ঢাকা ১০:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

গাজায় সাময়িক যুদ্ধবিরতির প্রতি ইসরাইলের সম্মতি, কিন্তু ভবিষ্যত অনিশ্চিত

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৩১:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ মার্চ ২০২৫
  • / 347

ছবি সংগৃহীত

 

পবিত্র রমজান মাস ও ইহুদিদের বসন্তকালীন উৎসবের (পাসওভার) সময় ফিলিস্তিনের গাজায় সাময়িক যুদ্ধবিরতি কার্যকরের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছে ইসরাইল। রোববার (২ মার্চ) এক বিবৃতিতে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

গত শনিবার (১ মার্চ) গাজা উপত্যকার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর রাফায় ইসরাইলি হামলায় ধ্বংস হওয়া ভবনের পাশে ইফতার করছিলেন ফিলিস্তিনিরা। একই সময়ে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক দূত, স্টিভ উইটকফের পক্ষ থেকে সাময়িক যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেওয়া হয়। এই প্রস্তাবের অংশ হিসেবে, প্রথম দিনে গাজায় আটক অর্ধেক জিম্মি মুক্তির শর্ত রাখা হয়েছে। পরে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি হলে বাকি জিম্মিদের মুক্তি দেওয়ার কথা রয়েছে।

আরও পড়ুন  শর্তহীন থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়ার যুদ্ধবিরতি : স্বাগত জানাল বাংলাদেশ

তবে হামাসের মুখপাত্র হাজেম কাসেম যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপের সময় বাড়ানোর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি উইটকফের প্রস্তাবের ব্যাপারে সরাসরি কিছু বলেননি। ইসরাইলের পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে, হামাস যদি এই প্রস্তাব মেনে নেয়, তাহলে ইসরাইল তাৎক্ষণিকভাবে আলোচনা শুরু করতে চায়।

এদিকে, গাজাসহ পুরো মধ্যপ্রাচ্যে গত শনিবার থেকে পবিত্র রমজান মাস শুরু হয়েছে। এবং ১২ এপ্রিল থেকে ইহুদিদের বসন্তকালীন উৎসবও শুরু হবে। তবে মিশরের কায়রোতে গাজায় দ্বিতীয় দফায় যুদ্ধবিরতির আলোচনা এখনও কোনো সমাধানে পৌঁছায়নি। ইসরাইল জানিয়েছে, তারা বর্তমানে চলমান যুদ্ধবিরতির কাঠামো বাড়ানোর চেষ্টা করবে, তবে নতুন শর্তে আলোচনা করতে রাজি নয়।

জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস পরিস্থিতি অত্যন্ত সংকটজনক বলে মন্তব্য করেছেন। গাজার মানবিক পরিস্থিতি ও সহায়তার বিষয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, কারণ যুদ্ধবিরতি না হলে মানবিক সহায়তা প্রদান করা কঠিন হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজায় সাময়িক যুদ্ধবিরতির প্রতি ইসরাইলের সম্মতি, কিন্তু ভবিষ্যত অনিশ্চিত

আপডেট সময় ১২:৩১:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ মার্চ ২০২৫

 

পবিত্র রমজান মাস ও ইহুদিদের বসন্তকালীন উৎসবের (পাসওভার) সময় ফিলিস্তিনের গাজায় সাময়িক যুদ্ধবিরতি কার্যকরের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছে ইসরাইল। রোববার (২ মার্চ) এক বিবৃতিতে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

গত শনিবার (১ মার্চ) গাজা উপত্যকার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর রাফায় ইসরাইলি হামলায় ধ্বংস হওয়া ভবনের পাশে ইফতার করছিলেন ফিলিস্তিনিরা। একই সময়ে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক দূত, স্টিভ উইটকফের পক্ষ থেকে সাময়িক যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেওয়া হয়। এই প্রস্তাবের অংশ হিসেবে, প্রথম দিনে গাজায় আটক অর্ধেক জিম্মি মুক্তির শর্ত রাখা হয়েছে। পরে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি হলে বাকি জিম্মিদের মুক্তি দেওয়ার কথা রয়েছে।

আরও পড়ুন  ইসরাইলের বিরুদ্ধে তদন্ত করলে জাতিসংঘকে নিষেধাজ্ঞা দেবার হুমকি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

তবে হামাসের মুখপাত্র হাজেম কাসেম যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপের সময় বাড়ানোর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি উইটকফের প্রস্তাবের ব্যাপারে সরাসরি কিছু বলেননি। ইসরাইলের পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে, হামাস যদি এই প্রস্তাব মেনে নেয়, তাহলে ইসরাইল তাৎক্ষণিকভাবে আলোচনা শুরু করতে চায়।

এদিকে, গাজাসহ পুরো মধ্যপ্রাচ্যে গত শনিবার থেকে পবিত্র রমজান মাস শুরু হয়েছে। এবং ১২ এপ্রিল থেকে ইহুদিদের বসন্তকালীন উৎসবও শুরু হবে। তবে মিশরের কায়রোতে গাজায় দ্বিতীয় দফায় যুদ্ধবিরতির আলোচনা এখনও কোনো সমাধানে পৌঁছায়নি। ইসরাইল জানিয়েছে, তারা বর্তমানে চলমান যুদ্ধবিরতির কাঠামো বাড়ানোর চেষ্টা করবে, তবে নতুন শর্তে আলোচনা করতে রাজি নয়।

জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস পরিস্থিতি অত্যন্ত সংকটজনক বলে মন্তব্য করেছেন। গাজার মানবিক পরিস্থিতি ও সহায়তার বিষয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, কারণ যুদ্ধবিরতি না হলে মানবিক সহায়তা প্রদান করা কঠিন হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।