পহেলা বৈশাখ সম্প্রীতি ও নতুন সম্ভাবনার প্রতীক: রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী
- আপডেট সময় ০২:৫০:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
- / 30
বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে দেশবাসী ও বিশ্বের সকল বাংলাভাষী মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার পৃথক বাণীতে তারা পহেলা বৈশাখকে বাঙালির আত্মপরিচয় ও সম্প্রীতির অনন্য প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করে নতুন বছরে সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে পহেলা বৈশাখকে সর্বজনীন উৎসব আখ্যা দিয়ে বলেন, এটি আমাদের ঐক্য ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী এই দিনটিকে কৃষি ও প্রকৃতির মেলবন্ধন হিসেবে উল্লেখ করে ২০ হাজার কৃষকের মাঝে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণের মাধ্যমে এক নতুন যাত্রার ঘোষণা দিয়েছেন।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তার বাণীতে অতীতের গ্লানি ও ব্যর্থতা পেছনে ফেলে নতুন উদ্যমে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান। বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, নানাবিধ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমাদের আরও সংযমী ও ধৈর্যশীল হতে হবে। রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন যে, সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও নিষ্ঠার মাধ্যমে একটি মানবিক রাষ্ট্র গঠন করা সম্ভব হবে। নববর্ষের এই শুভক্ষণে সকল অশুভ শক্তি দূরীভূত হয়ে সর্বত্র সত্য ও সুন্দরের জয়গান প্রতিধ্বনিত হবে—এমন প্রত্যাশাই ব্যক্ত করেছেন রাষ্ট্রপ্রধান।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার বাণীতে বলেন, পহেলা বৈশাখ আমাদের জাতিসত্তার ইতিহাস ও সংস্কৃতির অনন্য স্মারক। তিনি এই উৎসবের সঙ্গে বাংলার কৃষিভিত্তিক অর্থনীতির নিবিড় সম্পর্কের কথা স্মরণ করিয়ে দেন। প্রধানমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, জনগণের ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ এবং সহনশীলতার চর্চা দেশের গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করবে।
একইসঙ্গে বিশ্বব্যাপী চলা সংকট ও সংঘাতের মধ্যে শান্তি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের গুরুত্ব তুলে ধরেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেন যে, নববর্ষের প্রথম দিন থেকে শুরু হওয়া ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি দেশের কৃষি অর্থনীতিতে এক যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে। সংকীর্ণতা ও স্বার্থপরতার ঊর্ধ্বে উঠে মানবকল্যাণের পথে চলার অঙ্গীকারের মধ্য দিয়েই তিনি তার বাণীতে নতুন বছরের শুভকামনা জানিয়েছেন।
























