ঢাকা ০৫:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
রামেক হাসপাতালে রোগীদের ভোগান্তি কমাতে বসছে একক ‘অ্যাম্বুলেন্স সেন্টার’ বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটের প্রতিবাদে ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ আজ নাটোরে ৪৫ টাকা চা বিলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১২ মধুখালীতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে সুপারভাইজার নিহত, আহত ১৫ শাহজালাল বিমানবন্দরে আনসার সদস্যদের যাতায়াত সহজে বিশেষ বাস সেবা চালু ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হবে পরিকল্পনার মাধ্যমে: প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ: বাণিজ্যমন্ত্রী কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য উপহাইকমিশনের সতর্কবার্তা নেপালের ভয়াবহ দুর্যোগে সহায়তার হাত বাড়াল বাংলাদেশ ছিনতাইয়ের ঘটনায় শিক্ষিকার মৃত্যু: উদ্ধার বাইক নিয়ে প্রশ্ন, ডিবির ছায়া তদন্ত

৫০ শয্যার হাসপাতালকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করবে সরকার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:১৪:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬
  • / 73

ছবি: সংগৃহীত

দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের স্বাস্থ্যসেবা আরও শক্তিশালী করতে সব উপজেলার ৫০ শয্যার হাসপাতালকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বুধবার (৩ জুন) স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে নিজ সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল এই তথ্য জানিয়েছেন। সরকারের এই নতুন সিদ্ধান্তের ফলে দেশের গ্রামীণ চিকিৎসা ব্যবস্থায় বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, দেশের ৪৯২টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করা হবে। বাকি ৮টি উপজেলায় ইতোমধ্যে ১০০ শয্যার হাসপাতাল রয়েছে, তবে সেখানে নতুন ভবনের প্রয়োজন থাকায় নতুন ভবন নির্মাণ করা হবে। হাসপাতালগুলোকে ৫০ শয্যা থেকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করার কার্যক্রম নতুনভাবে শুরু করার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, শয্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রয়োজনীয় জনবল ও যন্ত্রপাতি দেওয়ার জন্য প্রত্যেকটি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে নিয়ে একটি মিটিং করে দিকনির্দেশনা প্রদান করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

গ্রামীণ চিকিৎসা ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও শক্তিশালী করার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, দেশের প্রতিটি হাসপাতালে একজন নারী ফিজিওথেরাপিস্ট ও একজন পুরুষ ফিজিওথেরাপিস্টের স্থায়ী পদ থাকবে। এর ফলে গ্রামীণ অঞ্চলের রোগীরা স্থানীয় হাসপাতালেই উন্নত ফিজিওথেরাপি সেবা পাওয়ার সুযোগ পাবেন।

আরও পড়ুন  ছয় মাসের মধ্যে আসছে মেয়েদের ক্যান্সার ভ্যাকসি

উপজেলা পর্যায়ের পাশাপাশি দেশের বিভাগীয় ও বড় শহরগুলোর জন্যও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে বিশেষ কিছু উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, দেশের পাঁচটি বিভাগীয় শহরে ২০০ শয্যার শিশু বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে, যা আগামী ছয় মাসের মধ্যে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এসব হাসপাতালে পর্যাপ্ত জনবল ও আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। এছাড়া বাংলাদেশ ও চায়নার যৌথ উদ্যাগে ৫টি বড় শহরে ১ হাজার শয্যার আরও ৫টি বড় হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে। সম্পূর্ণ আধুনিক ডিজাইনে তৈরি হতে যাওয়া এই বিশেষ হাসপাতালগুলোতে শুধুমাত্র মহিলারা চিকিৎসা নিতে পারবেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

স্বাস্থ্য খাতের সার্বিক সংস্কার প্রসঙ্গে সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেন, যেকোনো ধরনের দুর্নীতির আবর্ত থেকে বেরিয়ে এসে পুরো স্বাস্থ্যখাতকে নতুন করে ঢেলে সাজানো হবে। সেই সঙ্গে সাধারণ মানুষের জন্য স্বাস্থ্যসেবাকে আরও সহজ করা হবে, যেন সরকারি সব চিকিৎসা সুবিধা সরাসরি জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে যায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

৫০ শয্যার হাসপাতালকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করবে সরকার

আপডেট সময় ১২:১৪:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬

দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের স্বাস্থ্যসেবা আরও শক্তিশালী করতে সব উপজেলার ৫০ শয্যার হাসপাতালকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বুধবার (৩ জুন) স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে নিজ সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল এই তথ্য জানিয়েছেন। সরকারের এই নতুন সিদ্ধান্তের ফলে দেশের গ্রামীণ চিকিৎসা ব্যবস্থায় বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, দেশের ৪৯২টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করা হবে। বাকি ৮টি উপজেলায় ইতোমধ্যে ১০০ শয্যার হাসপাতাল রয়েছে, তবে সেখানে নতুন ভবনের প্রয়োজন থাকায় নতুন ভবন নির্মাণ করা হবে। হাসপাতালগুলোকে ৫০ শয্যা থেকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করার কার্যক্রম নতুনভাবে শুরু করার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, শয্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রয়োজনীয় জনবল ও যন্ত্রপাতি দেওয়ার জন্য প্রত্যেকটি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে নিয়ে একটি মিটিং করে দিকনির্দেশনা প্রদান করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

গ্রামীণ চিকিৎসা ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও শক্তিশালী করার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, দেশের প্রতিটি হাসপাতালে একজন নারী ফিজিওথেরাপিস্ট ও একজন পুরুষ ফিজিওথেরাপিস্টের স্থায়ী পদ থাকবে। এর ফলে গ্রামীণ অঞ্চলের রোগীরা স্থানীয় হাসপাতালেই উন্নত ফিজিওথেরাপি সেবা পাওয়ার সুযোগ পাবেন।

আরও পড়ুন  রোহিঙ্গা সংকট: রোহিঙ্গা পরিস্থিতির অবনতি, চরম সংকট ও অনিশ্চয়তা

উপজেলা পর্যায়ের পাশাপাশি দেশের বিভাগীয় ও বড় শহরগুলোর জন্যও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে বিশেষ কিছু উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, দেশের পাঁচটি বিভাগীয় শহরে ২০০ শয্যার শিশু বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে, যা আগামী ছয় মাসের মধ্যে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এসব হাসপাতালে পর্যাপ্ত জনবল ও আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। এছাড়া বাংলাদেশ ও চায়নার যৌথ উদ্যাগে ৫টি বড় শহরে ১ হাজার শয্যার আরও ৫টি বড় হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে। সম্পূর্ণ আধুনিক ডিজাইনে তৈরি হতে যাওয়া এই বিশেষ হাসপাতালগুলোতে শুধুমাত্র মহিলারা চিকিৎসা নিতে পারবেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

স্বাস্থ্য খাতের সার্বিক সংস্কার প্রসঙ্গে সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেন, যেকোনো ধরনের দুর্নীতির আবর্ত থেকে বেরিয়ে এসে পুরো স্বাস্থ্যখাতকে নতুন করে ঢেলে সাজানো হবে। সেই সঙ্গে সাধারণ মানুষের জন্য স্বাস্থ্যসেবাকে আরও সহজ করা হবে, যেন সরকারি সব চিকিৎসা সুবিধা সরাসরি জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে যায়।