ঢাকা ০৪:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

দেশে মজুত গ্যাসে চলবে আরও ১২ বছর, সংসদে জ্বালানিমন্ত্রীর তথ্য

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:১১:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
  • / 98

ছবি সংগৃহীত

 

দেশে বর্তমানে যে পরিমাণ উত্তোলনযোগ্য গ্যাস মজুত রয়েছে, তা দিয়ে আগামী ১২ বছর পর্যন্ত জাতীয় চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। আজ রোববার (১৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে বগুড়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোশারফ হোসেনের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই তথ্য জানান।

সংসদে পেশ করা পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে মোট উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের প্রাথমিক মজুত ছিল ২৯.৭৪ ট্রিলিয়ন ঘনফুট। এর মধ্যে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ২২.১১ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস ইতোমধ্যে উত্তোলন করা হয়েছে। ফলে ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি পর্যন্ত দেশে অবশিষ্ট গ্যাসের নিট মজুতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭.৬৩ ট্রিলিয়ন ঘনফুট।

আরও পড়ুন  ফাঁসির মঞ্চ থেকে সংসদে যাচ্ছেন যে তিনজন

মন্ত্রী জানান, যদি নতুন কোনো গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত না হয় এবং বর্তমান হারে (দৈনিক প্রায় ১৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট) গ্যাস সরবরাহ অব্যাহত থাকে, তবে এই অবশিষ্ট মজুত দিয়ে আনুমানিক ১২ বছর পর্যন্ত সরবরাহ বজায় রাখা সম্ভব হবে।

গ্যাস সংকট মোকাবিলা ও নতুন মজুত সন্ধানে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ তুলে ধরে জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, পেট্রোবাংলার মহাপরিকল্পনার আওতায় ১০০টি নতুন কূপ খননের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ইতোমধ্যে ২৬টি কূপের খনন ও ‘ওয়ার্কওভার’ কাজ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং বাকিগুলোর কাজ বিভিন্ন পর্যায়ে চলমান রয়েছে।

অনুসন্ধান কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বাপেক্সের মাধ্যমে ব্লক-৭ ও ৯ এলাকায় ৩৬০০ কিলোমিটারজুড়ে ২ডি সাইসমিক জরিপের তথ্য সংগ্রহের কাজ শেষ হয়েছে। বর্তমানে এই তথ্যগুলো প্রক্রিয়াকরণ করা হচ্ছে। এছাড়া বিজিএফসিএল-এর মাধ্যমে হবিগঞ্জ, বাখরাবাদ ও মেঘনা গ্যাসক্ষেত্রে ১৪৫০ বর্গকিলোমিটার এলাকায় ৩ডি সাইসমিক জরিপ শুরুর প্রস্তুতি চলছে। দেশের অন্যান্য এলাকাতেও বাপেক্স ও এসজিএফএল-এর মাধ্যমে বড় পরিসরে ৩ডি সাইসমিক জরিপ সম্পাদনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে বলে মন্ত্রী সংসদকে অবহিত করেন।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

দেশে মজুত গ্যাসে চলবে আরও ১২ বছর, সংসদে জ্বালানিমন্ত্রীর তথ্য

আপডেট সময় ০৭:১১:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

 

দেশে বর্তমানে যে পরিমাণ উত্তোলনযোগ্য গ্যাস মজুত রয়েছে, তা দিয়ে আগামী ১২ বছর পর্যন্ত জাতীয় চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। আজ রোববার (১৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে বগুড়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোশারফ হোসেনের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই তথ্য জানান।

সংসদে পেশ করা পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে মোট উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের প্রাথমিক মজুত ছিল ২৯.৭৪ ট্রিলিয়ন ঘনফুট। এর মধ্যে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ২২.১১ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস ইতোমধ্যে উত্তোলন করা হয়েছে। ফলে ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি পর্যন্ত দেশে অবশিষ্ট গ্যাসের নিট মজুতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭.৬৩ ট্রিলিয়ন ঘনফুট।

আরও পড়ুন  নির্বাচনের মধ্য দিয়ে গণতন্ত্রের পথে অগ্রযাত্রা: সিইসি

মন্ত্রী জানান, যদি নতুন কোনো গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত না হয় এবং বর্তমান হারে (দৈনিক প্রায় ১৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট) গ্যাস সরবরাহ অব্যাহত থাকে, তবে এই অবশিষ্ট মজুত দিয়ে আনুমানিক ১২ বছর পর্যন্ত সরবরাহ বজায় রাখা সম্ভব হবে।

গ্যাস সংকট মোকাবিলা ও নতুন মজুত সন্ধানে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ তুলে ধরে জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, পেট্রোবাংলার মহাপরিকল্পনার আওতায় ১০০টি নতুন কূপ খননের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ইতোমধ্যে ২৬টি কূপের খনন ও ‘ওয়ার্কওভার’ কাজ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং বাকিগুলোর কাজ বিভিন্ন পর্যায়ে চলমান রয়েছে।

অনুসন্ধান কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বাপেক্সের মাধ্যমে ব্লক-৭ ও ৯ এলাকায় ৩৬০০ কিলোমিটারজুড়ে ২ডি সাইসমিক জরিপের তথ্য সংগ্রহের কাজ শেষ হয়েছে। বর্তমানে এই তথ্যগুলো প্রক্রিয়াকরণ করা হচ্ছে। এছাড়া বিজিএফসিএল-এর মাধ্যমে হবিগঞ্জ, বাখরাবাদ ও মেঘনা গ্যাসক্ষেত্রে ১৪৫০ বর্গকিলোমিটার এলাকায় ৩ডি সাইসমিক জরিপ শুরুর প্রস্তুতি চলছে। দেশের অন্যান্য এলাকাতেও বাপেক্স ও এসজিএফএল-এর মাধ্যমে বড় পরিসরে ৩ডি সাইসমিক জরিপ সম্পাদনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে বলে মন্ত্রী সংসদকে অবহিত করেন।