ঢাকা ১০:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

৫ আগস্ট হবে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান দিবস, ঘোষণা সরকারি ছুটির: উপদেষ্টা ফারুকী

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৩৭:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন ২০২৫
  • / 446

ছবি সংগৃহীত

 

ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থানের স্মরণে প্রতি বছর ৫ আগস্ট সরকারি ছুটি পালন করা হবে বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।

বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) ঢাকার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই ঘোষণা দেন।

আরও পড়ুন  ৫ আগস্ট পরবর্তী মামলার তদন্তে আইজিপির কড়া নির্দেশ

তিনি জানান, “জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে ঘিরে আগামী ১ জুলাই থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি শুরু হবে, যা চলবে ৫ আগস্ট পর্যন্ত। ১৪ জুলাই থেকে মূল আয়োজন শুরু হবে।” তিনি আরও বলেন, “যেভাবে সেই সময় আন্দোলনে দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল, আমরাও একইভাবে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিয়ে কর্মসূচি সাজাবো।”

উল্লেখ্য, ৫ আগস্টকে জাতীয় দিবস হিসেবে ঘোষণা করার প্রস্তাব রোববার উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে চূড়ান্ত করা হবে। সাংস্কৃতিক উপদেষ্টার ভাষায়, “এই দিনটি শুধু অতীতের একটি স্মরণ নয়, বরং তা গণতন্ত্র ও ছাত্র-জনতার ঐক্যের এক শক্তিশালী প্রতীক।”

এছাড়াও সংবাদ সম্মেলনে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন গণমাধ্যম বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) কে স্বায়ত্তশাসিত করার বিষয়েও চিন্তা-ভাবনা চলছে বলে জানান ফারুকী। তিনি বলেন, “গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সরকার এ পদক্ষেপ বিবেচনা করছে। শিক্ষা উপদেষ্টা ড. সি আর আবরার এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় কাজ করবেন।”

সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা জানান, ছাত্র-জনতার ঐক্য ও প্রতিরোধের ইতিহাসকে আরও বেশি গুরুত্ব দিয়ে উদযাপন করা হবে এবং তরুণ প্রজন্মকে উদ্বুদ্ধ করতেই এবারের কর্মসূচিতে ভিন্নমাত্রা যোগ করা হচ্ছে।

জাতীয়ভাবে ৫ আগস্ট পালনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন ও শিক্ষার্থী সংগঠনগুলো। তাদের মতে, এই দিবস ইতিহাসের ধারায় গণতন্ত্রের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ স্মারক হয়ে থাকবে।

সরকারের এই সিদ্ধান্ত আগামী দিনে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক চেতনা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে আরও শক্তিশালী করবে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

৫ আগস্ট হবে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান দিবস, ঘোষণা সরকারি ছুটির: উপদেষ্টা ফারুকী

আপডেট সময় ০৫:৩৭:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন ২০২৫

 

ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থানের স্মরণে প্রতি বছর ৫ আগস্ট সরকারি ছুটি পালন করা হবে বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।

বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) ঢাকার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই ঘোষণা দেন।

আরও পড়ুন  ৫ আগস্ট পরবর্তী মামলার তদন্তে আইজিপির কড়া নির্দেশ

তিনি জানান, “জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে ঘিরে আগামী ১ জুলাই থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি শুরু হবে, যা চলবে ৫ আগস্ট পর্যন্ত। ১৪ জুলাই থেকে মূল আয়োজন শুরু হবে।” তিনি আরও বলেন, “যেভাবে সেই সময় আন্দোলনে দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল, আমরাও একইভাবে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিয়ে কর্মসূচি সাজাবো।”

উল্লেখ্য, ৫ আগস্টকে জাতীয় দিবস হিসেবে ঘোষণা করার প্রস্তাব রোববার উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে চূড়ান্ত করা হবে। সাংস্কৃতিক উপদেষ্টার ভাষায়, “এই দিনটি শুধু অতীতের একটি স্মরণ নয়, বরং তা গণতন্ত্র ও ছাত্র-জনতার ঐক্যের এক শক্তিশালী প্রতীক।”

এছাড়াও সংবাদ সম্মেলনে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন গণমাধ্যম বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) কে স্বায়ত্তশাসিত করার বিষয়েও চিন্তা-ভাবনা চলছে বলে জানান ফারুকী। তিনি বলেন, “গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সরকার এ পদক্ষেপ বিবেচনা করছে। শিক্ষা উপদেষ্টা ড. সি আর আবরার এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় কাজ করবেন।”

সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা জানান, ছাত্র-জনতার ঐক্য ও প্রতিরোধের ইতিহাসকে আরও বেশি গুরুত্ব দিয়ে উদযাপন করা হবে এবং তরুণ প্রজন্মকে উদ্বুদ্ধ করতেই এবারের কর্মসূচিতে ভিন্নমাত্রা যোগ করা হচ্ছে।

জাতীয়ভাবে ৫ আগস্ট পালনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন ও শিক্ষার্থী সংগঠনগুলো। তাদের মতে, এই দিবস ইতিহাসের ধারায় গণতন্ত্রের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ স্মারক হয়ে থাকবে।

সরকারের এই সিদ্ধান্ত আগামী দিনে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক চেতনা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে আরও শক্তিশালী করবে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।