ঢাকা ০৭:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান

তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিল রায়: চারটি রিভিউ আবেদনের শুনানি আজ আপিল বিভাগে

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:৪০:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫
  • / 838

ছবি সংগৃহীত

 

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের রায় পুনর্বিবেচনার জন্য রাজনৈতিক দল ও কয়েকজন নাগরিকের করা চারটি আবেদন আজ বুধবার (২৭ আগস্ট) শুনানি হবে। প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সাত সদস্যের আপিল বেঞ্চে এ শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

গতকাল মঙ্গলবার আবেদনকারীদের পক্ষে আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির এবং রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান যুক্তি তুলে ধরেন। এরপর আদালত আজকের দিন শুনানির জন্য নির্ধারণ করেন।

আরও পড়ুন  সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু; লড়াইয়ে ৩ প্যানেল

২০১১ সালের ১০ মে আপিল বিভাগ সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করেছিলেন। তবে সেই রায়ে বলা হয়েছিল, দশম ও একাদশ জাতীয় নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে আয়োজন করা যেতে পারে। পাশাপাশি সংসদীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচনের সুযোগও খোলা রাখেন আদালত। তৎকালীন প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হকের নেতৃত্বে দেওয়া এ রায় ছিল পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চের।

চলতি বছরের ২৫ আগস্ট সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচজন ব্যক্তি এ রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ আবেদন করেন। তাদের মধ্যে আছেন তোফায়েল আহমেদ, এম হাফিজ উদ্দিন খান, জোবাইরুল হক ভূঁইয়া ও জাহরা রহমান। আবেদনগুলো করেন অ্যাডভোকেট শরীফ ভূঁইয়া ও ব্যারিস্টার তানিম হোসেন শাওন।

এরপর ১৬ অক্টোবর বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পক্ষে আরেকটি আবেদন করেন আইনজীবী জয়নুল আবেদীন। সর্বশেষ ২৩ অক্টোবর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি একই রায়ের বিরুদ্ধে আবেদন জমা দেয়। দলের পক্ষ থেকে আবেদন করেন সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রথম যুক্ত হয় ১৯৯৬ সালে, সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে। তবে এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা রিট ১৯৯৬ সালের ৪ আগস্ট হাইকোর্ট খারিজ করে দেয়। পরে ২০০৫ সালে এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল হয় এবং তখন সুপ্রিম কোর্ট বেশ কয়েকজন আইনজ্ঞকে ‘অ্যামিকাস কিউরি’ হিসেবে মত দেওয়ার সুযোগ দেন। এদের মধ্যে অধিকাংশ তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থার পক্ষে মত দেন, কয়েকজন এর সংস্কার বা বাতিলের পরামর্শ দেন।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিল রায়: চারটি রিভিউ আবেদনের শুনানি আজ আপিল বিভাগে

আপডেট সময় ০৯:৪০:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫

 

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের রায় পুনর্বিবেচনার জন্য রাজনৈতিক দল ও কয়েকজন নাগরিকের করা চারটি আবেদন আজ বুধবার (২৭ আগস্ট) শুনানি হবে। প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সাত সদস্যের আপিল বেঞ্চে এ শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

গতকাল মঙ্গলবার আবেদনকারীদের পক্ষে আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির এবং রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান যুক্তি তুলে ধরেন। এরপর আদালত আজকের দিন শুনানির জন্য নির্ধারণ করেন।

আরও পড়ুন  অবকাশ শেষে রোববার থেকে বিচারিক কার্যক্রমে ফিরছে সুপ্রিম কোর্ট

২০১১ সালের ১০ মে আপিল বিভাগ সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করেছিলেন। তবে সেই রায়ে বলা হয়েছিল, দশম ও একাদশ জাতীয় নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে আয়োজন করা যেতে পারে। পাশাপাশি সংসদীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচনের সুযোগও খোলা রাখেন আদালত। তৎকালীন প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হকের নেতৃত্বে দেওয়া এ রায় ছিল পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চের।

চলতি বছরের ২৫ আগস্ট সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচজন ব্যক্তি এ রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ আবেদন করেন। তাদের মধ্যে আছেন তোফায়েল আহমেদ, এম হাফিজ উদ্দিন খান, জোবাইরুল হক ভূঁইয়া ও জাহরা রহমান। আবেদনগুলো করেন অ্যাডভোকেট শরীফ ভূঁইয়া ও ব্যারিস্টার তানিম হোসেন শাওন।

এরপর ১৬ অক্টোবর বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পক্ষে আরেকটি আবেদন করেন আইনজীবী জয়নুল আবেদীন। সর্বশেষ ২৩ অক্টোবর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি একই রায়ের বিরুদ্ধে আবেদন জমা দেয়। দলের পক্ষ থেকে আবেদন করেন সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রথম যুক্ত হয় ১৯৯৬ সালে, সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে। তবে এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা রিট ১৯৯৬ সালের ৪ আগস্ট হাইকোর্ট খারিজ করে দেয়। পরে ২০০৫ সালে এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল হয় এবং তখন সুপ্রিম কোর্ট বেশ কয়েকজন আইনজ্ঞকে ‘অ্যামিকাস কিউরি’ হিসেবে মত দেওয়ার সুযোগ দেন। এদের মধ্যে অধিকাংশ তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থার পক্ষে মত দেন, কয়েকজন এর সংস্কার বা বাতিলের পরামর্শ দেন।