ঢাকা ০৩:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
সাংবাদিকের লেখায় যেন কারও জীবন, ক্যারিয়ার ও মানসম্মান ক্ষতিগ্রস্ত না হয়: তথ্যমন্ত্রী বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতির উন্নতি হবে দুই সপ্তাহের মধ্যে: প্রতিমন্ত্রী অমিত জন্মের ১০০ বছরে উত্তম কুমার, দুই বাংলার দর্শকের ভালোবাসায় অমর মহানায়ক বিশ্ব ইজতেমা দুই পর্বে হবে, তারিখ ঘোষণা ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রেখে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সন্ধ্যার মধ্যে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ো হাওয়া, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত শেখ হাসিনাসহ ৩০ জনকে আত্মসমর্পণে বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ তাবলিগ জামাতের মাওলানা এহসানুল হক আর নেই বৃষ্টির ফোঁটা থেকেই বিদ্যুৎ! নতুন সম্ভাবনা দেখছেন গবেষকরা কক্সবাজারে ট্রলারডুবি, নিহত ২

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ২৪ ঘণ্টায় নিহত ৭৯, আহত চার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:৫৩:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন ২০২৫
  • / 599

 

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি বাহিনীর টানা হামলায় অন্তত ৭৯ জন নিহত হয়েছেন। এ হামলায় আহত হয়েছেন আরও প্রায় ৪০০ জন। গাজায় নিহতের সংখ্যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে সেখানকার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

হামাস নিয়ন্ত্রিত গাজার স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, এই প্রাণঘাতী হামলায় অধিকাংশ হতাহত হয়েছেন আবাসিক এলাকাগুলোর সাধারণ মানুষ, যাদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যাই বেশি।

আরও পড়ুন  বহু মাস প্রতীক্ষার পর গা*জা*য় প্রবেশ করছে ত্রাণবাহী শত শত ট্রাক

অন্যদিকে, অধিকৃত পশ্চিম তীরেও উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছে। উত্তর-পূর্ব রামাল্লার কাফর মালেক এলাকায় ইহুদি বসতি স্থাপনকারীদের হামলায় কমপক্ষে তিনজন ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন। ইসরায়েলি সেনা ও বসতি স্থাপনকারীদের এমন আগ্রাসনে স্থানীয়রা আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন।

প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে নজিরবিহীন হামলা চালায় হামাস। ওই হামলায় ১ হাজার ১৩৯ জন নিহত হন এবং প্রায় দুই শতাধিক মানুষকে জিম্মি করে গাজায় নিয়ে যাওয়া হয়।

ওই ঘটনার পরদিন থেকেই ইসরায়েল গাজায় ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করে, যা এখনো অব্যাহত রয়েছে। প্রায় দেড় বছর ধরে চলা এই আগ্রাসনে গাজায় প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৫৬ হাজার ১৫৬ জন। আহত হয়েছেন আরও ১ লাখ ৩২ হাজারের বেশি মানুষ। হতাহতদের বড় অংশই নারী ও শিশু।

গাজা এখন কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। অবকাঠামো, হাসপাতাল, স্কুল সবকিছুই ইসরায়েলি হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর।

জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের একাধিকবার যুদ্ধবিরতির আহ্বান সত্ত্বেও, হামলা থেমে নেই। ফিলিস্তিনে মানবিক সংকট চরমে পৌঁছেছে। বিশুদ্ধ পানি, খাদ্য, চিকিৎসা সবকিছুরই তীব্র সংকট চলছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আন্তর্জাতিক চাপ না বাড়লে এ যুদ্ধের অবসান শিগগিরই আসবে না। পরিস্থিতি দিনকে দিন আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ২৪ ঘণ্টায় নিহত ৭৯, আহত চার

আপডেট সময় ০৯:৫৩:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন ২০২৫

 

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি বাহিনীর টানা হামলায় অন্তত ৭৯ জন নিহত হয়েছেন। এ হামলায় আহত হয়েছেন আরও প্রায় ৪০০ জন। গাজায় নিহতের সংখ্যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে সেখানকার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

হামাস নিয়ন্ত্রিত গাজার স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, এই প্রাণঘাতী হামলায় অধিকাংশ হতাহত হয়েছেন আবাসিক এলাকাগুলোর সাধারণ মানুষ, যাদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যাই বেশি।

আরও পড়ুন  সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে দুই গ্রামের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত অন্তত ১০

অন্যদিকে, অধিকৃত পশ্চিম তীরেও উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছে। উত্তর-পূর্ব রামাল্লার কাফর মালেক এলাকায় ইহুদি বসতি স্থাপনকারীদের হামলায় কমপক্ষে তিনজন ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন। ইসরায়েলি সেনা ও বসতি স্থাপনকারীদের এমন আগ্রাসনে স্থানীয়রা আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন।

প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে নজিরবিহীন হামলা চালায় হামাস। ওই হামলায় ১ হাজার ১৩৯ জন নিহত হন এবং প্রায় দুই শতাধিক মানুষকে জিম্মি করে গাজায় নিয়ে যাওয়া হয়।

ওই ঘটনার পরদিন থেকেই ইসরায়েল গাজায় ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করে, যা এখনো অব্যাহত রয়েছে। প্রায় দেড় বছর ধরে চলা এই আগ্রাসনে গাজায় প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৫৬ হাজার ১৫৬ জন। আহত হয়েছেন আরও ১ লাখ ৩২ হাজারের বেশি মানুষ। হতাহতদের বড় অংশই নারী ও শিশু।

গাজা এখন কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। অবকাঠামো, হাসপাতাল, স্কুল সবকিছুই ইসরায়েলি হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর।

জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের একাধিকবার যুদ্ধবিরতির আহ্বান সত্ত্বেও, হামলা থেমে নেই। ফিলিস্তিনে মানবিক সংকট চরমে পৌঁছেছে। বিশুদ্ধ পানি, খাদ্য, চিকিৎসা সবকিছুরই তীব্র সংকট চলছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আন্তর্জাতিক চাপ না বাড়লে এ যুদ্ধের অবসান শিগগিরই আসবে না। পরিস্থিতি দিনকে দিন আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে।