ঢাকা ১১:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

দেশে মজুত গ্যাসে চলবে আরও ১২ বছর, সংসদে জ্বালানিমন্ত্রীর তথ্য

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:১১:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
  • / 169

ছবি সংগৃহীত

 

দেশে বর্তমানে যে পরিমাণ উত্তোলনযোগ্য গ্যাস মজুত রয়েছে, তা দিয়ে আগামী ১২ বছর পর্যন্ত জাতীয় চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। আজ রোববার (১৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে বগুড়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোশারফ হোসেনের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই তথ্য জানান।

সংসদে পেশ করা পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে মোট উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের প্রাথমিক মজুত ছিল ২৯.৭৪ ট্রিলিয়ন ঘনফুট। এর মধ্যে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ২২.১১ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস ইতোমধ্যে উত্তোলন করা হয়েছে। ফলে ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি পর্যন্ত দেশে অবশিষ্ট গ্যাসের নিট মজুতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭.৬৩ ট্রিলিয়ন ঘনফুট।

আরও পড়ুন  মানিকগঞ্জ-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এবিএম আনোয়ারুল হক আর নেই

মন্ত্রী জানান, যদি নতুন কোনো গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত না হয় এবং বর্তমান হারে (দৈনিক প্রায় ১৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট) গ্যাস সরবরাহ অব্যাহত থাকে, তবে এই অবশিষ্ট মজুত দিয়ে আনুমানিক ১২ বছর পর্যন্ত সরবরাহ বজায় রাখা সম্ভব হবে।

গ্যাস সংকট মোকাবিলা ও নতুন মজুত সন্ধানে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ তুলে ধরে জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, পেট্রোবাংলার মহাপরিকল্পনার আওতায় ১০০টি নতুন কূপ খননের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ইতোমধ্যে ২৬টি কূপের খনন ও ‘ওয়ার্কওভার’ কাজ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং বাকিগুলোর কাজ বিভিন্ন পর্যায়ে চলমান রয়েছে।

অনুসন্ধান কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বাপেক্সের মাধ্যমে ব্লক-৭ ও ৯ এলাকায় ৩৬০০ কিলোমিটারজুড়ে ২ডি সাইসমিক জরিপের তথ্য সংগ্রহের কাজ শেষ হয়েছে। বর্তমানে এই তথ্যগুলো প্রক্রিয়াকরণ করা হচ্ছে। এছাড়া বিজিএফসিএল-এর মাধ্যমে হবিগঞ্জ, বাখরাবাদ ও মেঘনা গ্যাসক্ষেত্রে ১৪৫০ বর্গকিলোমিটার এলাকায় ৩ডি সাইসমিক জরিপ শুরুর প্রস্তুতি চলছে। দেশের অন্যান্য এলাকাতেও বাপেক্স ও এসজিএফএল-এর মাধ্যমে বড় পরিসরে ৩ডি সাইসমিক জরিপ সম্পাদনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে বলে মন্ত্রী সংসদকে অবহিত করেন।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

দেশে মজুত গ্যাসে চলবে আরও ১২ বছর, সংসদে জ্বালানিমন্ত্রীর তথ্য

আপডেট সময় ০৭:১১:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

 

দেশে বর্তমানে যে পরিমাণ উত্তোলনযোগ্য গ্যাস মজুত রয়েছে, তা দিয়ে আগামী ১২ বছর পর্যন্ত জাতীয় চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। আজ রোববার (১৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে বগুড়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোশারফ হোসেনের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই তথ্য জানান।

সংসদে পেশ করা পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে মোট উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের প্রাথমিক মজুত ছিল ২৯.৭৪ ট্রিলিয়ন ঘনফুট। এর মধ্যে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ২২.১১ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস ইতোমধ্যে উত্তোলন করা হয়েছে। ফলে ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি পর্যন্ত দেশে অবশিষ্ট গ্যাসের নিট মজুতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭.৬৩ ট্রিলিয়ন ঘনফুট।

আরও পড়ুন  আজই গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হবে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

মন্ত্রী জানান, যদি নতুন কোনো গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত না হয় এবং বর্তমান হারে (দৈনিক প্রায় ১৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট) গ্যাস সরবরাহ অব্যাহত থাকে, তবে এই অবশিষ্ট মজুত দিয়ে আনুমানিক ১২ বছর পর্যন্ত সরবরাহ বজায় রাখা সম্ভব হবে।

গ্যাস সংকট মোকাবিলা ও নতুন মজুত সন্ধানে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ তুলে ধরে জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, পেট্রোবাংলার মহাপরিকল্পনার আওতায় ১০০টি নতুন কূপ খননের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ইতোমধ্যে ২৬টি কূপের খনন ও ‘ওয়ার্কওভার’ কাজ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং বাকিগুলোর কাজ বিভিন্ন পর্যায়ে চলমান রয়েছে।

অনুসন্ধান কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বাপেক্সের মাধ্যমে ব্লক-৭ ও ৯ এলাকায় ৩৬০০ কিলোমিটারজুড়ে ২ডি সাইসমিক জরিপের তথ্য সংগ্রহের কাজ শেষ হয়েছে। বর্তমানে এই তথ্যগুলো প্রক্রিয়াকরণ করা হচ্ছে। এছাড়া বিজিএফসিএল-এর মাধ্যমে হবিগঞ্জ, বাখরাবাদ ও মেঘনা গ্যাসক্ষেত্রে ১৪৫০ বর্গকিলোমিটার এলাকায় ৩ডি সাইসমিক জরিপ শুরুর প্রস্তুতি চলছে। দেশের অন্যান্য এলাকাতেও বাপেক্স ও এসজিএফএল-এর মাধ্যমে বড় পরিসরে ৩ডি সাইসমিক জরিপ সম্পাদনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে বলে মন্ত্রী সংসদকে অবহিত করেন।