে থাকাই শ্রেয়। মূলত অবকাঠামোগত যুদ্ধের এই নতুন বিস্তার পুরো অঞ্চলের ভূ-রাজনীতি ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতাকে এক চরম অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়েছে।