ঢাকা ০৬:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

গাজায় সাময়িক যুদ্ধবিরতির প্রতি ইসরাইলের সম্মতি, কিন্তু ভবিষ্যত অনিশ্চিত

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৩১:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ মার্চ ২০২৫
  • / 264

ছবি সংগৃহীত

 

পবিত্র রমজান মাস ও ইহুদিদের বসন্তকালীন উৎসবের (পাসওভার) সময় ফিলিস্তিনের গাজায় সাময়িক যুদ্ধবিরতি কার্যকরের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছে ইসরাইল। রোববার (২ মার্চ) এক বিবৃতিতে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

গত শনিবার (১ মার্চ) গাজা উপত্যকার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর রাফায় ইসরাইলি হামলায় ধ্বংস হওয়া ভবনের পাশে ইফতার করছিলেন ফিলিস্তিনিরা। একই সময়ে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক দূত, স্টিভ উইটকফের পক্ষ থেকে সাময়িক যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেওয়া হয়। এই প্রস্তাবের অংশ হিসেবে, প্রথম দিনে গাজায় আটক অর্ধেক জিম্মি মুক্তির শর্ত রাখা হয়েছে। পরে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি হলে বাকি জিম্মিদের মুক্তি দেওয়ার কথা রয়েছে।

আরও পড়ুন  গাজার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের ঘোষণা ইসরায়েলের, সীমিত পরিসরে ত্রাণ প্রবেশ শুরু

তবে হামাসের মুখপাত্র হাজেম কাসেম যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপের সময় বাড়ানোর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি উইটকফের প্রস্তাবের ব্যাপারে সরাসরি কিছু বলেননি। ইসরাইলের পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে, হামাস যদি এই প্রস্তাব মেনে নেয়, তাহলে ইসরাইল তাৎক্ষণিকভাবে আলোচনা শুরু করতে চায়।

এদিকে, গাজাসহ পুরো মধ্যপ্রাচ্যে গত শনিবার থেকে পবিত্র রমজান মাস শুরু হয়েছে। এবং ১২ এপ্রিল থেকে ইহুদিদের বসন্তকালীন উৎসবও শুরু হবে। তবে মিশরের কায়রোতে গাজায় দ্বিতীয় দফায় যুদ্ধবিরতির আলোচনা এখনও কোনো সমাধানে পৌঁছায়নি। ইসরাইল জানিয়েছে, তারা বর্তমানে চলমান যুদ্ধবিরতির কাঠামো বাড়ানোর চেষ্টা করবে, তবে নতুন শর্তে আলোচনা করতে রাজি নয়।

জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস পরিস্থিতি অত্যন্ত সংকটজনক বলে মন্তব্য করেছেন। গাজার মানবিক পরিস্থিতি ও সহায়তার বিষয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, কারণ যুদ্ধবিরতি না হলে মানবিক সহায়তা প্রদান করা কঠিন হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজায় সাময়িক যুদ্ধবিরতির প্রতি ইসরাইলের সম্মতি, কিন্তু ভবিষ্যত অনিশ্চিত

আপডেট সময় ১২:৩১:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ মার্চ ২০২৫

 

পবিত্র রমজান মাস ও ইহুদিদের বসন্তকালীন উৎসবের (পাসওভার) সময় ফিলিস্তিনের গাজায় সাময়িক যুদ্ধবিরতি কার্যকরের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছে ইসরাইল। রোববার (২ মার্চ) এক বিবৃতিতে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

গত শনিবার (১ মার্চ) গাজা উপত্যকার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর রাফায় ইসরাইলি হামলায় ধ্বংস হওয়া ভবনের পাশে ইফতার করছিলেন ফিলিস্তিনিরা। একই সময়ে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক দূত, স্টিভ উইটকফের পক্ষ থেকে সাময়িক যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেওয়া হয়। এই প্রস্তাবের অংশ হিসেবে, প্রথম দিনে গাজায় আটক অর্ধেক জিম্মি মুক্তির শর্ত রাখা হয়েছে। পরে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি হলে বাকি জিম্মিদের মুক্তি দেওয়ার কথা রয়েছে।

আরও পড়ুন  গাজার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের ঘোষণা ইসরায়েলের, সীমিত পরিসরে ত্রাণ প্রবেশ শুরু

তবে হামাসের মুখপাত্র হাজেম কাসেম যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপের সময় বাড়ানোর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি উইটকফের প্রস্তাবের ব্যাপারে সরাসরি কিছু বলেননি। ইসরাইলের পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে, হামাস যদি এই প্রস্তাব মেনে নেয়, তাহলে ইসরাইল তাৎক্ষণিকভাবে আলোচনা শুরু করতে চায়।

এদিকে, গাজাসহ পুরো মধ্যপ্রাচ্যে গত শনিবার থেকে পবিত্র রমজান মাস শুরু হয়েছে। এবং ১২ এপ্রিল থেকে ইহুদিদের বসন্তকালীন উৎসবও শুরু হবে। তবে মিশরের কায়রোতে গাজায় দ্বিতীয় দফায় যুদ্ধবিরতির আলোচনা এখনও কোনো সমাধানে পৌঁছায়নি। ইসরাইল জানিয়েছে, তারা বর্তমানে চলমান যুদ্ধবিরতির কাঠামো বাড়ানোর চেষ্টা করবে, তবে নতুন শর্তে আলোচনা করতে রাজি নয়।

জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস পরিস্থিতি অত্যন্ত সংকটজনক বলে মন্তব্য করেছেন। গাজার মানবিক পরিস্থিতি ও সহায়তার বিষয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, কারণ যুদ্ধবিরতি না হলে মানবিক সহায়তা প্রদান করা কঠিন হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।