মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার
- আপডেট সময় ১১:৪৭:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
- / 30
যুগপৎ আন্দোলনের শরিক রাজনৈতিক দল ও জোটগুলোর সঙ্গে সরকার গঠনের পাঁচ মাস পর প্রথমবারের মতো নৈশভোজ ও শুভেচ্ছা বিনিময়ে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তিনি রাজনৈতিক মিত্রদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং রাষ্ট্র সংস্কারে ‘৩১ দফা’ ও ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
সোমবার (২০ জুলাই) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানের পর সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, দীর্ঘ ১৫ থেকে ১৬ বছরের আন্দোলনের সহযোদ্ধাদের এই মিলন দেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা ও রাষ্ট্র সংস্কারের নতুন অধ্যায়ের সূচনা।
ব্রিফিংয়ের শুরুতে তিনি জুলাই ২০২৪-এর ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। মির্জা ফখরুল বলেন, তাদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়েই দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরে আনার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। একই সঙ্গে আন্দোলনে আহত ও পঙ্গুত্ববরণকারীদের অবদানও জাতি স্মরণে রাখবে বলে উল্লেখ করেন।
তিনি জানান, বৈঠকে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, সরকারের পাঁচ মাসের কার্যক্রম এবং রাষ্ট্র সংস্কারে ‘৩১ দফা’ ও ‘জুলাই সনদ’ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকারের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।
মিত্র দলগুলোর ভূমিকার প্রশংসা করে মির্জা ফখরুল বলেন, দীর্ঘদিনের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে যারা ত্যাগ স্বীকার করেছেন, কারাবরণ করেছেন কিংবা গুম ও হত্যার শিকার হয়েছেন, দেশ ও জাতি তাদের অবদান স্মরণে রাখবে।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন ও দলীয় মনোনয়ন বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ বিষয়ে এখনো শরিক দলগুলোর সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান আইনে দলীয়ভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন করার সুযোগ নেই। তবে ভবিষ্যতে প্রয়োজনীয় বিষয়ে পারস্পরিক আলোচনার ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
মির্জা ফখরুল আরও বলেন, আগামী দিনেও সব রাজনৈতিক দলকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ গড়ার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
বৈঠকসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে ৪১টি রাজনৈতিক দলের ১৮৪ জন প্রতিনিধি অংশ নেন। তবে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) এবং জমিয়তে ইসলাম অনুষ্ঠানে অংশ নেয়নি।
























