ঢাকা ০৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ

‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:৩১:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
  • / 16

ছবি: সংগৃহীত

ভারতের রাজধানী দিল্লিতে সিজেপির অভিযান ঘিরে রণক্ষেত্র। ভারতের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় অনিয়মের প্রতিবাদে ও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বিক্ষোভ।

‎আন্দোলনকারীরা সংসদ অভিমুখে যাত্রা শুরু করায় দেশটির রাজধানী দিল্লি রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। সংসদের অধিবেশন চলাকালেই নিরাপত্তার বলয় ভেঙে বিক্ষোভকারীরা সংসদ ভবনের মূল ফটকের বাইরে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন।

‎ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদির উপস্থিতিতেই বাইরে শুরু হয় তুলকালাম কাণ্ড। বাইরের উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে একপর্যায়ে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তড়িঘড়ি করে সংসদ ভবন ত্যাগ করেন।

‎সোমবার (২০ জুলাই) হিন্দুস্তান টাইম বাংলার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য দেওয়া হয়।

‎সকল ধরনের ব্যারিকেড ভেঙে সংসদের কাছে ককরোচ জনতা পার্টি ‘সিজেপি’

‎প্রতিবেদনে বলা হয়, সকাল থেকেই সংসদ চত্বরের আশপাশে ব্যারিকেড বসিয়ে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করে পুলিশ।
‎তবে বিক্ষোভকারীরা সব ব্যারিকেড ভেঙে সংসদের দিকে এগোনোর চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে আন্দোলনকারী ও পুলিশের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে, এতে কয়েকজন আন্দোলনকারী ও পুলিশ আহত হন।

‎তারপর মুহূর্তের মাঝে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে মধ্য দিল্লির শাস্ত্রীয় ভবন, রেল ভবন, কনস্টিটিউশন ক্লাব এবং রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার সামনে। তাছাড়া রেল ভবনের সামনে উত্তেজনা চলার পর অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করে আন্দোলনকারীদের থামিয়ে দেওয়া হয়।

‎প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে নিরাপত্তার স্বার্থে সংসদের দক্ষিণ দিকের প্রধান যানবাহন প্রবেশপথ সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হয়। যার কারণে মধ্য দিল্লির একাধিক রাস্তায় মাইলের পর মাইল তীব্র যানজট তৈরি হয়। এতে লাখো সাধারণ যাত্রী চরম ভোগান্তিতে পড়েন।

‎জন্তর মন্তর, সংসদ চত্বর এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবনের নিরাপত্তায় বিপুল সংখ্যক পুলিশকর্মী ও র‍্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স (আরএএফ) মোতায়েন রয়েছে বলে দিল্লি পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

‎পুলিশ আরও জানায়, এ রকম বিতর্কিত কর্মসূচির জন্য প্রশাসনিক অনুমতি নেওয়া হয়নি। এ ছাড়া সংসদ ভবনের আশপাশে বর্তমানে ১৬৩ ধারা বলবৎ থাকায় নির্দিষ্ট সংখ্যার বেশি মানুষের জমায়েতের ওপর আইনি নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। অনুমতি ছাড়া কোনো মিছিল বা সমাবেশ করার সুযোগ নেই এবং নিয়ম ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

‎এদিকে আন্দোলনকারীদের দাবি, তারা কর্মসূচির বিষয়ে পুলিশকে অনেক আগেই লিখিতভাবে জানিয়েছিলেন। প্রশাসনই গায়ের জোরে এই কর্মসূচি বন্ধ করার চেষ্টা করছে। বিক্ষোভস্থলের আশপাশে মোবাইল ও ইন্টারনেট পরিষেবা সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন সিজেপি সমর্থকেরা।

‎এই চরম উত্তেজনার মধ্যেই সিজেপির নেতারা দাবি করেছেন, কেন্দ্রীয় সরকার তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে রাজি হয়েছে, যদিও সরকারের পক্ষ থেকে এখনো এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে

আপডেট সময় ০৯:৩১:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

ভারতের রাজধানী দিল্লিতে সিজেপির অভিযান ঘিরে রণক্ষেত্র। ভারতের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় অনিয়মের প্রতিবাদে ও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বিক্ষোভ।

‎আন্দোলনকারীরা সংসদ অভিমুখে যাত্রা শুরু করায় দেশটির রাজধানী দিল্লি রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। সংসদের অধিবেশন চলাকালেই নিরাপত্তার বলয় ভেঙে বিক্ষোভকারীরা সংসদ ভবনের মূল ফটকের বাইরে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন।

‎ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদির উপস্থিতিতেই বাইরে শুরু হয় তুলকালাম কাণ্ড। বাইরের উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে একপর্যায়ে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তড়িঘড়ি করে সংসদ ভবন ত্যাগ করেন।

‎সোমবার (২০ জুলাই) হিন্দুস্তান টাইম বাংলার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য দেওয়া হয়।

‎সকল ধরনের ব্যারিকেড ভেঙে সংসদের কাছে ককরোচ জনতা পার্টি ‘সিজেপি’

‎প্রতিবেদনে বলা হয়, সকাল থেকেই সংসদ চত্বরের আশপাশে ব্যারিকেড বসিয়ে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করে পুলিশ।
‎তবে বিক্ষোভকারীরা সব ব্যারিকেড ভেঙে সংসদের দিকে এগোনোর চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে আন্দোলনকারী ও পুলিশের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে, এতে কয়েকজন আন্দোলনকারী ও পুলিশ আহত হন।

‎তারপর মুহূর্তের মাঝে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে মধ্য দিল্লির শাস্ত্রীয় ভবন, রেল ভবন, কনস্টিটিউশন ক্লাব এবং রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার সামনে। তাছাড়া রেল ভবনের সামনে উত্তেজনা চলার পর অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করে আন্দোলনকারীদের থামিয়ে দেওয়া হয়।

‎প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে নিরাপত্তার স্বার্থে সংসদের দক্ষিণ দিকের প্রধান যানবাহন প্রবেশপথ সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হয়। যার কারণে মধ্য দিল্লির একাধিক রাস্তায় মাইলের পর মাইল তীব্র যানজট তৈরি হয়। এতে লাখো সাধারণ যাত্রী চরম ভোগান্তিতে পড়েন।

‎জন্তর মন্তর, সংসদ চত্বর এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবনের নিরাপত্তায় বিপুল সংখ্যক পুলিশকর্মী ও র‍্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স (আরএএফ) মোতায়েন রয়েছে বলে দিল্লি পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

‎পুলিশ আরও জানায়, এ রকম বিতর্কিত কর্মসূচির জন্য প্রশাসনিক অনুমতি নেওয়া হয়নি। এ ছাড়া সংসদ ভবনের আশপাশে বর্তমানে ১৬৩ ধারা বলবৎ থাকায় নির্দিষ্ট সংখ্যার বেশি মানুষের জমায়েতের ওপর আইনি নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। অনুমতি ছাড়া কোনো মিছিল বা সমাবেশ করার সুযোগ নেই এবং নিয়ম ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

‎এদিকে আন্দোলনকারীদের দাবি, তারা কর্মসূচির বিষয়ে পুলিশকে অনেক আগেই লিখিতভাবে জানিয়েছিলেন। প্রশাসনই গায়ের জোরে এই কর্মসূচি বন্ধ করার চেষ্টা করছে। বিক্ষোভস্থলের আশপাশে মোবাইল ও ইন্টারনেট পরিষেবা সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন সিজেপি সমর্থকেরা।

‎এই চরম উত্তেজনার মধ্যেই সিজেপির নেতারা দাবি করেছেন, কেন্দ্রীয় সরকার তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে রাজি হয়েছে, যদিও সরকারের পক্ষ থেকে এখনো এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি।