ঢাকা ০৮:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

ভারত থেকে এসেছে আরও সাড়ে ১১ হাজার টন চাল, দ্রুত শুরু হচ্ছে খালাস

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:১২:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ মার্চ ২০২৫
  • / 395

ছবি সংগৃহীত

 

চট্টগ্রাম বন্দরে ভারত থেকে আমদানি করা আরও ১১ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল এসে পৌঁছেছে। সোমবার খাদ্য মন্ত্রণালয়ের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, উন্মুক্ত দরপত্রের আওতায় ভারত থেকে আমদানি করা চালবাহী এমভি ডিডিএস মেরিনা জাহাজটি সম্প্রতি চট্টগ্রাম বন্দরে নোঙর করে। এই চাল ভারত থেকে আমদানি করা মোট ৪ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন চালের অংশ, যার মধ্যে ৯টি প্যাকেজে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

আরও পড়ুন  যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ডাক পরিষেবা স্থগিত করল ভারত

এরই মধ্যে আমদানি চুক্তির আওতায় ২ লাখ ৮৫ হাজার ৭৬৯ মেট্রিক টন চাল দেশে এসে পৌঁছেছে। নতুন করে আসা চালের নমুনা পরীক্ষাও সম্পন্ন হয়েছে এবং চাল খালাসের প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু করা হবে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়। এ জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে।

খাদ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং বাজারে চালের সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে সরকার ধারাবাহিকভাবে চাল আমদানি কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজার থেকে প্রতিযোগিতামূলক দামে চাল সংগ্রহ করে দেশের অভ্যন্তরীণ মজুত শক্তিশালী করাই সরকারের মূল লক্ষ্য। জানা গেছে, আমদানিকৃত চালগুলো দেশের বিভিন্ন গুদামে সরবরাহ করা হবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী তা বিভিন্ন কর্মসূচিতে ব্যবহার করা হবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই চাল আমদানির ফলে দেশের চালের বাজারে কিছুটা স্থিতিশীলতা আসবে এবং দর নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করবে। বিশেষ করে রমজান মাসে বাজারে চাপ মোকাবিলায় এই চাল বড় ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন তারা।

খাদ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চাল খালাসের পরপরই দ্রুত দেশের বিভিন্ন স্থানে তা পাঠানো হবে, যাতে মজুত ও সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনো ধরনের বিঘ্ন না ঘটে। সরকার আশা করছে, ধারাবাহিক আমদানির এই উদ্যোগ দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আরও এক ধাপ এগিয়ে নেবে।

বিষয় :

নিউজটি শেয়ার করুন

ভারত থেকে এসেছে আরও সাড়ে ১১ হাজার টন চাল, দ্রুত শুরু হচ্ছে খালাস

আপডেট সময় ০৪:১২:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ মার্চ ২০২৫

 

চট্টগ্রাম বন্দরে ভারত থেকে আমদানি করা আরও ১১ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল এসে পৌঁছেছে। সোমবার খাদ্য মন্ত্রণালয়ের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, উন্মুক্ত দরপত্রের আওতায় ভারত থেকে আমদানি করা চালবাহী এমভি ডিডিএস মেরিনা জাহাজটি সম্প্রতি চট্টগ্রাম বন্দরে নোঙর করে। এই চাল ভারত থেকে আমদানি করা মোট ৪ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন চালের অংশ, যার মধ্যে ৯টি প্যাকেজে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

আরও পড়ুন  ট্রাম্পের সিদ্ধান্তে বিপাকে পড়তে যাচ্ছে ভারত

এরই মধ্যে আমদানি চুক্তির আওতায় ২ লাখ ৮৫ হাজার ৭৬৯ মেট্রিক টন চাল দেশে এসে পৌঁছেছে। নতুন করে আসা চালের নমুনা পরীক্ষাও সম্পন্ন হয়েছে এবং চাল খালাসের প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু করা হবে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়। এ জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে।

খাদ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং বাজারে চালের সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে সরকার ধারাবাহিকভাবে চাল আমদানি কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজার থেকে প্রতিযোগিতামূলক দামে চাল সংগ্রহ করে দেশের অভ্যন্তরীণ মজুত শক্তিশালী করাই সরকারের মূল লক্ষ্য। জানা গেছে, আমদানিকৃত চালগুলো দেশের বিভিন্ন গুদামে সরবরাহ করা হবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী তা বিভিন্ন কর্মসূচিতে ব্যবহার করা হবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই চাল আমদানির ফলে দেশের চালের বাজারে কিছুটা স্থিতিশীলতা আসবে এবং দর নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করবে। বিশেষ করে রমজান মাসে বাজারে চাপ মোকাবিলায় এই চাল বড় ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন তারা।

খাদ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চাল খালাসের পরপরই দ্রুত দেশের বিভিন্ন স্থানে তা পাঠানো হবে, যাতে মজুত ও সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনো ধরনের বিঘ্ন না ঘটে। সরকার আশা করছে, ধারাবাহিক আমদানির এই উদ্যোগ দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আরও এক ধাপ এগিয়ে নেবে।