ঢাকা ০৭:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
রামেক হাসপাতালে রোগীদের ভোগান্তি কমাতে বসছে একক ‘অ্যাম্বুলেন্স সেন্টার’ বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটের প্রতিবাদে ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ আজ নাটোরে ৪৫ টাকা চা বিলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১২ মধুখালীতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে সুপারভাইজার নিহত, আহত ১৫ শাহজালাল বিমানবন্দরে আনসার সদস্যদের যাতায়াত সহজে বিশেষ বাস সেবা চালু ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হবে পরিকল্পনার মাধ্যমে: প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ: বাণিজ্যমন্ত্রী কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য উপহাইকমিশনের সতর্কবার্তা নেপালের ভয়াবহ দুর্যোগে সহায়তার হাত বাড়াল বাংলাদেশ ছিনতাইয়ের ঘটনায় শিক্ষিকার মৃত্যু: উদ্ধার বাইক নিয়ে প্রশ্ন, ডিবির ছায়া তদন্ত

গাজায় সাময়িক যুদ্ধবিরতির প্রতি ইসরাইলের সম্মতি, কিন্তু ভবিষ্যত অনিশ্চিত

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৩১:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ মার্চ ২০২৫
  • / 430

ছবি সংগৃহীত

 

পবিত্র রমজান মাস ও ইহুদিদের বসন্তকালীন উৎসবের (পাসওভার) সময় ফিলিস্তিনের গাজায় সাময়িক যুদ্ধবিরতি কার্যকরের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছে ইসরাইল। রোববার (২ মার্চ) এক বিবৃতিতে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

গত শনিবার (১ মার্চ) গাজা উপত্যকার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর রাফায় ইসরাইলি হামলায় ধ্বংস হওয়া ভবনের পাশে ইফতার করছিলেন ফিলিস্তিনিরা। একই সময়ে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক দূত, স্টিভ উইটকফের পক্ষ থেকে সাময়িক যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেওয়া হয়। এই প্রস্তাবের অংশ হিসেবে, প্রথম দিনে গাজায় আটক অর্ধেক জিম্মি মুক্তির শর্ত রাখা হয়েছে। পরে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি হলে বাকি জিম্মিদের মুক্তি দেওয়ার কথা রয়েছে।

আরও পড়ুন  ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধবিরতিতে বিশ্ববাজারে স্বস্তি, তেলের দামে বড় পতন

তবে হামাসের মুখপাত্র হাজেম কাসেম যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপের সময় বাড়ানোর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি উইটকফের প্রস্তাবের ব্যাপারে সরাসরি কিছু বলেননি। ইসরাইলের পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে, হামাস যদি এই প্রস্তাব মেনে নেয়, তাহলে ইসরাইল তাৎক্ষণিকভাবে আলোচনা শুরু করতে চায়।

এদিকে, গাজাসহ পুরো মধ্যপ্রাচ্যে গত শনিবার থেকে পবিত্র রমজান মাস শুরু হয়েছে। এবং ১২ এপ্রিল থেকে ইহুদিদের বসন্তকালীন উৎসবও শুরু হবে। তবে মিশরের কায়রোতে গাজায় দ্বিতীয় দফায় যুদ্ধবিরতির আলোচনা এখনও কোনো সমাধানে পৌঁছায়নি। ইসরাইল জানিয়েছে, তারা বর্তমানে চলমান যুদ্ধবিরতির কাঠামো বাড়ানোর চেষ্টা করবে, তবে নতুন শর্তে আলোচনা করতে রাজি নয়।

জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস পরিস্থিতি অত্যন্ত সংকটজনক বলে মন্তব্য করেছেন। গাজার মানবিক পরিস্থিতি ও সহায়তার বিষয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, কারণ যুদ্ধবিরতি না হলে মানবিক সহায়তা প্রদান করা কঠিন হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজায় সাময়িক যুদ্ধবিরতির প্রতি ইসরাইলের সম্মতি, কিন্তু ভবিষ্যত অনিশ্চিত

আপডেট সময় ১২:৩১:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ মার্চ ২০২৫

 

পবিত্র রমজান মাস ও ইহুদিদের বসন্তকালীন উৎসবের (পাসওভার) সময় ফিলিস্তিনের গাজায় সাময়িক যুদ্ধবিরতি কার্যকরের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছে ইসরাইল। রোববার (২ মার্চ) এক বিবৃতিতে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

গত শনিবার (১ মার্চ) গাজা উপত্যকার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর রাফায় ইসরাইলি হামলায় ধ্বংস হওয়া ভবনের পাশে ইফতার করছিলেন ফিলিস্তিনিরা। একই সময়ে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক দূত, স্টিভ উইটকফের পক্ষ থেকে সাময়িক যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেওয়া হয়। এই প্রস্তাবের অংশ হিসেবে, প্রথম দিনে গাজায় আটক অর্ধেক জিম্মি মুক্তির শর্ত রাখা হয়েছে। পরে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি হলে বাকি জিম্মিদের মুক্তি দেওয়ার কথা রয়েছে।

আরও পড়ুন  গাজা পুনর্গঠন পরিকল্পনায় মিশরের নতুন উদ্যোগ, আন্তর্জাতিক সমর্থন চাওয়া হবে

তবে হামাসের মুখপাত্র হাজেম কাসেম যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপের সময় বাড়ানোর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি উইটকফের প্রস্তাবের ব্যাপারে সরাসরি কিছু বলেননি। ইসরাইলের পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে, হামাস যদি এই প্রস্তাব মেনে নেয়, তাহলে ইসরাইল তাৎক্ষণিকভাবে আলোচনা শুরু করতে চায়।

এদিকে, গাজাসহ পুরো মধ্যপ্রাচ্যে গত শনিবার থেকে পবিত্র রমজান মাস শুরু হয়েছে। এবং ১২ এপ্রিল থেকে ইহুদিদের বসন্তকালীন উৎসবও শুরু হবে। তবে মিশরের কায়রোতে গাজায় দ্বিতীয় দফায় যুদ্ধবিরতির আলোচনা এখনও কোনো সমাধানে পৌঁছায়নি। ইসরাইল জানিয়েছে, তারা বর্তমানে চলমান যুদ্ধবিরতির কাঠামো বাড়ানোর চেষ্টা করবে, তবে নতুন শর্তে আলোচনা করতে রাজি নয়।

জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস পরিস্থিতি অত্যন্ত সংকটজনক বলে মন্তব্য করেছেন। গাজার মানবিক পরিস্থিতি ও সহায়তার বিষয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, কারণ যুদ্ধবিরতি না হলে মানবিক সহায়তা প্রদান করা কঠিন হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।