ঢাকা ০৩:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
ইশরাকের পদত্যাগের খবর ভিত্তিহীন, দাবি প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরের বক্স অফিসে ‘জেলার ২’-এর ঝড় আগারগাঁওয়ে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফিলিস্তিনিদের জলপাই চুরির পক্ষে ইসরাইলি রাব্বির ফতোয়া ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটের সুদিন ফেরাতে আর্থিক সহায়তার জোরালো দাবি স্যামির আইয়ুব বাচ্চুর প্রয়াণ দিবসে তাঁকে উৎসর্গ করে কন্সট্যান্টের ‘শেষ বিকেল’ সাজেক ফেরার পথে চাঁদের গাড়ি উল্টে দুর্ঘটনা, আহত ৭ ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে মুম্বাইয়ে তলব করলেন রুবিও, চরম বিতর্কে মোদি সরকার ইরানের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী আখলাকিকে নিয়োগ দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদি রাষ্ট্রদূতকে তলব

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ডাক পরিষেবা স্থগিত করল ভারত

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৩২:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৫
  • / 1098

ছবি সংগৃহীত

 

 

রুশ তেল ক্রয় এবং বাণিজ্য শুল্ক নিয়ে চলমান টানাপোড়েনের মাঝে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ডাক পরিষেবা স্থগিত করছে ভারত। আগামী ২৫ আগস্ট থেকে বন্ধ থাকবে যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মধ্যে এই পরিষেবা।

আরও পড়ুন  যুদ্ধসহ যেকোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত ইরান, যুক্তরাষ্ট্রকে বার্তায় আব্বাস আরাগচি

ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সূত্রে জানা গেছে, এই স্থগিতাদেশ সাময়িক। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে শিগগিরই এই পরিষেবা পুনরায় চালু করতে চায় নয়াদিল্লি।

প্রসঙ্গত, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার আগে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ভারতীয় পণ্যের ওপর শুল্ক ছিল ১৫ শতাংশ এবং ৮০০ ডলার পর্যন্ত মূল্যমানের পণ্যের ক্ষেত্রে শুল্ক ছাড় ছিল। ডাকযোগে পণ্য পাঠানোর ক্ষেত্রেও বড় আকারের ছাড় ছিল।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে প্রেসিডেন্ট পদে আসার পর, মার্চে ট্রাম্প ভারতের ওপর নির্ধারিত শুল্ক ১০ শতাংশ বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করেন, তবে ডাকযোগে পাঠানো পণ্যের ওপর ছাড় বাতিল করেননি।

এরপর রাশিয়া থেকে তেল ক্রয় এবং পাকিস্তানের সঙ্গে সংঘাত বন্ধে ট্রাম্পের অবদান স্বীকার না করায় জুলাই থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মধ্যে টানাপোড়েন শুরু হয়। এর জেরে ৬ আগস্ট ভারতের ওপর ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক চাপানো হয়, ফলে ভারতের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নির্ধারিত শুল্ক ৫০ শতাংশ হয়ে যায়। ডাক পরিষেবার ক্ষেত্রেও ছাড় কমানো হয়।
এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্রের কাস্টমস কর্তৃপক্ষের নথিতে যেসব ভারতীয় ডাক-বিমান পরিষেবা প্রতিষ্ঠানের নাম উল্লেখ রয়েছে, কেবল তাদের মালবাহী উড়োজাহাজ যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবে। এর ফলে ভারতের কিছু ডাক-বিমান পরিষেবা সংস্থা সমস্যায় পড়ে এবং কেন্দ্রীয় সরকারকে জানায়, এটির সমাধান না হলে তারা যুক্তরাষ্ট্রের অপারেশন পরিচালনা করতে পারবে না।

ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা এনডিটিভিকে জানিয়েছেন, “গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার জন্য আমরা দুঃখিত। সম্প্রতি যেসব জটিলতা দেখা দিয়েছে, সেগুলো সমাধানের জন্য ভারত চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আমরা আশা করছি যে শিগগিরই এসব জটিলতার মীমাংসা হবে।”

নিউজটি শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ডাক পরিষেবা স্থগিত করল ভারত

আপডেট সময় ১২:৩২:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৫

 

 

রুশ তেল ক্রয় এবং বাণিজ্য শুল্ক নিয়ে চলমান টানাপোড়েনের মাঝে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ডাক পরিষেবা স্থগিত করছে ভারত। আগামী ২৫ আগস্ট থেকে বন্ধ থাকবে যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মধ্যে এই পরিষেবা।

আরও পড়ুন  ইরানের ৩০টি জ্বালানি ডিপোতে ইসরায়েলের হামলায় অসন্তোষ যুক্তরাষ্ট্রের: দাবি মার্কিন গণমাধ্যমের

ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সূত্রে জানা গেছে, এই স্থগিতাদেশ সাময়িক। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে শিগগিরই এই পরিষেবা পুনরায় চালু করতে চায় নয়াদিল্লি।

প্রসঙ্গত, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার আগে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ভারতীয় পণ্যের ওপর শুল্ক ছিল ১৫ শতাংশ এবং ৮০০ ডলার পর্যন্ত মূল্যমানের পণ্যের ক্ষেত্রে শুল্ক ছাড় ছিল। ডাকযোগে পণ্য পাঠানোর ক্ষেত্রেও বড় আকারের ছাড় ছিল।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে প্রেসিডেন্ট পদে আসার পর, মার্চে ট্রাম্প ভারতের ওপর নির্ধারিত শুল্ক ১০ শতাংশ বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করেন, তবে ডাকযোগে পাঠানো পণ্যের ওপর ছাড় বাতিল করেননি।

এরপর রাশিয়া থেকে তেল ক্রয় এবং পাকিস্তানের সঙ্গে সংঘাত বন্ধে ট্রাম্পের অবদান স্বীকার না করায় জুলাই থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মধ্যে টানাপোড়েন শুরু হয়। এর জেরে ৬ আগস্ট ভারতের ওপর ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক চাপানো হয়, ফলে ভারতের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নির্ধারিত শুল্ক ৫০ শতাংশ হয়ে যায়। ডাক পরিষেবার ক্ষেত্রেও ছাড় কমানো হয়।
এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্রের কাস্টমস কর্তৃপক্ষের নথিতে যেসব ভারতীয় ডাক-বিমান পরিষেবা প্রতিষ্ঠানের নাম উল্লেখ রয়েছে, কেবল তাদের মালবাহী উড়োজাহাজ যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবে। এর ফলে ভারতের কিছু ডাক-বিমান পরিষেবা সংস্থা সমস্যায় পড়ে এবং কেন্দ্রীয় সরকারকে জানায়, এটির সমাধান না হলে তারা যুক্তরাষ্ট্রের অপারেশন পরিচালনা করতে পারবে না।

ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা এনডিটিভিকে জানিয়েছেন, “গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার জন্য আমরা দুঃখিত। সম্প্রতি যেসব জটিলতা দেখা দিয়েছে, সেগুলো সমাধানের জন্য ভারত চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আমরা আশা করছি যে শিগগিরই এসব জটিলতার মীমাংসা হবে।”