ঢাকা ০১:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বড় বাধা রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন: ডিএনসিসি প্রশাসক

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৪২:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ মে ২০২৫
  • / 295

ছবি: সংগৃহীত

 

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ বলেছেন, দেশের পরিবেশ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন।

শনিবার (৩১ মে) সকালে পরিবেশ অধিদফতরের আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘ম্যানিফিয়েস্টো টক: ইয়ুথ, এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ক্লাইমেট’ শীর্ষক সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

আরও পড়ুন  ঢাকার মূল সড়কে রিকশা নিষিদ্ধ: ডিএনসিসি প্রশাসক

প্রশাসক এজাজ বলেন, “গত দুই দশকে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় দেশের পরিবেশ দূষণ ভয়াবহ মাত্রায় পৌঁছেছে। পরিবেশ ধ্বংসে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়েছিল। যে কেউ অনিয়মের বিরুদ্ধে দাঁড়ালেই তাকে নানাভাবে হেনস্তার শিকার হতে হতো, অনেক সময় তুলে নেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, দুর্বৃত্তচক্রের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় এখনো তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। “এগুলো পুরনো দুর্বৃত্তচক্রেরই কাজ,” বলেন তিনি।

সম্প্রতি রাজধানীতে অস্বাভাবিক বৃষ্টিপাত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “৫৪ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হলেও রাজধানীর প্রধান সড়কগুলোতে জলাবদ্ধতার তেমন প্রভাব পড়েনি। এটি ডিএনসিসির সাফল্যের একটি বড় প্রমাণ।”

এই প্রসঙ্গে ধানমন্ডি এলাকার উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, “ধানমন্ডি ২৭ নম্বরে এবার হাসিনার নৌকা চলতে দেইনি।”

তিনি জানান, সঠিক পরিকল্পনা ও দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তনের মাধ্যমে নগর ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব হয়েছে, যা আরও বিস্তৃতভাবে বাস্তবায়নের জন্য নাগরিক সচেতনতা ও রাজনৈতিক সদিচ্ছার প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন যুব সংগঠনের প্রতিনিধিরা, পরিবেশবাদী কর্মী, ও সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা। আলোচনায় উঠে আসে তরুণদের পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ, এবং টেকসই শহর গঠনের পথনির্দেশনা।

ডিএনসিসি প্রশাসকের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়, দুর্নীতির পাশাপাশি রাজনৈতিক প্রভাব ও দুর্বৃত্তায়নের কারণে পরিবেশ রক্ষায় নীতিনির্ধারণী ও বাস্তব পদক্ষেপ বাধাগ্রস্ত হয়েছে। এই চক্র ভেঙে একটি নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন ও টেকসই শহর গঠনে সকলের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা জরুরি বলে মত দেন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বড় বাধা রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন: ডিএনসিসি প্রশাসক

আপডেট সময় ০৪:৪২:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ মে ২০২৫

 

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ বলেছেন, দেশের পরিবেশ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন।

শনিবার (৩১ মে) সকালে পরিবেশ অধিদফতরের আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘ম্যানিফিয়েস্টো টক: ইয়ুথ, এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ক্লাইমেট’ শীর্ষক সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

আরও পড়ুন  প্যারিস সম্মেলন: জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি কমাতে অনুদানের আবেদন ডিএনসিসি প্রশাসকের

প্রশাসক এজাজ বলেন, “গত দুই দশকে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় দেশের পরিবেশ দূষণ ভয়াবহ মাত্রায় পৌঁছেছে। পরিবেশ ধ্বংসে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়েছিল। যে কেউ অনিয়মের বিরুদ্ধে দাঁড়ালেই তাকে নানাভাবে হেনস্তার শিকার হতে হতো, অনেক সময় তুলে নেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, দুর্বৃত্তচক্রের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় এখনো তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। “এগুলো পুরনো দুর্বৃত্তচক্রেরই কাজ,” বলেন তিনি।

সম্প্রতি রাজধানীতে অস্বাভাবিক বৃষ্টিপাত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “৫৪ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হলেও রাজধানীর প্রধান সড়কগুলোতে জলাবদ্ধতার তেমন প্রভাব পড়েনি। এটি ডিএনসিসির সাফল্যের একটি বড় প্রমাণ।”

এই প্রসঙ্গে ধানমন্ডি এলাকার উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, “ধানমন্ডি ২৭ নম্বরে এবার হাসিনার নৌকা চলতে দেইনি।”

তিনি জানান, সঠিক পরিকল্পনা ও দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তনের মাধ্যমে নগর ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব হয়েছে, যা আরও বিস্তৃতভাবে বাস্তবায়নের জন্য নাগরিক সচেতনতা ও রাজনৈতিক সদিচ্ছার প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন যুব সংগঠনের প্রতিনিধিরা, পরিবেশবাদী কর্মী, ও সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা। আলোচনায় উঠে আসে তরুণদের পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ, এবং টেকসই শহর গঠনের পথনির্দেশনা।

ডিএনসিসি প্রশাসকের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়, দুর্নীতির পাশাপাশি রাজনৈতিক প্রভাব ও দুর্বৃত্তায়নের কারণে পরিবেশ রক্ষায় নীতিনির্ধারণী ও বাস্তব পদক্ষেপ বাধাগ্রস্ত হয়েছে। এই চক্র ভেঙে একটি নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন ও টেকসই শহর গঠনে সকলের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা জরুরি বলে মত দেন তিনি।