ঢাকা ০৮:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইউটিউব দেখে বিকল্প জ্বালানি তৈরির চেষ্টা: বিস্ফোরণে দগ্ধ ব্যবসায়ীর মৃত্যু বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের লড়াই, মে মাসে বাংলাদেশে আসছে পাকিস্তান দল বেলারুশ—পূর্ব ইউরোপের স্থিতিশীলতা ও ইতিহাসের দেশ সংসদ ওয়াকআউট করে জনগণের অধিকার ক্ষুণ্ন করবেন না: স্পিকার সুনামগঞ্জের পৃথক হাওরে বজ্রপাত, ধান কাটার সময় ৫ কৃষকের মৃত্যু আগামী ২ জুলাই শুরু হচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী বিগত দুই সরকার হামের টিকা না দিয়ে ক্ষমাহীন অপরাধ করেছে: প্রধানমন্ত্রী পল্লবীতে নিরাপত্তা প্রহরী সালাহউদ্দিন হত্যা: ঘাতক অটোরিকশা চালক গ্রেপ্তার রোহিঙ্গা সংকটের কার্যকর সমাধান রাখাইনেই নিহিত: পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান থালাপতি বিজয়ের বিরুদ্ধে চেন্নাই পুলিশের মামলা

জিয়াউর রহমানের সমাধির পাশে হতে পারে খালেদা জিয়ার দাফন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:০৯:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 458

ছবি সংগৃহীত

 

দেশের রাজনীতির ‘আপসহীন’ নেত্রী, বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইলাইহি রাজিউন)। আজ মঙ্গলবার ভোর ৬টার দিকে তিনি রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেছেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।
বর্ষীয়ান এই নেত্রীর প্রয়াণে রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সারা দেশে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর দাফন রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে তাঁর স্বামী, সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে হতে পারে। এটি দল ও পরিবারের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত।

আসন্ন বুধবার রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে খালেদা জিয়ার জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। জানাজা ও দাফন প্রক্রিয়ার সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য বিএনপি বর্তমানে অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রাখছে।
খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত জটিলতা ও নানা রোগে ভুগছিলেন। চলতি বছরের ৮ জানুয়ারি উন্নত চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্যের লন্ডনে যান তিনি। দেশে ফেরার পর স্বাস্থ্যের কিছুটা উন্নতি দেখা গেলেও দীর্ঘদিনের শারীরিক অসুস্থতা ও মানসিক চাপের কারণে তিনি দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন। গত ২৩ নভেম্বর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে পুনরায় এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং এক মাসের বেশি সময় চিকিৎসাধীন থাকার পর আজ ভোরে তিনি চিকিৎসায় সাড়া দেওয়া বন্ধ করেন।

আরও পড়ুন  আজ রাষ্ট্রীয় শোকের শেষ দিন, বাদ জুমা বিশেষ দোয়া

রাজনীতিতে দীর্ঘ সময় নেতৃত্ব দেওয়া খালেদা জিয়া সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে অটল ভূমিকার জন্য জনগণের কাছে ‘আপসহীন’ হিসেবে সমাদৃত ছিলেন। তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যুতে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা এক যুগের অবসান হিসেবেই দেখছেন।

বর্তমানে তাঁর মরদেহ হিমাগারে রাখা আছে। আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। দলের পক্ষ থেকে পরবর্তী কর্মসূচি বিস্তারিতভাবে ঘোষণা করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

জিয়াউর রহমানের সমাধির পাশে হতে পারে খালেদা জিয়ার দাফন

আপডেট সময় ১২:০৯:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫

 

দেশের রাজনীতির ‘আপসহীন’ নেত্রী, বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইলাইহি রাজিউন)। আজ মঙ্গলবার ভোর ৬টার দিকে তিনি রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেছেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।
বর্ষীয়ান এই নেত্রীর প্রয়াণে রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সারা দেশে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর দাফন রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে তাঁর স্বামী, সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে হতে পারে। এটি দল ও পরিবারের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত।

আসন্ন বুধবার রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে খালেদা জিয়ার জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। জানাজা ও দাফন প্রক্রিয়ার সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য বিএনপি বর্তমানে অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রাখছে।
খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত জটিলতা ও নানা রোগে ভুগছিলেন। চলতি বছরের ৮ জানুয়ারি উন্নত চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্যের লন্ডনে যান তিনি। দেশে ফেরার পর স্বাস্থ্যের কিছুটা উন্নতি দেখা গেলেও দীর্ঘদিনের শারীরিক অসুস্থতা ও মানসিক চাপের কারণে তিনি দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন। গত ২৩ নভেম্বর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে পুনরায় এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং এক মাসের বেশি সময় চিকিৎসাধীন থাকার পর আজ ভোরে তিনি চিকিৎসায় সাড়া দেওয়া বন্ধ করেন।

আরও পড়ুন  বেগম খালেদা জিয়া উন্নত চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্যের পথে রওনা হয়েছেন।

রাজনীতিতে দীর্ঘ সময় নেতৃত্ব দেওয়া খালেদা জিয়া সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে অটল ভূমিকার জন্য জনগণের কাছে ‘আপসহীন’ হিসেবে সমাদৃত ছিলেন। তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যুতে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা এক যুগের অবসান হিসেবেই দেখছেন।

বর্তমানে তাঁর মরদেহ হিমাগারে রাখা আছে। আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। দলের পক্ষ থেকে পরবর্তী কর্মসূচি বিস্তারিতভাবে ঘোষণা করা হবে।