ঢাকা ০৪:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

জ্বালানি সংকটে বড় স্বস্তি: দেশে আসছে এলএনজি ও এলপিজি-র ৫টি জাহাজ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:১৯:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
  • / 194

ছবি সংগৃহীত

 

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার মাঝেও বাংলাদেশের জ্বালানি খাতের জন্য সুখবর মিলেছে। আগামী ১৫ এপ্রিলের মধ্যে দেশে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) ও তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) নিয়ে অন্তত পাঁচটি বড় জাহাজ পৌঁছানোর কথা রয়েছে। জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ধারাবাহিকভাবে এসব জাহাজ দেশের জলসীমায় প্রবেশ করছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ও শিপিং এজেন্টদের তথ্য অনুযায়ী, আজ শুক্রবার (১০ এপ্রিল) মালয়েশিয়া থেকে ২ হাজার ৪৭০ টন কার্গো নিয়ে ‘মর্নিং জেলি’ নামক একটি এলপিজি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানোর কথা। একই দিনে যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রায় ৬৯ হাজার টন এলএনজি নিয়ে ‘ইএমইআই’ নামক একটি জাহাজ মহেশখালীর ভাসমান টার্মিনালে পৌঁছাবে।

আরও পড়ুন  বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের লড়াই, মে মাসে বাংলাদেশে আসছে পাকিস্তান দল

এছাড়া ১১ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র থেকে ‘কংটং’ নামক আরেকটি এলএনজি জাহাজ এবং ১৩ এপ্রিল মালয়েশিয়া থেকে এলপিজি নিয়ে ‘পল’ নামক জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। এই তালিকার সর্বশেষ জাহাজ ‘ম্যারান গ্যাস হাইড্রা’ আগামী ১৫ এপ্রিল অস্ট্রেলিয়া থেকে প্রায় ৬৫ হাজার টন এলএনজি নিয়ে দেশে আসবে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব রেফায়েত হামিম জানান, “বৃহস্পতিবার পর্যন্ত পাঁচটি জাহাজেরই আসার ঘোষণা পাওয়া গেছে এবং জাহাজগুলো বর্তমানে সমুদ্রপথে রয়েছে। দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে জ্বালানিবাহী জাহাজের বার্থিংকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।”

রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের (আরপিজিসিএল) উপ-মহাব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ কবির বলেন, “চলতি মাসে মোট ৯টি এলএনজি জাহাজ আসার কথা রয়েছে। ইতোমধ্যে দুটি জাহাজ চলে এসেছে এবং সেগুলোর খালাস প্রক্রিয়া চলছে। প্রতিটি জাহাজ সাধারণত ৬৯ থেকে ৭০ হাজার টন গ্যাস বহন করে নিয়ে আসে।”

এর আগে গত বুধবার রাতে মালয়েশিয়া থেকে ২৬ হাজার টন অকটেন নিয়ে ‘এমটি সেন্ট্রাল স্টার’ এবং হাই সালফার ফুয়েল অয়েল নিয়ে ‘ইস্টার্ন কুইন্স’ নামে দুটি ট্যাংকার চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছায়। পতেঙ্গার ডলফিন জেটিতে ইতোমধ্যে অকটেন খালাসের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্যে সাময়িক যুদ্ধবিরতির প্রেক্ষাপটে জ্বালানি সরবরাহের ওপর থেকে চাপ কমতে শুরু করেছে। এই বড় চালানগুলো খালাস হলে দেশের শিল্প-কারখানা ও গৃহস্থালির গ্যাস সংকট অনেকাংশে দূর হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

জ্বালানি সংকটে বড় স্বস্তি: দেশে আসছে এলএনজি ও এলপিজি-র ৫টি জাহাজ

আপডেট সময় ১২:১৯:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

 

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার মাঝেও বাংলাদেশের জ্বালানি খাতের জন্য সুখবর মিলেছে। আগামী ১৫ এপ্রিলের মধ্যে দেশে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) ও তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) নিয়ে অন্তত পাঁচটি বড় জাহাজ পৌঁছানোর কথা রয়েছে। জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ধারাবাহিকভাবে এসব জাহাজ দেশের জলসীমায় প্রবেশ করছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ও শিপিং এজেন্টদের তথ্য অনুযায়ী, আজ শুক্রবার (১০ এপ্রিল) মালয়েশিয়া থেকে ২ হাজার ৪৭০ টন কার্গো নিয়ে ‘মর্নিং জেলি’ নামক একটি এলপিজি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানোর কথা। একই দিনে যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রায় ৬৯ হাজার টন এলএনজি নিয়ে ‘ইএমইআই’ নামক একটি জাহাজ মহেশখালীর ভাসমান টার্মিনালে পৌঁছাবে।

আরও পড়ুন  নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য হবে: ইইউ পর্যবেক্ষক প্রধান

এছাড়া ১১ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র থেকে ‘কংটং’ নামক আরেকটি এলএনজি জাহাজ এবং ১৩ এপ্রিল মালয়েশিয়া থেকে এলপিজি নিয়ে ‘পল’ নামক জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। এই তালিকার সর্বশেষ জাহাজ ‘ম্যারান গ্যাস হাইড্রা’ আগামী ১৫ এপ্রিল অস্ট্রেলিয়া থেকে প্রায় ৬৫ হাজার টন এলএনজি নিয়ে দেশে আসবে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব রেফায়েত হামিম জানান, “বৃহস্পতিবার পর্যন্ত পাঁচটি জাহাজেরই আসার ঘোষণা পাওয়া গেছে এবং জাহাজগুলো বর্তমানে সমুদ্রপথে রয়েছে। দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে জ্বালানিবাহী জাহাজের বার্থিংকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।”

রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের (আরপিজিসিএল) উপ-মহাব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ কবির বলেন, “চলতি মাসে মোট ৯টি এলএনজি জাহাজ আসার কথা রয়েছে। ইতোমধ্যে দুটি জাহাজ চলে এসেছে এবং সেগুলোর খালাস প্রক্রিয়া চলছে। প্রতিটি জাহাজ সাধারণত ৬৯ থেকে ৭০ হাজার টন গ্যাস বহন করে নিয়ে আসে।”

এর আগে গত বুধবার রাতে মালয়েশিয়া থেকে ২৬ হাজার টন অকটেন নিয়ে ‘এমটি সেন্ট্রাল স্টার’ এবং হাই সালফার ফুয়েল অয়েল নিয়ে ‘ইস্টার্ন কুইন্স’ নামে দুটি ট্যাংকার চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছায়। পতেঙ্গার ডলফিন জেটিতে ইতোমধ্যে অকটেন খালাসের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্যে সাময়িক যুদ্ধবিরতির প্রেক্ষাপটে জ্বালানি সরবরাহের ওপর থেকে চাপ কমতে শুরু করেছে। এই বড় চালানগুলো খালাস হলে দেশের শিল্প-কারখানা ও গৃহস্থালির গ্যাস সংকট অনেকাংশে দূর হবে।