ঢাকা ০৮:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

জুলাই অভ্যুত্থান: দায়মুক্তি দিয়ে অধ্যাদেশ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:৫১:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 950

ছবি: সংগৃহীত

 

জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের আইনি সুরক্ষা দিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একটি অধ্যাদেশ জারি করেছে। এতে আন্দোলনের কারণে দায়ের হওয়া সব দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা প্রত্যাহার এবং নতুন মামলা দায়ের নিষিদ্ধ করার বিধান রাখা হয়েছে।

সোমবার জারি করা ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ’-এ বলা হয়েছে, আন্দোলনের সময় হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ থাকলে তা তদন্ত করবে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। তবে তদন্তে যদি ঘটনাকে ‘রাজনৈতিক প্রতিরোধের’ অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, তাহলে বিচার নয়, ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা থাকবে।

আরও পড়ুন  ১৪তম দিনে অধ্যাদেশ বাতিলের দাবিতে সচিবালয়ে কর্মচারীদের বিক্ষোভ অব্যাহত

অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, সংকীর্ণ ও ব্যক্তিগত স্বার্থে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড হলে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে এবং আদালতে প্রতিবেদন পাঠানো যাবে। আর গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে সংঘটিত প্রতিরোধমূলক কর্মকাণ্ডকে রাজনৈতিক প্রতিরোধ হিসেবে ধরা হবে।
এই অধ্যাদেশ ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর বলে গণ্য হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

জুলাই অভ্যুত্থান: দায়মুক্তি দিয়ে অধ্যাদেশ

আপডেট সময় ০৮:৫১:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

 

জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের আইনি সুরক্ষা দিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একটি অধ্যাদেশ জারি করেছে। এতে আন্দোলনের কারণে দায়ের হওয়া সব দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা প্রত্যাহার এবং নতুন মামলা দায়ের নিষিদ্ধ করার বিধান রাখা হয়েছে।

সোমবার জারি করা ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ’-এ বলা হয়েছে, আন্দোলনের সময় হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ থাকলে তা তদন্ত করবে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। তবে তদন্তে যদি ঘটনাকে ‘রাজনৈতিক প্রতিরোধের’ অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, তাহলে বিচার নয়, ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা থাকবে।

আরও পড়ুন  জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোট অধ্যাদেশের বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টের রুল

অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, সংকীর্ণ ও ব্যক্তিগত স্বার্থে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড হলে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে এবং আদালতে প্রতিবেদন পাঠানো যাবে। আর গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে সংঘটিত প্রতিরোধমূলক কর্মকাণ্ডকে রাজনৈতিক প্রতিরোধ হিসেবে ধরা হবে।
এই অধ্যাদেশ ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর বলে গণ্য হবে।