ঢাকা ১১:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বড় বাধা রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন: ডিএনসিসি প্রশাসক

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৪২:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ মে ২০২৫
  • / 404

ছবি: সংগৃহীত

 

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ বলেছেন, দেশের পরিবেশ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন।

শনিবার (৩১ মে) সকালে পরিবেশ অধিদফতরের আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘ম্যানিফিয়েস্টো টক: ইয়ুথ, এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ক্লাইমেট’ শীর্ষক সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

আরও পড়ুন  ঢাকার মূল সড়কে রিকশা নিষিদ্ধ: ডিএনসিসি প্রশাসক

প্রশাসক এজাজ বলেন, “গত দুই দশকে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় দেশের পরিবেশ দূষণ ভয়াবহ মাত্রায় পৌঁছেছে। পরিবেশ ধ্বংসে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়েছিল। যে কেউ অনিয়মের বিরুদ্ধে দাঁড়ালেই তাকে নানাভাবে হেনস্তার শিকার হতে হতো, অনেক সময় তুলে নেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, দুর্বৃত্তচক্রের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় এখনো তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। “এগুলো পুরনো দুর্বৃত্তচক্রেরই কাজ,” বলেন তিনি।

সম্প্রতি রাজধানীতে অস্বাভাবিক বৃষ্টিপাত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “৫৪ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হলেও রাজধানীর প্রধান সড়কগুলোতে জলাবদ্ধতার তেমন প্রভাব পড়েনি। এটি ডিএনসিসির সাফল্যের একটি বড় প্রমাণ।”

এই প্রসঙ্গে ধানমন্ডি এলাকার উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, “ধানমন্ডি ২৭ নম্বরে এবার হাসিনার নৌকা চলতে দেইনি।”

তিনি জানান, সঠিক পরিকল্পনা ও দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তনের মাধ্যমে নগর ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব হয়েছে, যা আরও বিস্তৃতভাবে বাস্তবায়নের জন্য নাগরিক সচেতনতা ও রাজনৈতিক সদিচ্ছার প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন যুব সংগঠনের প্রতিনিধিরা, পরিবেশবাদী কর্মী, ও সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা। আলোচনায় উঠে আসে তরুণদের পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ, এবং টেকসই শহর গঠনের পথনির্দেশনা।

ডিএনসিসি প্রশাসকের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়, দুর্নীতির পাশাপাশি রাজনৈতিক প্রভাব ও দুর্বৃত্তায়নের কারণে পরিবেশ রক্ষায় নীতিনির্ধারণী ও বাস্তব পদক্ষেপ বাধাগ্রস্ত হয়েছে। এই চক্র ভেঙে একটি নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন ও টেকসই শহর গঠনে সকলের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা জরুরি বলে মত দেন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বড় বাধা রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন: ডিএনসিসি প্রশাসক

আপডেট সময় ০৪:৪২:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ মে ২০২৫

 

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ বলেছেন, দেশের পরিবেশ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন।

শনিবার (৩১ মে) সকালে পরিবেশ অধিদফতরের আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘ম্যানিফিয়েস্টো টক: ইয়ুথ, এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ক্লাইমেট’ শীর্ষক সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

আরও পড়ুন  ঢাকার মূল সড়কে রিকশা নিষিদ্ধ: ডিএনসিসি প্রশাসক

প্রশাসক এজাজ বলেন, “গত দুই দশকে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় দেশের পরিবেশ দূষণ ভয়াবহ মাত্রায় পৌঁছেছে। পরিবেশ ধ্বংসে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়েছিল। যে কেউ অনিয়মের বিরুদ্ধে দাঁড়ালেই তাকে নানাভাবে হেনস্তার শিকার হতে হতো, অনেক সময় তুলে নেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, দুর্বৃত্তচক্রের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় এখনো তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। “এগুলো পুরনো দুর্বৃত্তচক্রেরই কাজ,” বলেন তিনি।

সম্প্রতি রাজধানীতে অস্বাভাবিক বৃষ্টিপাত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “৫৪ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হলেও রাজধানীর প্রধান সড়কগুলোতে জলাবদ্ধতার তেমন প্রভাব পড়েনি। এটি ডিএনসিসির সাফল্যের একটি বড় প্রমাণ।”

এই প্রসঙ্গে ধানমন্ডি এলাকার উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, “ধানমন্ডি ২৭ নম্বরে এবার হাসিনার নৌকা চলতে দেইনি।”

তিনি জানান, সঠিক পরিকল্পনা ও দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তনের মাধ্যমে নগর ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব হয়েছে, যা আরও বিস্তৃতভাবে বাস্তবায়নের জন্য নাগরিক সচেতনতা ও রাজনৈতিক সদিচ্ছার প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন যুব সংগঠনের প্রতিনিধিরা, পরিবেশবাদী কর্মী, ও সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা। আলোচনায় উঠে আসে তরুণদের পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ, এবং টেকসই শহর গঠনের পথনির্দেশনা।

ডিএনসিসি প্রশাসকের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়, দুর্নীতির পাশাপাশি রাজনৈতিক প্রভাব ও দুর্বৃত্তায়নের কারণে পরিবেশ রক্ষায় নীতিনির্ধারণী ও বাস্তব পদক্ষেপ বাধাগ্রস্ত হয়েছে। এই চক্র ভেঙে একটি নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন ও টেকসই শহর গঠনে সকলের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা জরুরি বলে মত দেন তিনি।