ঢাকা ১১:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের বয়লার বিস্ফোরণে ১১ জনের মৃত্যু উত্তর আমেরিকা ২৩ দেশের বৈচিত্র্য, শক্তি ও সংস্কৃতির মহাদেশ হিলি বন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ, পাসপোর্টযাত্রী পারাপার স্বাভাবিক কৃষকের ভাগ্য উন্নয়নে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ: শিবগঞ্জে শিক্ষামন্ত্রী ঐতিহ্যের সেতুবন্ধন: বর্ষবরণ ও হালখাতার বিবর্তন ও প্রাসঙ্গিকতা মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনই আমাদের লক্ষ্য: টাঙ্গাইলে প্রধানমন্ত্রী ইসলামাবাদে ফের আলোচনায় বসছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র, শুক্রবার শুরুর সম্ভাবনা পরিবারের ৪ জনকে কুপিয়ে জখম, প্রাণ গেল কলেজছাত্রী দিয়ার ১৪০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী ‘সুপার এল নিনো’র আশঙ্কা শোভাযাত্রার মোটিফ আটকে গেল মেট্রো ভবনে

৫ আগস্ট হবে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান দিবস, ঘোষণা সরকারি ছুটির: উপদেষ্টা ফারুকী

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৩৭:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন ২০২৫
  • / 216

ছবি সংগৃহীত

 

ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থানের স্মরণে প্রতি বছর ৫ আগস্ট সরকারি ছুটি পালন করা হবে বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।

বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) ঢাকার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই ঘোষণা দেন।

আরও পড়ুন  ৫ আগস্ট পরবর্তী মামলার তদন্তে আইজিপির কড়া নির্দেশ

তিনি জানান, “জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে ঘিরে আগামী ১ জুলাই থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি শুরু হবে, যা চলবে ৫ আগস্ট পর্যন্ত। ১৪ জুলাই থেকে মূল আয়োজন শুরু হবে।” তিনি আরও বলেন, “যেভাবে সেই সময় আন্দোলনে দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল, আমরাও একইভাবে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিয়ে কর্মসূচি সাজাবো।”

উল্লেখ্য, ৫ আগস্টকে জাতীয় দিবস হিসেবে ঘোষণা করার প্রস্তাব রোববার উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে চূড়ান্ত করা হবে। সাংস্কৃতিক উপদেষ্টার ভাষায়, “এই দিনটি শুধু অতীতের একটি স্মরণ নয়, বরং তা গণতন্ত্র ও ছাত্র-জনতার ঐক্যের এক শক্তিশালী প্রতীক।”

এছাড়াও সংবাদ সম্মেলনে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন গণমাধ্যম বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) কে স্বায়ত্তশাসিত করার বিষয়েও চিন্তা-ভাবনা চলছে বলে জানান ফারুকী। তিনি বলেন, “গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সরকার এ পদক্ষেপ বিবেচনা করছে। শিক্ষা উপদেষ্টা ড. সি আর আবরার এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় কাজ করবেন।”

সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা জানান, ছাত্র-জনতার ঐক্য ও প্রতিরোধের ইতিহাসকে আরও বেশি গুরুত্ব দিয়ে উদযাপন করা হবে এবং তরুণ প্রজন্মকে উদ্বুদ্ধ করতেই এবারের কর্মসূচিতে ভিন্নমাত্রা যোগ করা হচ্ছে।

জাতীয়ভাবে ৫ আগস্ট পালনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন ও শিক্ষার্থী সংগঠনগুলো। তাদের মতে, এই দিবস ইতিহাসের ধারায় গণতন্ত্রের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ স্মারক হয়ে থাকবে।

সরকারের এই সিদ্ধান্ত আগামী দিনে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক চেতনা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে আরও শক্তিশালী করবে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

৫ আগস্ট হবে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান দিবস, ঘোষণা সরকারি ছুটির: উপদেষ্টা ফারুকী

আপডেট সময় ০৫:৩৭:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন ২০২৫

 

ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থানের স্মরণে প্রতি বছর ৫ আগস্ট সরকারি ছুটি পালন করা হবে বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।

বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) ঢাকার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই ঘোষণা দেন।

আরও পড়ুন  ৫ আগস্ট পরবর্তী মামলার তদন্তে আইজিপির কড়া নির্দেশ

তিনি জানান, “জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে ঘিরে আগামী ১ জুলাই থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি শুরু হবে, যা চলবে ৫ আগস্ট পর্যন্ত। ১৪ জুলাই থেকে মূল আয়োজন শুরু হবে।” তিনি আরও বলেন, “যেভাবে সেই সময় আন্দোলনে দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল, আমরাও একইভাবে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিয়ে কর্মসূচি সাজাবো।”

উল্লেখ্য, ৫ আগস্টকে জাতীয় দিবস হিসেবে ঘোষণা করার প্রস্তাব রোববার উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে চূড়ান্ত করা হবে। সাংস্কৃতিক উপদেষ্টার ভাষায়, “এই দিনটি শুধু অতীতের একটি স্মরণ নয়, বরং তা গণতন্ত্র ও ছাত্র-জনতার ঐক্যের এক শক্তিশালী প্রতীক।”

এছাড়াও সংবাদ সম্মেলনে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন গণমাধ্যম বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) কে স্বায়ত্তশাসিত করার বিষয়েও চিন্তা-ভাবনা চলছে বলে জানান ফারুকী। তিনি বলেন, “গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সরকার এ পদক্ষেপ বিবেচনা করছে। শিক্ষা উপদেষ্টা ড. সি আর আবরার এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় কাজ করবেন।”

সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা জানান, ছাত্র-জনতার ঐক্য ও প্রতিরোধের ইতিহাসকে আরও বেশি গুরুত্ব দিয়ে উদযাপন করা হবে এবং তরুণ প্রজন্মকে উদ্বুদ্ধ করতেই এবারের কর্মসূচিতে ভিন্নমাত্রা যোগ করা হচ্ছে।

জাতীয়ভাবে ৫ আগস্ট পালনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন ও শিক্ষার্থী সংগঠনগুলো। তাদের মতে, এই দিবস ইতিহাসের ধারায় গণতন্ত্রের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ স্মারক হয়ে থাকবে।

সরকারের এই সিদ্ধান্ত আগামী দিনে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক চেতনা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে আরও শক্তিশালী করবে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।