ঢাকা ০৪:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
ছাত্রদলের পুস্তিকা ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম উদ্বোধন করলেন রিজভী সাংবাদিকের লেখায় যেন কারও জীবন, ক্যারিয়ার ও মানসম্মান ক্ষতিগ্রস্ত না হয়: তথ্যমন্ত্রী বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতির উন্নতি হবে দুই সপ্তাহের মধ্যে: প্রতিমন্ত্রী অমিত জন্মের ১০০ বছরে উত্তম কুমার, দুই বাংলার দর্শকের ভালোবাসায় অমর মহানায়ক বিশ্ব ইজতেমা দুই পর্বে হবে, তারিখ ঘোষণা ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রেখে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সন্ধ্যার মধ্যে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ো হাওয়া, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত শেখ হাসিনাসহ ৩০ জনকে আত্মসমর্পণে বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ তাবলিগ জামাতের মাওলানা এহসানুল হক আর নেই বৃষ্টির ফোঁটা থেকেই বিদ্যুৎ! নতুন সম্ভাবনা দেখছেন গবেষকরা

গাজায় ইসরাইলি হামলায় এ পর্যন্ত সাংবাদিক নিহতের সংখ্যা ২১১ ছাড়াল

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৪৪:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ এপ্রিল ২০২৫
  • / 481

ছবি সংগৃহীত

 

গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি আগ্রাসনে সাংবাদিক হত্যার মিছিল থামছে না। সর্বশেষ ইসরাইলের একটি বর্বরোচিত হামলায় আহমেদ মনসুর নামে এক ফিলিস্তিনি সাংবাদিক নিহত হয়েছেন। এর ফলে চলমান সংঘাতে গাজায় নিহত গণমাধ্যমকর্মীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১১ জনে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছে গাজার সরকারি মিডিয়া অফিস।

মঙ্গলবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, সোমবার ভোররাতে গাজা শহরের একটি সংবাদ তাঁবুতে ইসরাইলের বিমান হামলার ঘটনায় আহমেদ মনসুর গুরুতর দগ্ধ হন এবং পরে তিনি মারা যান। তার মৃত্যুর পর গাজার মিডিয়া অফিস এক বিবৃতিতে বিশ্বজুড়ে সাংবাদিকদের প্রতি সংহতি জানাতে এবং এই হামলার নিন্দা জানাতে আহ্বান জানায়।

আরও পড়ুন  গাজায় সাময়িক যুদ্ধবিরতির প্রতি ইসরাইলের সম্মতি, কিন্তু ভবিষ্যত অনিশ্চিত

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আমরা আন্তর্জাতিক সাংবাদিক ফেডারেশন, আরব সাংবাদিক ফেডারেশন এবং বিশ্বের সব সাংবাদিক সংগঠনকে আহ্বান জানাই যেন তারা গাজায় ফিলিস্তিনি সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে চলমান এই পরিকল্পিত সহিংসতার বিরুদ্ধে সোচ্চার হন।’

গাজার মিডিয়া অফিস আরও জানায়, সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে ধারাবাহিকভাবে চালানো এই হামলা কেবল ব্যক্তিগত নয়, বরং তথ্য প্রকাশের অধিকার ও সাংবাদিকতার স্বাধীনতার বিরুদ্ধে এক গুরুতর আঘাত।

এদিকে গাজার পাশাপাশি পশ্চিম তীরেও ইসরাইলি বাহিনীর দমন-পীড়ন অব্যাহত রয়েছে। গাজার সিভিল ডিফেন্সের মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল জানান, সোমবার রাতভর চালানো অভিযানে গাজাজুড়ে অন্তত ১৯ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে শিশুও রয়েছে। অনেকেই আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যমতে, একই রাতে পশ্চিম তীরের বিভিন্ন অঞ্চলে ব্যাপক অভিযান চালায় দখলদার বাহিনী। বাড়িঘর ঘেরাও করে ফিলিস্তিনিদের গ্রেফতার এবং উচ্ছেদ করার ঘটনাও ঘটেছে।

মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, ফিলিস্তিনে চলমান এ দমননীতির সবচেয়ে বড় শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে নারী, শিশু ও সাংবাদিকরা। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নীরবতা এবং কার্যকর পদক্ষেপের অভাবে প্রতিদিনই দীর্ঘ হচ্ছে গাজা উপত্যকার শোকের তালিকা।

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজায় ইসরাইলি হামলায় এ পর্যন্ত সাংবাদিক নিহতের সংখ্যা ২১১ ছাড়াল

আপডেট সময় ০৫:৪৪:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ এপ্রিল ২০২৫

 

গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি আগ্রাসনে সাংবাদিক হত্যার মিছিল থামছে না। সর্বশেষ ইসরাইলের একটি বর্বরোচিত হামলায় আহমেদ মনসুর নামে এক ফিলিস্তিনি সাংবাদিক নিহত হয়েছেন। এর ফলে চলমান সংঘাতে গাজায় নিহত গণমাধ্যমকর্মীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১১ জনে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছে গাজার সরকারি মিডিয়া অফিস।

মঙ্গলবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, সোমবার ভোররাতে গাজা শহরের একটি সংবাদ তাঁবুতে ইসরাইলের বিমান হামলার ঘটনায় আহমেদ মনসুর গুরুতর দগ্ধ হন এবং পরে তিনি মারা যান। তার মৃত্যুর পর গাজার মিডিয়া অফিস এক বিবৃতিতে বিশ্বজুড়ে সাংবাদিকদের প্রতি সংহতি জানাতে এবং এই হামলার নিন্দা জানাতে আহ্বান জানায়।

আরও পড়ুন  ২০২৪ সালে বিশ্বজুড়ে ৩৬১ সাংবাদিক কারাবন্দি, বাংলাদেশী ৪ জন

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আমরা আন্তর্জাতিক সাংবাদিক ফেডারেশন, আরব সাংবাদিক ফেডারেশন এবং বিশ্বের সব সাংবাদিক সংগঠনকে আহ্বান জানাই যেন তারা গাজায় ফিলিস্তিনি সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে চলমান এই পরিকল্পিত সহিংসতার বিরুদ্ধে সোচ্চার হন।’

গাজার মিডিয়া অফিস আরও জানায়, সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে ধারাবাহিকভাবে চালানো এই হামলা কেবল ব্যক্তিগত নয়, বরং তথ্য প্রকাশের অধিকার ও সাংবাদিকতার স্বাধীনতার বিরুদ্ধে এক গুরুতর আঘাত।

এদিকে গাজার পাশাপাশি পশ্চিম তীরেও ইসরাইলি বাহিনীর দমন-পীড়ন অব্যাহত রয়েছে। গাজার সিভিল ডিফেন্সের মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল জানান, সোমবার রাতভর চালানো অভিযানে গাজাজুড়ে অন্তত ১৯ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে শিশুও রয়েছে। অনেকেই আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যমতে, একই রাতে পশ্চিম তীরের বিভিন্ন অঞ্চলে ব্যাপক অভিযান চালায় দখলদার বাহিনী। বাড়িঘর ঘেরাও করে ফিলিস্তিনিদের গ্রেফতার এবং উচ্ছেদ করার ঘটনাও ঘটেছে।

মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, ফিলিস্তিনে চলমান এ দমননীতির সবচেয়ে বড় শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে নারী, শিশু ও সাংবাদিকরা। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নীরবতা এবং কার্যকর পদক্ষেপের অভাবে প্রতিদিনই দীর্ঘ হচ্ছে গাজা উপত্যকার শোকের তালিকা।