জুলাই সনদের অঙ্গীকার পূরণে সরকার বদ্ধপরিকর: ডিসি সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী
- আপডেট সময় ০৪:২১:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬
- / 90
নির্বাচনি ইশতেহার এবং জনগণের সামনে স্বাক্ষরিত ‘জুলাই সনদ’-এর প্রতিটি অঙ্গীকার পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ রবিবার (৩ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করে জানান, সরকারের এই লক্ষ্য বাস্তবায়ন নিয়ে কারো মনে কোনো প্রকার সংশয়ের অবকাশ নেই।
প্রধানমন্ত্রী জেলা প্রশাসকদের জনপ্রশাসনের মেরুদণ্ড হিসেবে অভিহিত করে বলেন, বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকরাই সরকারের সঙ্গে জনগণের প্রধান সেতুবন্ধন। সরকারের প্রতিটি জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমের সাফল্য নির্ভর করে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সততা, কর্মদক্ষতা ও দায়বদ্ধতার ওপর।
দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থার প্রতিফলন যেন সাধারণ মানুষ প্রতিটি কাজে দেখতে পায়, তা নিশ্চিত করতে তিনি কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।
রাষ্ট্র পরিচালনায় সুশাসনের গুরুত্ব তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, দক্ষ ব্যবস্থাপনা ও যোগ্য নেতৃত্বের মাধ্যমেই কেবল জনগণের ন্যায়বিচার প্রাপ্তি সহজ করা এবং সরকারি সেবাকে হয়রানিমুক্ত করা সম্ভব।
তিনি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, মাদক নির্মূল এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় ডিসিদের কঠোর ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। বিশেষ করে বাল্যবিবাহ, নারী-শিশু নির্যাতন এবং খাদ্যে ভেজালের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকে আরও নিয়মিত ও জনগণের কাছে দৃশ্যমান করার তাগিদ দেন তিনি।
আধুনিক বিশ্বের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জনপ্রশাসনকে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের এই যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডিজিটাল প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে প্রশাসনকে আরও স্বচ্ছ ও দক্ষ করে তুলতে হবে।
তরুণ প্রজন্মের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বিশেষ নজর দেওয়ার জন্য তিনি মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের পরামর্শ দেন।
বক্তব্যের শেষে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’—এই মূলমন্ত্র হৃদয়ে ধারণ করে দেশ ও জনগণের বৃহত্তর স্বার্থে আত্মনিয়োগ করার জন্য সকল প্রশাসনিক কর্মকর্তার প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।






















