ঢাকা ০২:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

ড. ইউনূসের চীন যাত্রায় আসতে পারে বড় ঘোষণা, সফরে চুক্তি নয়, হবে এমওইউ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৩৯:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ মার্চ ২০২৫
  • / 302

ছবি সংগৃহীত

 

 

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আসন্ন চীন সফর ঘিরে কূটনৈতিক মহলে বাড়ছে উত্তেজনা। চীনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন ইঙ্গিত দিয়েছেন, এই সফরে গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা আসতে পারে, যা দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের ইতিবাচক উন্নতি, ভারত নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া

গতকাল রাজধানীর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেনের (মূল খবরে জসীম উদ্দিন বলা হয়েছে, সম্ভবত ভুলবশত) সঙ্গে প্রায় দুই ঘণ্টার বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই মন্তব্য করেন চীনের রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, “প্রধান উপদেষ্টার সফর নিয়ে আমরা ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছি। এটি একটি মাইলফলক সফর হবে। অপেক্ষা করুন, চমক আসছে।”

২৬ মার্চ শুরু হচ্ছে চার দিনের এই রাষ্ট্রীয় সফর। প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই হবে ড. ইউনূসের প্রথম চীন সফর, যার দিকে নজর রাখছে আন্তর্জাতিক মহল, বিশেষ করে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র।

এদিকে, বিকেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। তিনি জানান, এই সফরে কোনো চুক্তি নয়, বরং কয়েকটি সমঝোতা স্মারক (MoU) সই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি বলেন, “চীনের গ্লোবাল ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভে (GDI) যুক্ত হওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে, তবে সফরেই চূড়ান্ত চুক্তি হবে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়।”

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও জানান, থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠেয় বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে ড. ইউনূসের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সম্ভাব্য বৈঠক নিয়ে এখনো দিল্লির পক্ষ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, এই সফর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির নতুন দিক উন্মোচন করতে পারে। বিশেষ করে বর্তমান ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ানো কৌশলগত দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

চীন সফর নিয়ে জনমনে যেমন কৌতূহল, তেমনি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও বাড়ছে আগ্রহ চমক আসবে কিনা, তার অপেক্ষায় এখন সবাই।

নিউজটি শেয়ার করুন

ড. ইউনূসের চীন যাত্রায় আসতে পারে বড় ঘোষণা, সফরে চুক্তি নয়, হবে এমওইউ

আপডেট সময় ১২:৩৯:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ মার্চ ২০২৫

 

 

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আসন্ন চীন সফর ঘিরে কূটনৈতিক মহলে বাড়ছে উত্তেজনা। চীনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন ইঙ্গিত দিয়েছেন, এই সফরে গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা আসতে পারে, যা দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।

আরও পড়ুন  চীনের পারমাণবিক শক্তি বৃদ্ধি, ২০৩০ সালের মধ্যে ১,০০০+ ওয়ারহেডের সম্ভাবনা

গতকাল রাজধানীর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেনের (মূল খবরে জসীম উদ্দিন বলা হয়েছে, সম্ভবত ভুলবশত) সঙ্গে প্রায় দুই ঘণ্টার বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই মন্তব্য করেন চীনের রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, “প্রধান উপদেষ্টার সফর নিয়ে আমরা ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছি। এটি একটি মাইলফলক সফর হবে। অপেক্ষা করুন, চমক আসছে।”

২৬ মার্চ শুরু হচ্ছে চার দিনের এই রাষ্ট্রীয় সফর। প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই হবে ড. ইউনূসের প্রথম চীন সফর, যার দিকে নজর রাখছে আন্তর্জাতিক মহল, বিশেষ করে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র।

এদিকে, বিকেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। তিনি জানান, এই সফরে কোনো চুক্তি নয়, বরং কয়েকটি সমঝোতা স্মারক (MoU) সই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি বলেন, “চীনের গ্লোবাল ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভে (GDI) যুক্ত হওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে, তবে সফরেই চূড়ান্ত চুক্তি হবে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়।”

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও জানান, থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠেয় বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে ড. ইউনূসের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সম্ভাব্য বৈঠক নিয়ে এখনো দিল্লির পক্ষ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, এই সফর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির নতুন দিক উন্মোচন করতে পারে। বিশেষ করে বর্তমান ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ানো কৌশলগত দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

চীন সফর নিয়ে জনমনে যেমন কৌতূহল, তেমনি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও বাড়ছে আগ্রহ চমক আসবে কিনা, তার অপেক্ষায় এখন সবাই।