ঢাকা ১২:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

দেশে মজুত গ্যাসে চলবে আরও ১২ বছর, সংসদে জ্বালানিমন্ত্রীর তথ্য

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:১১:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
  • / 131

ছবি সংগৃহীত

 

দেশে বর্তমানে যে পরিমাণ উত্তোলনযোগ্য গ্যাস মজুত রয়েছে, তা দিয়ে আগামী ১২ বছর পর্যন্ত জাতীয় চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। আজ রোববার (১৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে বগুড়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোশারফ হোসেনের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই তথ্য জানান।

সংসদে পেশ করা পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে মোট উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের প্রাথমিক মজুত ছিল ২৯.৭৪ ট্রিলিয়ন ঘনফুট। এর মধ্যে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ২২.১১ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস ইতোমধ্যে উত্তোলন করা হয়েছে। ফলে ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি পর্যন্ত দেশে অবশিষ্ট গ্যাসের নিট মজুতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭.৬৩ ট্রিলিয়ন ঘনফুট।

আরও পড়ুন  সংসদের প্রথম অধিবেশন কবে?

মন্ত্রী জানান, যদি নতুন কোনো গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত না হয় এবং বর্তমান হারে (দৈনিক প্রায় ১৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট) গ্যাস সরবরাহ অব্যাহত থাকে, তবে এই অবশিষ্ট মজুত দিয়ে আনুমানিক ১২ বছর পর্যন্ত সরবরাহ বজায় রাখা সম্ভব হবে।

গ্যাস সংকট মোকাবিলা ও নতুন মজুত সন্ধানে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ তুলে ধরে জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, পেট্রোবাংলার মহাপরিকল্পনার আওতায় ১০০টি নতুন কূপ খননের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ইতোমধ্যে ২৬টি কূপের খনন ও ‘ওয়ার্কওভার’ কাজ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং বাকিগুলোর কাজ বিভিন্ন পর্যায়ে চলমান রয়েছে।

অনুসন্ধান কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বাপেক্সের মাধ্যমে ব্লক-৭ ও ৯ এলাকায় ৩৬০০ কিলোমিটারজুড়ে ২ডি সাইসমিক জরিপের তথ্য সংগ্রহের কাজ শেষ হয়েছে। বর্তমানে এই তথ্যগুলো প্রক্রিয়াকরণ করা হচ্ছে। এছাড়া বিজিএফসিএল-এর মাধ্যমে হবিগঞ্জ, বাখরাবাদ ও মেঘনা গ্যাসক্ষেত্রে ১৪৫০ বর্গকিলোমিটার এলাকায় ৩ডি সাইসমিক জরিপ শুরুর প্রস্তুতি চলছে। দেশের অন্যান্য এলাকাতেও বাপেক্স ও এসজিএফএল-এর মাধ্যমে বড় পরিসরে ৩ডি সাইসমিক জরিপ সম্পাদনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে বলে মন্ত্রী সংসদকে অবহিত করেন।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

দেশে মজুত গ্যাসে চলবে আরও ১২ বছর, সংসদে জ্বালানিমন্ত্রীর তথ্য

আপডেট সময় ০৭:১১:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

 

দেশে বর্তমানে যে পরিমাণ উত্তোলনযোগ্য গ্যাস মজুত রয়েছে, তা দিয়ে আগামী ১২ বছর পর্যন্ত জাতীয় চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। আজ রোববার (১৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে বগুড়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোশারফ হোসেনের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই তথ্য জানান।

সংসদে পেশ করা পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে মোট উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের প্রাথমিক মজুত ছিল ২৯.৭৪ ট্রিলিয়ন ঘনফুট। এর মধ্যে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ২২.১১ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস ইতোমধ্যে উত্তোলন করা হয়েছে। ফলে ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি পর্যন্ত দেশে অবশিষ্ট গ্যাসের নিট মজুতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭.৬৩ ট্রিলিয়ন ঘনফুট।

আরও পড়ুন  সংসদের প্রথম অধিবেশন কবে?

মন্ত্রী জানান, যদি নতুন কোনো গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত না হয় এবং বর্তমান হারে (দৈনিক প্রায় ১৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট) গ্যাস সরবরাহ অব্যাহত থাকে, তবে এই অবশিষ্ট মজুত দিয়ে আনুমানিক ১২ বছর পর্যন্ত সরবরাহ বজায় রাখা সম্ভব হবে।

গ্যাস সংকট মোকাবিলা ও নতুন মজুত সন্ধানে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ তুলে ধরে জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, পেট্রোবাংলার মহাপরিকল্পনার আওতায় ১০০টি নতুন কূপ খননের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ইতোমধ্যে ২৬টি কূপের খনন ও ‘ওয়ার্কওভার’ কাজ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং বাকিগুলোর কাজ বিভিন্ন পর্যায়ে চলমান রয়েছে।

অনুসন্ধান কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বাপেক্সের মাধ্যমে ব্লক-৭ ও ৯ এলাকায় ৩৬০০ কিলোমিটারজুড়ে ২ডি সাইসমিক জরিপের তথ্য সংগ্রহের কাজ শেষ হয়েছে। বর্তমানে এই তথ্যগুলো প্রক্রিয়াকরণ করা হচ্ছে। এছাড়া বিজিএফসিএল-এর মাধ্যমে হবিগঞ্জ, বাখরাবাদ ও মেঘনা গ্যাসক্ষেত্রে ১৪৫০ বর্গকিলোমিটার এলাকায় ৩ডি সাইসমিক জরিপ শুরুর প্রস্তুতি চলছে। দেশের অন্যান্য এলাকাতেও বাপেক্স ও এসজিএফএল-এর মাধ্যমে বড় পরিসরে ৩ডি সাইসমিক জরিপ সম্পাদনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে বলে মন্ত্রী সংসদকে অবহিত করেন।