ঢাকা ০৭:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
নরসিংদীতে ছুরিকাঘাতে পিতাকে হত্যা, অভিযুক্ত ছেলে পলাতক নিখোঁজের চার দিন পর খালে বৃদ্ধার মরদেহ মাদক মামলার বিচার দ্রুত করতে ২২ ট্রাইব্যুনাল গঠন আমাদের বোমায় নারী-শিশু নিহত হচ্ছে, ট্রাম্পের সমালোচনায় মার্কিন কংগ্রেস সদস্য জনস্বার্থের প্রকল্পে নতুন অর্থের উৎস খুঁজছে সরকার: অর্থমন্ত্রী গ্যাস-বিদ্যুৎ নিয়ে পরামর্শ দিন, রাজপথে হুমকি নয়: রিজভী ‘যৌনাঙ্গ চুরি’র গুজবে আফ্রিকায় ৮০ জনের বেশি নিহত সাংবাদিকদের স্বাধীনতা নিশ্চিত করছে সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী ধর্মঘট প্রত্যাহার ভারতীয়দের, শনিবার থেকে হিলি বন্দরে বাণিজ্য শুরু জেন-জিদের পর এবার শিক্ষা সংস্কারের দাবিতে ভারতে জেন-আলফার বিক্ষোভ

জুলাই অভ্যুত্থান: দায়মুক্তি দিয়ে অধ্যাদেশ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:৫১:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 2113

ছবি: সংগৃহীত

 

জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের আইনি সুরক্ষা দিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একটি অধ্যাদেশ জারি করেছে। এতে আন্দোলনের কারণে দায়ের হওয়া সব দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা প্রত্যাহার এবং নতুন মামলা দায়ের নিষিদ্ধ করার বিধান রাখা হয়েছে।

সোমবার জারি করা ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ’-এ বলা হয়েছে, আন্দোলনের সময় হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ থাকলে তা তদন্ত করবে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। তবে তদন্তে যদি ঘটনাকে ‘রাজনৈতিক প্রতিরোধের’ অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, তাহলে বিচার নয়, ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা থাকবে।

আরও পড়ুন  জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ হয়েছে ১১ জন মেয়ে ও ১৩৫ জন শিশু: শারমিন মুরশিদ

অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, সংকীর্ণ ও ব্যক্তিগত স্বার্থে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড হলে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে এবং আদালতে প্রতিবেদন পাঠানো যাবে। আর গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে সংঘটিত প্রতিরোধমূলক কর্মকাণ্ডকে রাজনৈতিক প্রতিরোধ হিসেবে ধরা হবে।
এই অধ্যাদেশ ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর বলে গণ্য হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

জুলাই অভ্যুত্থান: দায়মুক্তি দিয়ে অধ্যাদেশ

আপডেট সময় ০৮:৫১:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

 

জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের আইনি সুরক্ষা দিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একটি অধ্যাদেশ জারি করেছে। এতে আন্দোলনের কারণে দায়ের হওয়া সব দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা প্রত্যাহার এবং নতুন মামলা দায়ের নিষিদ্ধ করার বিধান রাখা হয়েছে।

সোমবার জারি করা ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ’-এ বলা হয়েছে, আন্দোলনের সময় হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ থাকলে তা তদন্ত করবে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। তবে তদন্তে যদি ঘটনাকে ‘রাজনৈতিক প্রতিরোধের’ অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, তাহলে বিচার নয়, ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা থাকবে।

আরও পড়ুন  ১৩৩ অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাই শেষ: সংসদে উঠছে না ‘গণভোট অধ্যাদেশ’, জামায়াতের তীব্র আপত্তি

অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, সংকীর্ণ ও ব্যক্তিগত স্বার্থে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড হলে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে এবং আদালতে প্রতিবেদন পাঠানো যাবে। আর গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে সংঘটিত প্রতিরোধমূলক কর্মকাণ্ডকে রাজনৈতিক প্রতিরোধ হিসেবে ধরা হবে।
এই অধ্যাদেশ ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর বলে গণ্য হবে।