ঢাকা ০১:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ড

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৫৭:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬
  • / 68

ছবি: সংগৃহীত

জামালপুরের বকশীগঞ্জে এক গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় সাতজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে দণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড করা হয়েছে। মামলার অপর এক আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে জামালপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক আব্দুর রহিম এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন পাপ্পু, বিজু, বাদশা, জুয়েল, আশরাফুল, জসিম ও আসমত। খালাস পাওয়া আসামি ইদ্রিস আলী। তারা সবাই জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা।

আরও পড়ুন  ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার: রাজবাড়ীর জনগণের মধ্যে স্বস্তি

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফজলুল হক জানান, মামলার এজাহারে উল্লেখ আছে, ২০২৫ সালের ২৫ মে রাত ১২টার দিকে ভুক্তভোগী গৃহবধূ শেরপুর জেলার ঝগড়ারচর বাজার থেকে ইদ্রিস আলীর ইজিবাইকে করে বকশীগঞ্জের জানকিপুর এলাকায় তার ভাড়া বাসায় ফিরছিলেন। পথে গাড়ি থামিয়ে তাকে একটি ভ্যানে তুলে নেওয়া হয়। পরে বকশীগঞ্জের নিলক্ষিয়া উত্তরপাড়ায় একটি পরিত্যক্ত রান্নাঘরে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ করা হয়।

ঘটনার পরদিন ভুক্তভোগী বকশীগঞ্জ থানায় ছয়জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও তিন থেকে চারজনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আরও জানান, তদন্ত শেষে চলতি বছরের ১৫ এপ্রিল তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলায় নয়জন সাক্ষীর মধ্যে ছয়জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত এ রায় প্রদান করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় ০৪:৫৭:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

জামালপুরের বকশীগঞ্জে এক গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় সাতজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে দণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড করা হয়েছে। মামলার অপর এক আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে জামালপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক আব্দুর রহিম এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন পাপ্পু, বিজু, বাদশা, জুয়েল, আশরাফুল, জসিম ও আসমত। খালাস পাওয়া আসামি ইদ্রিস আলী। তারা সবাই জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা।

আরও পড়ুন  গৃহবধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণের দায়ে ৩ আসামির মৃত্যুদণ্ড

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফজলুল হক জানান, মামলার এজাহারে উল্লেখ আছে, ২০২৫ সালের ২৫ মে রাত ১২টার দিকে ভুক্তভোগী গৃহবধূ শেরপুর জেলার ঝগড়ারচর বাজার থেকে ইদ্রিস আলীর ইজিবাইকে করে বকশীগঞ্জের জানকিপুর এলাকায় তার ভাড়া বাসায় ফিরছিলেন। পথে গাড়ি থামিয়ে তাকে একটি ভ্যানে তুলে নেওয়া হয়। পরে বকশীগঞ্জের নিলক্ষিয়া উত্তরপাড়ায় একটি পরিত্যক্ত রান্নাঘরে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ করা হয়।

ঘটনার পরদিন ভুক্তভোগী বকশীগঞ্জ থানায় ছয়জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও তিন থেকে চারজনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আরও জানান, তদন্ত শেষে চলতি বছরের ১৫ এপ্রিল তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলায় নয়জন সাক্ষীর মধ্যে ছয়জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত এ রায় প্রদান করেন।