ঢাকা ০৫:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ২৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নতুন রুট ঘোষণা; অমান্য করলেই ধ্বংসের হুঁশিয়ারি ডার্ক সার্কেল নিছক দাগ নাকি কোনো রোগের সংকেত সেন্ট লুসিয়া প্রকৃতি, পাহাড় আর সমুদ্রের মোহনীয় দ্বীপ গৌরনদীতে ব্রিজের রেলিং ভেঙে খাদে পড়ল ট্রাক ফতুল্লায় ঝুট ব্যবসা নিয়ে যুবদলের দুই পক্ষের সংঘর্ষ: শিশুসহ গুলিবিদ্ধ ৩ হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সালের ১০ বছরের কারাদণ্ড শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলা: সাবেক দুই পুলিশ সদস্যের মৃত্যুদণ্ড, ৩ জনের যাবজ্জীবন উত্তরাধিকার সূত্রে সন্তানের শরীর ও মনে মায়ের জিনের প্রভাব কতটুকু ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় আল জাজিরার সাংবাদিক মোহাম্মদ উইশাহ নিহত আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় আজ: ট্রাইব্যুনালে হাজির ৬ আসামি

সবচেয়ে বেশি মুনাফা পাওয়া যায় কোন সঞ্চয়পত্রে, কিনবেন কীভাবে

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৩৬:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 1305

ছবি: সংগৃহীত

 

এখন সবচেয়ে বেশি মুনাফা পাওয়া যায় পেনশনার সঞ্চয়পত্রে। মূলত অবসরভোগীরা এই সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করেন। তাঁরা যাতে মুনাফার টাকা বেশি পান, সে জন্য সরকার মুনাফার হার বেশি রেখেছে।

পেনশনার সঞ্চয়পত্রে মেয়াদ পূর্ণ করলে ১১ দশমিক ৯৮ শতাংশ মুনাফা পাওয়া যায়। পাশাপাশি তিন মাস পরপর মুনাফার টাকা তোলা যায়। ২০০৪ সালে এই সঞ্চয়পত্রের স্কিম চালু করা হয়। দুই দশকের বেশি সময় ধরে এই সঞ্চয়পত্র বেশ জনপ্রিয়।

আরও পড়ুন  ‘টাকা-পয়সা নিয়ে বিএনপির সদস্য পদ দিলে দেশ থেকে বিতাড়িত করা হবে’

বর্তমানে জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের চার ধরনের সঞ্চয়পত্র আছে। এগুলো হলো—পরিবার সঞ্চয়পত্র, পেনশনার সঞ্চয়পত্র, পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র ও তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র। পরিবার সঞ্চয়পত্র ছাড়া বাকি সব সঞ্চয়পত্রে ব্যক্তির পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানও বিনিয়োগ করতে পারে।

এবার দেখা যাক, এই সঞ্চয়পত্র কীভাবে কিনবেন, কারা কিনতে পারবেন। এ ছাড়া বিস্তারিত জানা যাক।

মূল্যমান কত

পেনশনার সঞ্চয়পত্র ৫০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত কেনা যায়। এ ছাড়া এক লাখ টাকা, দুই লাখ টাকা ও পাঁচ লাখ টাকা।

যেখানে পাওয়া যায়

জেলা সঞ্চয় অফিস ও জাতীয় সঞ্চয় বিশেষ ব্যুরো কার্যালয়, বাণিজ্যিক ব্যাংক ও ডাকঘর থেকে কেনা ও ভাঙানো যায়।

কারা কিনতে পারবেন

অবসরপ্রাপ্ত সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা–কর্মচারী, সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি, সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্য ও মৃত চাকরিজীবীর পারিবারিক পেনশন সুবিধাভোগী স্বামী–স্ত্রী বা সন্তানেরা এই সঞ্চয়পত্র কিনতে পারবেন।

মেয়াদ কত

৫ বছর।

মুনাফা হার

এই সঞ্চয়পত্রে সাড়ে সাত লাখ টাকার বেশি মুনাফা পাওয়া যায়। এর বেশি কিনলে কম মুনাফা পাওয়া যায়। এ ছাড়া পাঁচ বছর মেয়াদ পূর্ণ হলে সাড়ে সাত লাখ টাকা পর্যন্ত ১১ দশমিক ৯৮ শতাংশ এবং এর বেশি হলে ১১ দশমিক ৮০ শতাংশ মুনাফা পাওয়া যাবে। প্রথম বছর পার হলে তুলনামূলক কম মুনাফা মিলবে।

মেয়াদপূর্তির আগে নগদায়ন করলে অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধিত হয়ে থাকলে তা মূল টাকা থেকে কেটে অবশিষ্ট মূল টাকা পরিশোধ করা হবে।

৫ লাখ টাকা পর্যন্ত উৎসে কর নেই

পেনশনার সঞ্চয়পত্রে পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত সর্বমোট বিনিয়োগের ক্ষেত্রে মুনাফার ওপর কোনো উৎসে কর কাটা হয় না। পাঁচ লাখ টাকার বেশি হলে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে মুনাফার ওপর ১০ শতাংশ হারে উৎসে কর কাটা হয়।

ক্রয়ের ঊর্ধ্বসীমা

প্রাপ্ত আনুতোষিক (গ্র্যাচুইটি) ও ভবিষ্য তহবিলের টাকা মিলিয়ে একক নামে সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত কেনা যাবে।

তিন মাসে মুনাফার টাকা

ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে মুনাফা দেওয়া হয়। ফলে তিন মাস পরপর মুনাফার টাকা তুলতে পারবেন গ্রাহকেরা। এ ছাড়া নমিনি নিয়োগ করা যায়। সঞ্চয়পত্রের ক্রেতার মৃত্যুর পর নমিনি সঙ্গে সঙ্গে অথবা মেয়াদোত্তীর্ণের পর সঞ্চয়পত্র নগদায়ন করতে পারেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

সবচেয়ে বেশি মুনাফা পাওয়া যায় কোন সঞ্চয়পত্রে, কিনবেন কীভাবে

আপডেট সময় ১০:৩৬:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 

এখন সবচেয়ে বেশি মুনাফা পাওয়া যায় পেনশনার সঞ্চয়পত্রে। মূলত অবসরভোগীরা এই সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করেন। তাঁরা যাতে মুনাফার টাকা বেশি পান, সে জন্য সরকার মুনাফার হার বেশি রেখেছে।

পেনশনার সঞ্চয়পত্রে মেয়াদ পূর্ণ করলে ১১ দশমিক ৯৮ শতাংশ মুনাফা পাওয়া যায়। পাশাপাশি তিন মাস পরপর মুনাফার টাকা তোলা যায়। ২০০৪ সালে এই সঞ্চয়পত্রের স্কিম চালু করা হয়। দুই দশকের বেশি সময় ধরে এই সঞ্চয়পত্র বেশ জনপ্রিয়।

আরও পড়ুন  ‘টাকা-পয়সা নিয়ে বিএনপির সদস্য পদ দিলে দেশ থেকে বিতাড়িত করা হবে’

বর্তমানে জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের চার ধরনের সঞ্চয়পত্র আছে। এগুলো হলো—পরিবার সঞ্চয়পত্র, পেনশনার সঞ্চয়পত্র, পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র ও তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র। পরিবার সঞ্চয়পত্র ছাড়া বাকি সব সঞ্চয়পত্রে ব্যক্তির পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানও বিনিয়োগ করতে পারে।

এবার দেখা যাক, এই সঞ্চয়পত্র কীভাবে কিনবেন, কারা কিনতে পারবেন। এ ছাড়া বিস্তারিত জানা যাক।

মূল্যমান কত

পেনশনার সঞ্চয়পত্র ৫০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত কেনা যায়। এ ছাড়া এক লাখ টাকা, দুই লাখ টাকা ও পাঁচ লাখ টাকা।

যেখানে পাওয়া যায়

জেলা সঞ্চয় অফিস ও জাতীয় সঞ্চয় বিশেষ ব্যুরো কার্যালয়, বাণিজ্যিক ব্যাংক ও ডাকঘর থেকে কেনা ও ভাঙানো যায়।

কারা কিনতে পারবেন

অবসরপ্রাপ্ত সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা–কর্মচারী, সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি, সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্য ও মৃত চাকরিজীবীর পারিবারিক পেনশন সুবিধাভোগী স্বামী–স্ত্রী বা সন্তানেরা এই সঞ্চয়পত্র কিনতে পারবেন।

মেয়াদ কত

৫ বছর।

মুনাফা হার

এই সঞ্চয়পত্রে সাড়ে সাত লাখ টাকার বেশি মুনাফা পাওয়া যায়। এর বেশি কিনলে কম মুনাফা পাওয়া যায়। এ ছাড়া পাঁচ বছর মেয়াদ পূর্ণ হলে সাড়ে সাত লাখ টাকা পর্যন্ত ১১ দশমিক ৯৮ শতাংশ এবং এর বেশি হলে ১১ দশমিক ৮০ শতাংশ মুনাফা পাওয়া যাবে। প্রথম বছর পার হলে তুলনামূলক কম মুনাফা মিলবে।

মেয়াদপূর্তির আগে নগদায়ন করলে অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধিত হয়ে থাকলে তা মূল টাকা থেকে কেটে অবশিষ্ট মূল টাকা পরিশোধ করা হবে।

৫ লাখ টাকা পর্যন্ত উৎসে কর নেই

পেনশনার সঞ্চয়পত্রে পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত সর্বমোট বিনিয়োগের ক্ষেত্রে মুনাফার ওপর কোনো উৎসে কর কাটা হয় না। পাঁচ লাখ টাকার বেশি হলে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে মুনাফার ওপর ১০ শতাংশ হারে উৎসে কর কাটা হয়।

ক্রয়ের ঊর্ধ্বসীমা

প্রাপ্ত আনুতোষিক (গ্র্যাচুইটি) ও ভবিষ্য তহবিলের টাকা মিলিয়ে একক নামে সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত কেনা যাবে।

তিন মাসে মুনাফার টাকা

ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে মুনাফা দেওয়া হয়। ফলে তিন মাস পরপর মুনাফার টাকা তুলতে পারবেন গ্রাহকেরা। এ ছাড়া নমিনি নিয়োগ করা যায়। সঞ্চয়পত্রের ক্রেতার মৃত্যুর পর নমিনি সঙ্গে সঙ্গে অথবা মেয়াদোত্তীর্ণের পর সঞ্চয়পত্র নগদায়ন করতে পারেন।