ঢাকা ০৫:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

পহেলা বৈশাখ সম্প্রীতি ও নতুন সম্ভাবনার প্রতীক: রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:৫০:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
  • / 195

ছবি: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দ্বারা তৈরি

 

বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে দেশবাসী ও বিশ্বের সকল বাংলাভাষী মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোমবার পৃথক বাণীতে তারা পহেলা বৈশাখকে বাঙালির আত্মপরিচয় ও সম্প্রীতির অনন্য প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করে নতুন বছরে সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে পহেলা বৈশাখকে সর্বজনীন উৎসব আখ্যা দিয়ে বলেন, এটি আমাদের ঐক্য ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী এই দিনটিকে কৃষি ও প্রকৃতির মেলবন্ধন হিসেবে উল্লেখ করে ২০ হাজার কৃষকের মাঝে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণের মাধ্যমে এক নতুন যাত্রার ঘোষণা দিয়েছেন।

আরও পড়ুন  আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষার মান বৃদ্ধি করতে হবে: রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তার বাণীতে অতীতের গ্লানি ও ব্যর্থতা পেছনে ফেলে নতুন উদ্যমে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান। বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, নানাবিধ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমাদের আরও সংযমী ও ধৈর্যশীল হতে হবে। রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন যে, সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও নিষ্ঠার মাধ্যমে একটি মানবিক রাষ্ট্র গঠন করা সম্ভব হবে। নববর্ষের এই শুভক্ষণে সকল অশুভ শক্তি দূরীভূত হয়ে সর্বত্র সত্য ও সুন্দরের জয়গান প্রতিধ্বনিত হবে—এমন প্রত্যাশাই ব্যক্ত করেছেন রাষ্ট্রপ্রধান।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার বাণীতে বলেন, পহেলা বৈশাখ আমাদের জাতিসত্তার ইতিহাস ও সংস্কৃতির অনন্য স্মারক। তিনি এই উৎসবের সঙ্গে বাংলার কৃষিভিত্তিক অর্থনীতির নিবিড় সম্পর্কের কথা স্মরণ করিয়ে দেন। প্রধানমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, জনগণের ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ এবং সহনশীলতার চর্চা দেশের গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করবে।

একইসঙ্গে বিশ্বব্যাপী চলা সংকট ও সংঘাতের মধ্যে শান্তি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের গুরুত্ব তুলে ধরেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেন যে, নববর্ষের প্রথম দিন থেকে শুরু হওয়া ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি দেশের কৃষি অর্থনীতিতে এক যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে। সংকীর্ণতা ও স্বার্থপরতার ঊর্ধ্বে উঠে মানবকল্যাণের পথে চলার অঙ্গীকারের মধ্য দিয়েই তিনি তার বাণীতে নতুন বছরের শুভকামনা জানিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

পহেলা বৈশাখ সম্প্রীতি ও নতুন সম্ভাবনার প্রতীক: রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০২:৫০:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

 

বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে দেশবাসী ও বিশ্বের সকল বাংলাভাষী মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোমবার পৃথক বাণীতে তারা পহেলা বৈশাখকে বাঙালির আত্মপরিচয় ও সম্প্রীতির অনন্য প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করে নতুন বছরে সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে পহেলা বৈশাখকে সর্বজনীন উৎসব আখ্যা দিয়ে বলেন, এটি আমাদের ঐক্য ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী এই দিনটিকে কৃষি ও প্রকৃতির মেলবন্ধন হিসেবে উল্লেখ করে ২০ হাজার কৃষকের মাঝে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণের মাধ্যমে এক নতুন যাত্রার ঘোষণা দিয়েছেন।

আরও পড়ুন  ‘মাননীয়’ বলার প্রয়োজন নেই, ঢাবি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তার বাণীতে অতীতের গ্লানি ও ব্যর্থতা পেছনে ফেলে নতুন উদ্যমে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান। বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, নানাবিধ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমাদের আরও সংযমী ও ধৈর্যশীল হতে হবে। রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন যে, সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও নিষ্ঠার মাধ্যমে একটি মানবিক রাষ্ট্র গঠন করা সম্ভব হবে। নববর্ষের এই শুভক্ষণে সকল অশুভ শক্তি দূরীভূত হয়ে সর্বত্র সত্য ও সুন্দরের জয়গান প্রতিধ্বনিত হবে—এমন প্রত্যাশাই ব্যক্ত করেছেন রাষ্ট্রপ্রধান।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার বাণীতে বলেন, পহেলা বৈশাখ আমাদের জাতিসত্তার ইতিহাস ও সংস্কৃতির অনন্য স্মারক। তিনি এই উৎসবের সঙ্গে বাংলার কৃষিভিত্তিক অর্থনীতির নিবিড় সম্পর্কের কথা স্মরণ করিয়ে দেন। প্রধানমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, জনগণের ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ এবং সহনশীলতার চর্চা দেশের গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করবে।

একইসঙ্গে বিশ্বব্যাপী চলা সংকট ও সংঘাতের মধ্যে শান্তি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের গুরুত্ব তুলে ধরেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেন যে, নববর্ষের প্রথম দিন থেকে শুরু হওয়া ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি দেশের কৃষি অর্থনীতিতে এক যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে। সংকীর্ণতা ও স্বার্থপরতার ঊর্ধ্বে উঠে মানবকল্যাণের পথে চলার অঙ্গীকারের মধ্য দিয়েই তিনি তার বাণীতে নতুন বছরের শুভকামনা জানিয়েছেন।