ঢাকা ০৫:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী

তারেকের শপথে মোদীকে আমন্ত্রণের পরিকল্পনা বিএনপির: ডব্লিউআইওএন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:১৩:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 3419

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান-এর শপথ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী-কে আমন্ত্রণ জানানোর পরিকল্পনা করছে বিএনপি। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম WION এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিএনপি চেয়ারম্যানের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির জানিয়েছেন, আঞ্চলিক কূটনীতি নতুন সরকারের অগ্রাধিকার পাবে এবং শপথ অনুষ্ঠানে প্রতিবেশী দেশগুলোর নেতাদের আমন্ত্রণ জানানো হতে পারে।

তিনি বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় স্থিতিশীলতা ও সহযোগিতা জোরদার করা নতুন সরকারের লক্ষ্য। সময় স্বল্পতা থাকলেও আমন্ত্রণ প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে আন্তরিকতা রয়েছে।

আরও পড়ুন  চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরছেন খালেদা জিয়া, প্রস্তুত হচ্ছে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

ডব্লিউআইওএন তাদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে, নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ জয়ের পর এ উদ্যোগকে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের টানাপোড়েন কমানোর বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর দুই দেশের সম্পর্কে যে অস্বস্তি তৈরি হয়েছিল, সেটি কাটিয়ে উঠতে নতুন সরকার ভারসাম্যপূর্ণ কূটনৈতিক অবস্থান নিতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আঞ্চলিক ফোরাম যেমন সার্ক ও বিমসটেক-কে সক্রিয়ভাবে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে। দক্ষিণ এশিয়াকে একটি কার্যকর সহযোগিতার অঞ্চলে পরিণত করাই তাদের কৌশলগত লক্ষ্য।

এরই মধ্যে নরেন্দ্র মোদী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। এক বার্তায় তিনি দুই দেশের বহুমাত্রিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং উন্নয়ন সহযোগিতা এগিয়ে নেওয়ার কথা উল্লেখ করেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, শপথ অনুষ্ঠানে উচ্চপর্যায়ের আমন্ত্রণ পাঠানো হলে তা প্রতীকী হলেও গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেবে। নতুন সরকারের প্রথম দিকের কূটনৈতিক পদক্ষেপ হিসেবে বিষয়টি বিশেষভাবে নজরে রাখা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

তারেকের শপথে মোদীকে আমন্ত্রণের পরিকল্পনা বিএনপির: ডব্লিউআইওএন

আপডেট সময় ০৪:১৩:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান-এর শপথ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী-কে আমন্ত্রণ জানানোর পরিকল্পনা করছে বিএনপি। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম WION এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিএনপি চেয়ারম্যানের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির জানিয়েছেন, আঞ্চলিক কূটনীতি নতুন সরকারের অগ্রাধিকার পাবে এবং শপথ অনুষ্ঠানে প্রতিবেশী দেশগুলোর নেতাদের আমন্ত্রণ জানানো হতে পারে।

তিনি বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় স্থিতিশীলতা ও সহযোগিতা জোরদার করা নতুন সরকারের লক্ষ্য। সময় স্বল্পতা থাকলেও আমন্ত্রণ প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে আন্তরিকতা রয়েছে।

আরও পড়ুন  বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনে চলছে ভোটগ্রহণ

ডব্লিউআইওএন তাদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে, নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ জয়ের পর এ উদ্যোগকে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের টানাপোড়েন কমানোর বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর দুই দেশের সম্পর্কে যে অস্বস্তি তৈরি হয়েছিল, সেটি কাটিয়ে উঠতে নতুন সরকার ভারসাম্যপূর্ণ কূটনৈতিক অবস্থান নিতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আঞ্চলিক ফোরাম যেমন সার্ক ও বিমসটেক-কে সক্রিয়ভাবে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে। দক্ষিণ এশিয়াকে একটি কার্যকর সহযোগিতার অঞ্চলে পরিণত করাই তাদের কৌশলগত লক্ষ্য।

এরই মধ্যে নরেন্দ্র মোদী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। এক বার্তায় তিনি দুই দেশের বহুমাত্রিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং উন্নয়ন সহযোগিতা এগিয়ে নেওয়ার কথা উল্লেখ করেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, শপথ অনুষ্ঠানে উচ্চপর্যায়ের আমন্ত্রণ পাঠানো হলে তা প্রতীকী হলেও গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেবে। নতুন সরকারের প্রথম দিকের কূটনৈতিক পদক্ষেপ হিসেবে বিষয়টি বিশেষভাবে নজরে রাখা হচ্ছে।