ঢাকা ০৯:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিল রায়: চারটি রিভিউ আবেদনের শুনানি আজ আপিল বিভাগে

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:৪০:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫
  • / 560

ছবি সংগৃহীত

 

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের রায় পুনর্বিবেচনার জন্য রাজনৈতিক দল ও কয়েকজন নাগরিকের করা চারটি আবেদন আজ বুধবার (২৭ আগস্ট) শুনানি হবে। প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সাত সদস্যের আপিল বেঞ্চে এ শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

গতকাল মঙ্গলবার আবেদনকারীদের পক্ষে আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির এবং রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান যুক্তি তুলে ধরেন। এরপর আদালত আজকের দিন শুনানির জন্য নির্ধারণ করেন।

আরও পড়ুন  কুমিল্লা-৪ আসনে মঞ্জুরুলের প্রার্থীতায় কি সিদ্ধান্ত নিলেন আপিল বিভাগ

২০১১ সালের ১০ মে আপিল বিভাগ সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করেছিলেন। তবে সেই রায়ে বলা হয়েছিল, দশম ও একাদশ জাতীয় নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে আয়োজন করা যেতে পারে। পাশাপাশি সংসদীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচনের সুযোগও খোলা রাখেন আদালত। তৎকালীন প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হকের নেতৃত্বে দেওয়া এ রায় ছিল পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চের।

চলতি বছরের ২৫ আগস্ট সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচজন ব্যক্তি এ রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ আবেদন করেন। তাদের মধ্যে আছেন তোফায়েল আহমেদ, এম হাফিজ উদ্দিন খান, জোবাইরুল হক ভূঁইয়া ও জাহরা রহমান। আবেদনগুলো করেন অ্যাডভোকেট শরীফ ভূঁইয়া ও ব্যারিস্টার তানিম হোসেন শাওন।

এরপর ১৬ অক্টোবর বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পক্ষে আরেকটি আবেদন করেন আইনজীবী জয়নুল আবেদীন। সর্বশেষ ২৩ অক্টোবর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি একই রায়ের বিরুদ্ধে আবেদন জমা দেয়। দলের পক্ষ থেকে আবেদন করেন সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রথম যুক্ত হয় ১৯৯৬ সালে, সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে। তবে এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা রিট ১৯৯৬ সালের ৪ আগস্ট হাইকোর্ট খারিজ করে দেয়। পরে ২০০৫ সালে এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল হয় এবং তখন সুপ্রিম কোর্ট বেশ কয়েকজন আইনজ্ঞকে ‘অ্যামিকাস কিউরি’ হিসেবে মত দেওয়ার সুযোগ দেন। এদের মধ্যে অধিকাংশ তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থার পক্ষে মত দেন, কয়েকজন এর সংস্কার বা বাতিলের পরামর্শ দেন।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিল রায়: চারটি রিভিউ আবেদনের শুনানি আজ আপিল বিভাগে

আপডেট সময় ০৯:৪০:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫

 

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের রায় পুনর্বিবেচনার জন্য রাজনৈতিক দল ও কয়েকজন নাগরিকের করা চারটি আবেদন আজ বুধবার (২৭ আগস্ট) শুনানি হবে। প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সাত সদস্যের আপিল বেঞ্চে এ শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

গতকাল মঙ্গলবার আবেদনকারীদের পক্ষে আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির এবং রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান যুক্তি তুলে ধরেন। এরপর আদালত আজকের দিন শুনানির জন্য নির্ধারণ করেন।

আরও পড়ুন  তত্ত্বাবধায়ক সরকার জনগণের সার্বভৌমত্বের রক্ষাকবচ: আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায়ের পর্যবেক্ষণ

২০১১ সালের ১০ মে আপিল বিভাগ সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করেছিলেন। তবে সেই রায়ে বলা হয়েছিল, দশম ও একাদশ জাতীয় নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে আয়োজন করা যেতে পারে। পাশাপাশি সংসদীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচনের সুযোগও খোলা রাখেন আদালত। তৎকালীন প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হকের নেতৃত্বে দেওয়া এ রায় ছিল পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চের।

চলতি বছরের ২৫ আগস্ট সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচজন ব্যক্তি এ রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ আবেদন করেন। তাদের মধ্যে আছেন তোফায়েল আহমেদ, এম হাফিজ উদ্দিন খান, জোবাইরুল হক ভূঁইয়া ও জাহরা রহমান। আবেদনগুলো করেন অ্যাডভোকেট শরীফ ভূঁইয়া ও ব্যারিস্টার তানিম হোসেন শাওন।

এরপর ১৬ অক্টোবর বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পক্ষে আরেকটি আবেদন করেন আইনজীবী জয়নুল আবেদীন। সর্বশেষ ২৩ অক্টোবর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি একই রায়ের বিরুদ্ধে আবেদন জমা দেয়। দলের পক্ষ থেকে আবেদন করেন সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রথম যুক্ত হয় ১৯৯৬ সালে, সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে। তবে এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা রিট ১৯৯৬ সালের ৪ আগস্ট হাইকোর্ট খারিজ করে দেয়। পরে ২০০৫ সালে এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল হয় এবং তখন সুপ্রিম কোর্ট বেশ কয়েকজন আইনজ্ঞকে ‘অ্যামিকাস কিউরি’ হিসেবে মত দেওয়ার সুযোগ দেন। এদের মধ্যে অধিকাংশ তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থার পক্ষে মত দেন, কয়েকজন এর সংস্কার বা বাতিলের পরামর্শ দেন।